গুগল প্লে স্টোর থেকে আয় কিভাবে করবেন ? (step by step):

নিচে দেওয়া স্টেপ গুলি ফলো করে আপনারা google play store থেকে apps এর মাধ্যমে আয় করতে পারবেন।

০১. সবচে আগেই আপনার ভাবতে  হবে, app এর বিষয় নিয়ে। মানে, কোন subject বা topic নিয়ে app তৈরি করবেন, সেটা ঠিক করতে হবে।

০২. এখন আপনার তৈরি করতে হবে একটি android application.

এন্ড্রয়েড এপস তৈরি করার ফ্রি ওয়েবসাইট

০৩. app তৈরি করার পর, Google admob এ গিয়ে একটি account তৈরি করুন।

০৪. Account তৈরি করার পর, নিজের বানানো application এ admob দ্বারা বিজ্ঞাপন (Ads) লাগাতে হবে।

০৫. এবার নিজের app টি, গুগল প্লে স্টোরে publish করতে হবে।

০৬. মনে রাখবেন, যে কোনো app, প্লে স্টোরে publish করার আগে আপনার “Google play console” এ একাউন্ট তৈরি করতে হবে।

এবং, Sign up করার জন্য, আপনার $25 টাকা, registration fee হিসেবে গুগলকে দিতে হবে।

০৭. এবার, social media marketing, digital marketing বা online advertisement এর দ্বারা প্লে স্টোরে ছাড়া app টির promotion করুন।

০৮. মনে রাখবেন, যত বেশি লোকেরা আপনার apps নিজেদের মোবাইলে ইনস্টল করবেন, ততটাই বেশি সম্ভাবনা থাকবে app এর দ্বারা বিজ্ঞাপন দেখানোর।

০৯. যত বেশি লোকেরা আপনার বিজ্ঞাপন দেখবেন, ততটাই বেশি ইনকাম আপনার হবে।

১০. তাহলে, এভাবেই আপনারা গুগল প্লে স্টোর থেকে অনলাইন টাকা আয় করতে পারবেন।

০৪. Google Opinion Reward:

ঘরে বসে গুগল থেকে টাকা আয় করার এটা একটি সোজা এবং সহজ উপায়। Google Opinion Reward হলো Google-এর একটি পরিষেবা যেখানে সার্ভে সম্পূর্ণ করার মাধ্যমে আপনি ইনকাম করার সুযোগ পাবেন।

মানে, এখানে আপনাকে নিয়মিত নানান কোম্পানি, পণ্য, পরিষেবা ইত্যাদির সাথে জড়িত কিছু paid survey গুলো প্রদান করা হয়।

ব্যাস, আপনাকে কেবল সেই সার্ভে গুলোর মাধ্যমে নিজের মতামত, পরামর্শ এবং অভিজ্ঞতা গুলো গুগলের সাথে শেয়ার করতে হবে।

এটা Survey junkie এবং Swagbucks-এর মতো অন্যান্য online paid survey sites গুলোর মতোই কাজ করে থাকে।

প্রত্যেক সার্ভে সম্পূর্ণ করার জন্য আপনাকে কত টাকা দেওয়া হবে।

এটা সম্পূর্ণভাবে নির্ভর করবে survey-তে যুক্ত থাকা টোটাল প্রশ্নের সংখ্যার ওপর এবং সার্ভেটি সম্পূর্ণ করতে কত সময় লাগবে সেটার ওপর ।

কিভাবে ব্যবহার করবেন ওপিনিয়ন রিওয়ার্ড?

