কতো গুণগান !

নামাজ পড়তে চল যাই
আর কারো ভরসা নাই
আল্লাহর গুণগান গাই।

বান্দা সকল চির রোগী
ভব রোগে শোকে ভুগি
মন্দ স্বভাব হবো ত্যাগী।

আল্লাহর আশ্রয় নিলে
মন ধাবিত করে দিলে
দিন পাতে শান্তি মিলে!

সৃষ্টিকর্তা আঁধারের বাতি
ইবাদাত বন্দেগীর সাথি
ভবে যত মুসলিম জাতি!

খোদা ও রাসুলের পথে
সুখ সমৃদ্ধি আছে যাতে
সময় যায় শান্তির সাথে!

ধরায় সৃষ্টির জীব সেরা
পৃথিবীতে ছড়িয়ে যারা
ইবাদতে সুখী হব মোরা!

Similar Posts

  • মহামারির রেশ

    বিশ্বজগৎ অপূর্ব ভারসাম্যপূর্ণ লীলাক্ষেত্রভারসাম্যকে মোরা সীমা লঙ্ঘন না করারসাথে তুলনা করিতে পারি সকলেই সর্বত্র। একশত জনের ভার বহিবার ক্ষমতা রাখেযদি একটি জলযান সেই সীমা লঙ্ঘন করেযাত্রী তোলে বেশি দুর্ভোগ দেখা দেয় ফাঁকে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে যে অবস্হা পরিদৃষ্ট হয়অনেক সময় ঋণ করতেই হয় কোন রাষ্ট্রকেযা দূরদর্শিতার অভাবেরই দগদগে চিত্র রয়। বিশ্বের বড় অর্থনীতির দেশ ঋণ…

  • যতো গন্ডগোল ! চলে কতো আবুল তবুলসৃষ্টি করে যতো গন্ডগোল পরিবেশ যা ঘোলাটে হয়শত অসন্তোষ লেগে রয়। দোষীও মাত্র কয়েক জনভোগে কতোও লোকজন। তারা সকল দেশের শত্রুকখনো তো হবে না মিত্র। ওদের দ্বারা কলুষিত দেশপলায়ন করে যায় বিদেশ। বিদেশেতে যদি তারা যায়সুখ শান্তি আর নাহি পায়। আল্লার রাস্তার যারা চলেজীবনে কতো শান্তি মিলে! তিনি অসংখ্য…

  • স্ট্রোক কী? স্ট্রোক হলে কী করবেন?

    স্ট্রোক হল মস্তিষ্কের রক্তনালির একটি রোগ। সেই রক্তনালি ছিঁড়ে যাওয়া অথবা ব্লক হয়ে যাওয়া স্ট্রোকের কারণ। অতএব স্ট্রোক দু’ধরনের১. রক্তনালি ছিঁড়ে গিয়ে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হলে হেমোরেজিক স্ট্রোক বলে।২. রক্তনালি ব্লক হয়ে গিয়ে মস্তিষ্কে পর্যাপ্ত রক্ত না যাওয়া এবং মস্তিষ্ক শুকিয়ে যাওয়া, একে বলে ইস্কেমিক স্ট্রোক।কেন স্ট্রোক হয়?সাধারণতঃ কিছু ক্ষেত্রে অনেকদিন ধরে ধীরে ধীরে বাড়ে স্ট্রোকের ঝুঁকি।…

  • অশান্তি দূরে যায় !

    আধারের পর আলো আসে কান্নার পর হাসিদুঃখের পরে সুখ আসে জীবন হয়ে যায় সুখী! শুন্যতায় ভরপুর আমাদের এ জগত সংসারদুঃখ সে তো শাশ্বত শূন্যের কতোই হাহাকার! ঝরে যাওয়া পাতা জানে স্মৃতির বাঁচার মানেঅন্যরা ঝরে যাবে সে মোটেই তা নাহি জানে! পরিস্থিতির স্বীকার হলে কতো কষ্ট পেতে হয়বাস্তবতা কতোই যে কঠিন অধিক স্মরণ রয়! চোখের দু’ফোটা জ্বল…

  • সর্ব শ্রেষ্ঠ

    সৃষ্টির সর্বশ্রেষ্ঠ জীব কতোঅনাদর অবহেলায় আছেরাস্তা ঘাট আর যথা তথায়জীবন যাপন করছে শতো। অনেক দু:খ কষ্টে সময় যায়খেয়ে না খেয়ে আবার কোনকোন দিন কারো সহানুভূতিপেয়ে যাহা কিছু খেতে পায়। তারা সাহায্যের প্রতিক্ষায় রয়কতো কাকুতি মিনতির পরেইকেহ সহানুভূতি স্বরূপ কখনোকিছু দান করলে যা খুশী হয়। চাওয়ার পরিমাণ অল্পই থাকেহৃদয়বান ব্যক্তিবর্গের সাহায্যসহানুভূতির মাধ্যমে সৃষ্টি কর্তাআল্লাহ তায়ালা বাঁচিয়ে…

  • দৌরাত্ম !

    প্রতিনিয়ত যা দেখা যায়বর্তমান কষ্টের জমানায়। দু:খীদের হক কেড়ে নেয়গরীবেরে শান্তি নাহি দেয়। এগুলো করে যাচ্ছে তারাঠগভাজ ও বাটপার যারা। দিন রজনীই ধান্দায় রয়কিভাবে যেন ঠকাতে হয়। দৌরাত্ম বাহাদুরিও কতোওদের জন্য ভোগে শতো। স্বার্থের যা সুযোগ খুঁজেবেহুশ করে মাঝে মাঝে! অজ্ঞান করে হাতিয়ে লয়ভুক্ত ভোগী নির্যাতন সয়! ছিন্তাই টগবাজিতে যা পায়আনন্দ খুশিতে এসব খায়!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *