ক্ষুদ্র প্রাণীর অনুসরণ

পিঁপড়াই পৃথিবীর  আদিতম , 

ক্ষুদ্রতর প্রাণীর সে অন্যতম। 

ছোট  প্রাণীটিরই  কাছ  হতে,

শেখার  আছে অনেক তাতে।

কর্মের  জন্য  এত ক্ষুদ্র প্রাণী,

বহুবিধ  গুণান্বিত সবে জানি। 

তারা সব সময়  একত্রে  চলে,

একাত্মতায় থাকে দলে দলে। 

রানি পিঁপড়া  হলো  দল নেতা,

নির্দেশে  তারা চলে  যথা তথা।

সবাই  রানির  কথামত  থাকে,

শৃঙ্খলায় চলে সব  এক সাথে।

শীতকালের জন্য খাবার টানে,

গরমের দিন তারা এসব আনে।

শীতকালে ঠান্ডায়  কষ্ট যে হয়,

খাবার সংগ্রহে সারা বছর রয়।

কোনো  বিপদে ও কেউ জড়ায়,

মুহূর্তের  মধ্যে  সে তথ্য ছড়ায়।

ক্ষুদ্র প্রাণীর থেকে শিখার কত,

অনুসরণে উপকৃত হব যে শত।

Similar Posts

  • তাওয়াককুল

    কারো যদি অস্বস্তি মিলেইবাদত বন্দেগীতে রতোথেকে সৃষ্টি কর্তার উপরেসম্পুর্ণ ভরসায় যাও চলে। দুশ্চিন্তা পেরেশানিই সবএকমাত্র আল্লাহ পাকেরউপর পূর্ণ তাওয়াককুলকরলে দূর করবেন রব! আমাদের স্রষ্টা মেহেরবানঅভাব অনটন দু:খ ব্যথানিজ দয়ায় দূর করে দেনচলো সকলে গাই গুনগান! তাঁর গুণ কীর্তনে হন খুশীসৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব হিসেবেআরাধনা উপাসনার দ্বারাপ্রার্থনাও করি যেন বেশী!

  • কষ্টে চলে !

    মাথার ঘাম পায়ে ফেলেদিন রাত পরিশ্রমের পরকতো কষ্টে জীবন চলে! অসুখ বিসুখ হলে পরেকষ্টের মাত্রা বেড়ে গিয়েতারা জীবন বাজি ধরে! খেয়ে না খেয়ে রয় কতঅভাব অনটনে আঁকড়েধরে রয় জীবনভর যত! সুখ সাচ্ছন্দ্য প্রতিকূলেআল্লার অসীম করুণায়আসতে পারে অনুকূলে! সত্য রাস্তায় চলে গেলেকঠিন পরিশ্রমে আল্লারদয়াতে সুখ শান্তি মিলে!

  • প্রাচীন কাল!

    অনেক দিন পূর্বে আজি হতেছিলনা সে কালে পর্যাপ্ত রাস্তাএবং ভাল বাহন তখনি মানুষচলাচল করতো কোনো মতে। ছিল দুর্বিষহ যন্ত্রণা কষ্টের যুগসে সময় যাতায়াত করে কতোহিমসিম খেতে হতো প্রয়োজনকর্মে লোক করেছে কষ্ট ভোগ। একদা ছুটছেই অবিরাম গতিডানে ও বায়ে না তাকিয়ে খুবপেরেশানিতে দ্রুত বেগে চলেযেনো ঠিক ছিল না তার মতি। মাঠ ঘাট পেরিয়ে যায় কতোআরো নদী…

  • টইটম্বুর

    বন্যায় কবলিত যারাতাদের জন্য আল্লারকাছে মুক্তি চাই আরসবাই যেন সাহায্যেরহস্ত বর্ধিত করি মোরা। নেমেছে বন্যার পানিকতো স্থানে টইটম্বুরকরেছিল সবে জানিবহু কষ্টে ফেলেছিলএখনো টানছে ঘানি। কতো তলিয়ে গেছেমূল্যবান জিনিসপত্রপোষা হাঁস মুরগী যাগরু ছাগল বহু কিছুআরো ভেসেই নিছে। খোদা রহিম রহমানআমরা সৃষ্টির সেরাজীব তাঁর সন্তোষ্টিরজন্যে বর্ধিত করেনমোদের মান সম্মান!

  • বিকশিত

    পিতৃহীন বা অভিভাবকহীন অসহায়শিশুরাই মূলত অনাথ ইয়াতিম শিশুজ্ঞানচক্ষু উন্মীলিত হওয়ার প্রাক্ষালেযারা পিতৃ স্নেহো হতে বঞ্চিত হয়েছেঅন্যের আদর ও যত্নো তাদের সহায়। অনাথ এতিমদের পুরো দায়িত্ব নিলেআর পরিশেষে তাদের প্রতি উদারতাদেখিয়ে আল্লাহর সন্তোষ্টি উপার্জনেরলক্ষ্যে দায়িত্ব পালন করে গেলে পরেইবাদতের মধ্যে শামিলের নেকি মিলে। ইয়াতিম মিসকিনদের প্রসঙ্গেই মিলেমহান আল্লাহর বাণী,” তুমি কি এমনলোক চিন যে দ্বীনকে অস্বীকার…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *