কবিতা


সবারই কম-বেশি অভাব-অনটন আছেএর মাঝেই নিঃস্বার্থভাবে সমাজে আরোপ্রত্যেক জনগণ যতো অসহায় পরিবারতাদের পাশে দাঁড়ানোও দায়িত্ব রয়েছে। মানুষ অভাবীদের জন্যই দাঁড়ালে পাশেআল্লাহর সন্তুষ্টির লক্ষ্যে অভাব-অনটনথাকা সত্ত্বেও এর বিনিময়ে আল্লার পক্ষথেকে পুরস্কারের ঘোষণা রয়েছে শেষে। জান্নাতিদের উদ্দেশ্যে সৃষ্টিকর্তা বলেনতাঁদের প্রাপ্ত নিয়ামত ও গুণাবলী এতোতারা আহার্যের প্রতি যা আসক্তি সত্ত্বেওঅভাবীদেরকে খাবার দান করে চলেন। আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য আহার্য…
আচানক চলার গতিকখন কি করে কেহোবুঝতে পারেনি কতোযেনো তার কেরামতি। আচমকা নীরব থাকেযেনো বধির লোকেরভাব ধরে চলে ফাঁকেচিন্তামগ্ন দেখায় যাকে। কখনো যত রেগে যায়তখন মুখটি অগ্নিশর্মারুপ ধারণ করে চড়াইউৎরাইয়ের শঙ্কা পায়। স্রষ্টা কেমন যে চালায়খাবার দাবারের চিন্তাফিকির না করে সময়কাটায় হেলা ফেলায়। হাসি টাট্রা খুশী কতোযখন যাহা ইচ্ছে করেঘটনা দুর্ঘটনা বাজায়যথা তথায় ইচ্ছে মত।
সব ছেড়ে যাবে ! মনটা তোমার থাকে যদি ভালোজ্বালাতে পারো সমাজে আলো। ইহাকে যদি ভালোই রাখতে চাওইবাদত বন্দেগী বেশী করে যাও! উপাসনা আরাধনায় রয়না কষ্টআল্লাহর কাজে হবেনা পথভ্রষ্ট! কল্যাণের কাজ যেওনা এড়িয়েদয়া প্রার্থীদেরও দিওনা তাড়িয়ে! সৃষ্টিকর্তার কাজে দিওনা ফাঁকিতাঁর সন্তোষ্টির পথে সবাই থাকি! দালান কোঠা অট্রালিকা ও বাড়িএসব যত আছে যেতে হবে ছাড়ি! আল্লাহ রাসুলের…