০১. Google Play Store-এ গিয়ে Google Opinion Reward App-টি Download করুন।

০২. নিজের মোবাইলে app-টি ওপেন করুন এবং Google account দ্বারা login করুন।

০৩. দিয়ে দেওয়া সার্ভে গুলোতে ক্লিক করুন এবং সেগুলোকে সম্পূর্ণ করুন।

০৪. ইনকাম করা টাকা গুলো বিভিন্ন মাধ্যমে রিডিম করে নিতে পারবেন।

ডাউনলড Google Opinion Reward

০৫. Google AdSense

Google AdSense হলো গুগল দ্বারা পরিচালিত একটি প্রোগ্রাম যেটা ব্যবহার করে বিশ্বজুড়ে প্রচুর লোকেরা লক্ষ লক্ষ টাকা ইনকাম করতে পারছেন।

সোজা ভাবে বললে, আমার হিসেবে গুগল এডসেন্স হলো গুগল থেকে টাকা আয় করার সব থেকে কার্যকর ও সুবিধাজনক একটি উপায়।

Google AdSense-এর ব্যবহার করে নানান content website publishers-রা তাদের ওয়েবসাইটে নানান টার্গেটেড টেক্সট, ভিডিও, ইমেজ এবং ইন্টারেক্টিভ মিডিয়া বিজ্ঞাপন গুলো দেখিয়ে থাকে।

বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এই বিজ্ঞাপন গুলো ওয়েবসাইটে প্রবেশ করা ইউসারদের ইন্টারেস্ট গুলোকে টার্গেট করেই দেখানো হয়।

এই প্লাটফর্ম ব্যবহার করার মাধ্যমে যে কেউ নিজের ওয়েবসাইট বা ব্লগ গুলোতে বিজ্ঞাপন দেখিয়ে টাকা ইনকাম করার ক্ষেত্রে গুগলের কাছে এপ্লাই করতে পারেন।

Google দ্বারা এপ্রুভাল পাওয়ার পর আপনার ওয়েবসাইট বা ব্লগ গুলোতে গুগল দ্বারা বিজ্ঞাপন দেখানো হবে এবং সেই বিজ্ঞাপন গুলোতে করা প্রতিটি ক্লিক এর জন্য আপনাকে কিছু টাকা দেওয়া হবে।

০১. গুগল থেকে টাকা আয় করার সেরা উপায় কোনটি?

আমার হিসেবে গুগল থেকে আয় করার সব থেকে সেরা ও কার্যকর উপায় গুলো হলো, AdSense বিজ্ঞাপন, YouTube channel এবং Google Play Store।

০২. Google থেকে income করতে কত সময় লাগবে?

এটা সম্পূর্ণ ভাবে ২টি বিষয়ের ওপর নির্ভর করছে। আপনি কোন উপায়টি ব্যবহার করছেন এবং নিজের কাজে কতটা সময় দিচ্ছেন।

যদি আপনি YouTube বা blogging নিয়ে কাজ করেন , তাহলে সঠিক ভাবে কাজ করলে ১ থেকে ১.৫ বছরের মধ্যে কিছুটা ইনকাম দেখতে পাবেন।

০৩. অনলাইনে গুগল থেকে কত টাকা ইনকাম করা যাবে?

এটা সম্পূর্ণ ভাবে আপনার কাজের পরিমান এবং কোন কাজটি করছেন সেটার ওপর নির্ভর করছে।

তবে, এমন হাজার হাজার bloggers, app developers এবং YouTubers-রা রয়েছেন যারা ঘরে বসে গুগল থেকে প্রতিমাসে কমেও ২০ হাজার থেকে ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ইনকাম করছেন।

আমাদের শেষ কথা,

তাহলে বন্ধুরা, এই আর্টিকেলে আমি আপনাদের এমন কয়েকটি উপায় বললাম, যেগুলি ব্যবহার করে “Google থেকে অনলাইন ইনকাম” (Earn Money From Google) করা যেতে পারে।

গুগল থেকে কিভাবে টাকা ইনকাম করা যায়? যদি আপনারা এই বিষয়টি নিয়ে সম্পূর্ণ বিস্তারিত জেনে নিতে চান, তাহলে ওপরে সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি স্পষ্ট ও ভালো করে পড়লেই সবটা বুঝে নিতে পারবেন।

আপনি, ওপরে বলা উপায় গুলির মধ্যে যেটা আপনার পছন্দ, সেটা ব্যবহার করতে পারবেন।

আমি আশা করছি, আজকের এই আর্টিকেলটি আপনাদের অনেক পছন্দ হয়েছে, এবং আপনারা নতুন কিছু শিখতে পেরেছেন।

Similar Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *