অভিভূত

যারা কাপুরুষ তারা ভাগ্যের দিকে চেয়ে রয়
পুরুষ চায় নিজ শক্তির দিকে যেনো নিজের
বাহুই তাদের টেনে তুলবে অন্য কিছুতে নয়। 

যার যেটা নেই সে কখনো মূল্য বুঝে না তার
সেটির মূল্য বুঝে একমাত্র সেই ব্যক্তি আগে
কোন জিনিস ছিল কিন্তু এখন তা নেই যার।

জীবনের অনেক ব্যর্থতায় এমন লোক যারা
হাল ছেড়ে দেওয়ার সময় বুঝতে পারেনি যে
সাফল্য অর্জনের কত কাছাকাছি ছিল তারা

ইগো শয়তানের একটি বড়ো হাতিয়ার হলো
বেশ বুদ্ধিমান যোগ্যতাসম্পন্ন মানুষদেরকেও
শীঘ্র বিপর্যয়ের দিকে নেয়ার সুযোগ পেলো।

পুরো জনম ঝড়ের জন্য অপেক্ষা করেন যদি
তবে প্রতিনিয়ত যথাসাধ্য চেষ্টা করেও সূর্যের
আলো উপভোগ করা অসম্ভব জীবন অবধি।

সব চেয়ে ভাল কাজ কর্ম করতে পারেন যিনি
তাতে বেশী সুখী হতে পারলে তবে অধিকাংশ
মানুষের চেয়ে কিন্তু শত এগিয়ে যাবেন তিনি।

Similar Posts

  • বিবর্তন

    নশ্বর জগত ছেড়ে যেতে হবেশুধুমাত্র একে অন্যের সাথেইআচার আচরণ কেমন ছিলোতাই মানুষের মনে স্মরণ রবে। কতো ভালো মন্দ মানুষ ছিলসময়ের বিবর্তনের ফলে সবেপর্যায়ক্রমে আল্লাহ তায়ালারহুকুমে ধরণী হতে বিদায় নিল। এর মধ্যে ভালো ছিলো যতোতাঁরা যথাযথ ইবাদত বন্দেগীআর সঠিক সুন্দর পথে চলেসন্তোষ্টি অর্জন করেছে ততো। আরো অনেক স্মরণীয় যারান্যায় সংগত আর স্রষ্টার পথেচলাচল করেই সবার মন…

  • শীতের ডাক

    ষড় ঋতুরই স্বদেশমোদের বাংলাদেশ।গরমের শেষ হাঁকঠান্ডার প্রথম ডাক।হেমন্তের শেষ যাত্রাশীতের কঠিন মাত্রা।ঠান্ডার সময় আসেপৌষ ও মাঘ মাসে।আরম্ভে কতই শীতশিশুরা ও গায় গীত।সময় যত বয়ে যায়গরম কাপড় লাগায়।শিশু কিশোর যুবকযতই তাদের দোসর।প্রকোপতা বাড়ে যতলেপ বস্ত্র লাগে তত।বয়ষ্কদের কতই কষ্টপরে হয় জীবন নষ্ট।হাত পা ঠান্ডায় ধরেতীব্র শীতে কত মরে।

  • মেহেদি রাঙা হাত

    কোরান-শ্লেট-আর হাতে চকখড়িনিয়েই পাটশালা ও মক্তবের পথেচলেছে শিশুরা চুলে বেনী বেঁধে ইকাঁচা আম পাড়তে কিশোরীরা যেদূরন্ত চড়ে গাছে পায়ে দিয়ে বেড়ি। মেহেদি রাঙা হাতে ই নকসি পিঠাখাঁজ কাটতে কাটতে যে যুবতীরাঘোমটার ফাঁকে চায় প্রণয় চোখেপ্রিয়তমার দিকে যে নারীরা লাছিসুতার পরিয়েছে চরকা ইয়া মোটা। আবর্জনা চিটাধান উড়ানোর কুলোবাতাসের বিপরিতেই ধরেছে ধানেরনকসি কাঁথা সেলাইয়েরও পেতেছেপাটি উঠানে সারি…

  • দিক দিগন্ত

    অনুমতি নিতে যত কথাসিধান্ত নিবে যাবে যেথাআরো সাথে রবে সেথা। দিক বিদিক ছুটেই চলেসকল বন্ধু বান্ধব মিলেকতো চলছে হেলেদুলে। কেউতো গল্প সল্পে মত্তকাহিনীও তথ্য উপাত্যচলছে সব দিক দিগন্ত। চলার পথে একটি হাটএর পরে রয় খেয়াঘাটএকটু দূরে বিশাল মাঠ। তারা মাঠে পৌঁছে যায়ভীড় হয় দর্শকের দায়কত পরিচিত বন্ধু পায়। ওরা সকল দর্শক সাজেবসে গেলো সবার মাঝেভরপুর…

  • আরো চাই আরো চাই

    পৃথিবীতে হায়! কেহ শান্তি নাইযার আছে অঢেল সম্পদ আরটাকা পয়সা দালান অট্রালিকাযত বেশী তার আরো কত চাই। দোকান পাঠ বাজার যত হাটেব্যবসা বাণিজ্য করছে সকলেআরো শত চাকরি বাকরি করেজল স্থল নদী সমুদ্র খেয়া ঘাটে। সকলে শুধু যেন পাওয়ার দায়রাত পোহালেই সকাল সন্ধ্যায়কিভাবে কোথায় কেমনই করেসর্বক্ষণ রয় ধান্ধা কত যে পায়।

  • খেলা ধুলা

    অবিরাম চলার গতিকোনো বিরতি ছাড়াছোটে চলছে যেনোটিক নেই তার মতি। একটি যুবক ছেলেএদিক ওদিক নাহিতাকিয়ে ছুটে যাচ্ছেশরীরকে হেলেদুলে। তার দীর্ঘ সময় যায়পথে অল্প বিশ্রামেরপরে যাত্রাটি আরম্ভকরে সাথীদের পায়। সকল একত্রে মিলেখেলার মাঠে হাজিরহয়ে পরে মিলেমিশেকত খেলা ধুলা চলে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *