অলি-আউলিয়ার বাংলাদেশ

 হযরত শাহজালাল ইয়েমানী (রা:)

৩৬০ জন আউলিয়া নিয়ে সিলেটে 

এসেছিলেন ওলিকুল শিরোমণি।

সুলতানুল বাঙ্গাল ও ছিলেন তিনি

হযরত শাহজালাল মুজাররাদ 

ইয়েমানী (রা:) বিখ্যাত পীরই যিনি।

তাঁর মাধ্যমেই ইসলামের প্রসার ঘটে

বোরহান উদ্দিন (রাঃ) এর ওপর গৌড়

গোবিন্দের কত অত্যাচার ছিল বটে। 

সিলেট ৩৬০ আউলিয়ার সুন্দর দেশ 

পুণ্যভূমি অভিধায়ও অভিহিত করে 

যার প্রমাণ রয়েছে কতই যেন বেশ।

অলি-আউলিয়ায় বাংলাদেশ যে ভরা 

ইসলাম প্রচারে আউলিয়া কেরামের

অবদান আছে যার সুনামে বিস্তৃত ধরা।

Similar Posts

  • কর্ম স্পৃহা

    সাফল্যের জন্যে সময় দিতে হবেভালোবাসা কঠোর পরিশ্রম আরস্বপ্নকে বাস্তবতার লক্ষ্যে দেখতেকঠিন হলেও সচেষ্ট থাকো তবে। একটানা কাজ করার গুণ থাকেযার মাঝে সীমাহীন উ‌ৎসাহ বুদ্ধিকর্মের স্পৃহা আর সফল হওয়ারসম্ভাবনা অধিক বেশী রয় ফাঁকে। জীবনে সকলে লক্ষ্য ঠিক করোসে লক্ষ্যটিকে নিজের জীবনেরঅংশ বানিয়ে ফেলো চিন্তা করোস্বপ্ন দেখো একনিষ্ঠ কাজ সারো। একটি লক্ষ্য বস্তুকে ছড়িয়ে দাওপুরো শরীরে সবার…

  • সময় নাই !

    কি আর করি ইতি টানতে চাইকোনো প্রকারের লেখা লেখিকরার মতো সময় আমার নাই! অন্তর চায় না আর লিখে থাকিচাইলে আর সব কি হয় কর্তব্যকর্ম এখনো যথেষ্ট রয়েছে বাকি! হেলা ফেলায় বিগত জীবন শেষফল শ্রুতিতে কোন উন্নতি হয়নিতবু্ও যেন দৈর্য্য ধরে আছি বেশ! মাটি আর মানুষের মোহে পড়িসবে মূল্যবান সময় নষ্ট না করিস্রষ্টার কাজে বাকী জীবন…

  • জগৎ স্বামী !

    দয়াল বন্ধু আমার মনে রাখিওবেড়ানো কালে তুমি সাথে নিওআঘাত ব্যথা পেলে শান্তি দিও। স্নেহের বন্ধু কখনোই ভুলো যদিবুঝতে পারব আমার বিধি বাদিনিরবে আসবেই তখন গুণনিধি। আখি মুদলে যে রূপ দেখা যায়আঁধারে আলো তাকে মনে চায়ধৈর্য ও প্রতীক্ষাতে বন্ধুকে পায়। তাই বারংবার আর বলব কতোআসবে সামনে আরো সুখবসন্তজন্মের মতো দেখে করিও শান্ত। এখন তোমাকেই কী বলব…

  • কতো ব্যথা সয় !

    সন্তান যখনি বাড়ি থেকে বের হয়তার বিরহ ব্যথা যতো মাতায় সয়! রাস্তায় চলতে চলতে এগিয়ে যায়অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে রয় মায়! কতো অশান্তিতে যেন মাকে পায়পেট ভরে খানা খাদ্যও নাহি খায়! আরাধনা উপাসনায় লেগে থাকেঅনুনয় বিনয়ে আল্লাহকে ডাকে! সুখ শান্তিতে যেন থাকে বাছাধনতাসবীহ তাহলীল করে দিয়ে মন! সন্তানের বালা মুসিবত দূরে নাওতার অন্তরে যতো সুখ শান্তি…

  • নিরুদ্দেশ হয় কতো !

    আল্লার ভরসায় তুমি যেতে পারোছোট বড় যতো সংগী নিও আরোসময় মতো ইবাদত বন্দেগী করোসর্বদা আল্লাহকে খুশীর পথ ধরোদৈনন্দিন দরকারী কাজও সারো! সেথা থাকবে সবাই একত্রে মিলেউন্নয়নের কাজ করো মিলে মিশেসম্মিলিত থাকলে পাবেনা দোষেঅনায়াসে হবে কাজ ফুর্তির বশেসবার সময় যাবে আনন্দ উল্লাসে! যুবক বৃদ্ধ কত ত্যাগ করে স্বদেশজন্মভূমি ছেড়ে তারা যায় বিদেশপ্রগতি উন্নতির থাকে যত উদ্দেশদেশ…

  • রে বীর !

    রে মহামান্য খ্যাতি অর্জনকারী বীরতোমার ন্যায় কত ছিল হয়েছে স্থিরএখন ওদের মতি রয় কত স্তব্ধ শিরএকদম যেনো কতো শীতল যা নীরসময়ে গতিবেগ কমে হয়ে যায় ধীর! ধরণীতে অসংখ্য যা বীরত্ববান ছিলগায়ের জোর কথা সবই কেড়ে নিলবেশ দিন স্থিতিশীল রয়নি চলে গেলনির্যাতিত নিপিড়ীত যারা শান্তি পেলঅনেক বীরদের পোকা মাকড় খেল! সময়ে তর্জন গর্জন কত কি যে…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *