জীবন সায়াহ্নে !

কতো ছিলো শক্তিশালী বীর
যাদের গায়ের জোর ঐশ্বর্যে
ঘর বাড়ি পাড়া পড়শী আর
সমাজের অধিক মানুষ যত
অত্যাচারে থাকতো অস্থির!

তর্জন গর্জনের কি যেন সুর
কাজে অকাজে কোন কারণ
ব্যতীত কতো সময় অসময়ে
যথায় তথায় সুশীল সমাজে
চলতো ওদের যত গণ্ডগোল!

খাম খেয়ালী ইচ্ছেমতো চলা
মানুষকে অত্যাচার কখনোই
এত অধিক করতো যে সন্ত্রস্ত
হয়ে ওদের আক্রমণের জন্য
অনেকের বন্ধ হত কথা বলা!

অবশেষে সব কিছু চলে যায়
গায়ের জোর সহায় সম্পদের
যতো বড়াই পর্যায়ক্রমে লোপ
পেয়ে ওদের জীবন সায়াহ্নেই
পরে কোনো উপায় নাহি পায়!

Similar Posts

  • কর্তব্যনিষ্ঠ

    আল্লাহ তায়ালার বান্দা মোরাআদর সোহাগ দিয়ে সকলকেসৃষ্টি করেছেন পৃথিবীর সেরা। আশরাফুল মাখলুকাত যতোস্রষ্টার শুকরিয়া আদায় আরকর্তব্য নিষ্ঠায় থাকবো রতো। সৃষ্টি কর্তা অসংখ্য মেহেরবানমোদের কল্যাণে যত অবদানদিন রজনী তাঁর গাই গুনগান! ধরণীতে বিরাজমান যত মানুষউন্নয়ন ও উন্নতির লক্ষ্যে সবাইচলতে হবে করে বুদ্ধি আর হুশ ! সৃজন করছেন এবাদতের জন্যপরম সৃষ্টিকর্তা আল্লার সন্তোষ্টিঅর্জন করে মোরা হয়ে যাব…

  • মুক্তি পাবো সবে

    প্রত্যুষে পাখিদের কলরোল শুনিআমরা আশরাফুল মাখলুকাতইআল্লাহ তায়ালা ও তাঁর রাসুলেরপ্রদর্শিত পথেই চলার রাস্তা গনি। পাখিরা একই সময়ে করে গুঞ্জনভোর হলেই তারা দলে দলে গাছহতে গাছে ডাল থেকে ডালে ফুলহতে ফুলে উড়ে করে কত কূজন। খাদ্য সংগ্রহে তারা দিনেই রয় ব্যস্তকীটপতঙ্গ ও পোকামাকড় ফুলেররেনু খায় মনের সুখে যত গান গায়তাদের জীবন তো অনেক সুবিন্যস্ত! কতো যে…

  • বিদ্যুতের রুটিন

    বিদ্যুতের প্রত্যেক দিনের খেলাযেহেতু নিয়মিতও চালাতে হবেসময়ে অসময়ে তা বন্ধ না করেএকটি রুটিন মতো সেরে নিবে। ফজরের নামাজ শেষ হয়ে গেলেপ্রত্যেক দিন নিয়মিত করে নিলেঅফিস – আদালত যত প্রতিষ্ঠানখোলার পূর্ব পর্যন্ত যেন বন্ধ চলে। যদি বিদ্যুৎ সেবা বন্ধ রাখতে হয়প্রতিদিন ভোরের নামাজের পরেনিয়মিত করে সকাল নয় টা তকবন্ধ রাখলে সমস্যা থাকবে দূরে। হয়তো বা আর…

  • পহেলা এপ্রিল

    এপ্রিল মাসের ১লা তারিখ দীর্ঘ দিন ধরেবিশ্বজুড়েই খৃস্টান মুসলমান অবলা নারীপুরুষ অবুঝ শিশু-কিশোর খুশিতে লড়ে। চঞ্চল তরুণ-তরুণী ও কর্মী আধা বয়সীকর্ম জীবন থেকে অবসরপ্রাপ্ত বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদল মত নির্বিশেষে ভোগ করে মধ্যবয়সী। সকল শ্রেণীর মানুষ খৃষ্টান কর্তৃক বোকাযায় বনে আর এক মহানন্দে কত উল্লাসেমেতে উঠে মুসলমানদের দেয় শত ধোকা! যেভাবে ঠিক সেই দিন ফার্ডিন্যান্ড রাজাতার স্ত্রী ইসাবেলা…

  • ক্ষুধায় কাতর !

    অনাথ হতভাগা একটি ছেলেজন্মের ছয় মাস আগেই তারবাবা আর পাঁচ বছরের শেষেমা পৃথিবী থেকে বিদায় নিলেআত্নীয়ের বাড়ীতে স্থান মিলে! অভাবে তাঁদেরও যত কষ্ট হতছেলেটি সকাল হলেই পাশেরএক মাঠে ছাগল চরাতে যেতবিকেলে বাড়ীতে ফিরার পরেহাত ও মুখ ধোয়ে সেরে নিতো! চিন্তার জগতে হারিয়ে যেতোকখনো ফুলের দ্রুত – বৃদ্ধি ওপ্রজাপতির ডানা -মেলা এসবভাবতে অবশেষে সারা দিনেরক্লান্তি ও…

  • কতো ব্যথা সয় !

    সন্তান যখনি বাড়ি থেকে বের হয়তার বিরহ ব্যথা যতো মাতায় সয়! রাস্তায় চলতে চলতে এগিয়ে যায়অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে রয় মায়! কতো অশান্তিতে যেন মাকে পায়পেট ভরে খানা খাদ্যও নাহি খায়! আরাধনা উপাসনায় লেগে থাকেঅনুনয় বিনয়ে আল্লাহকে ডাকে! সুখ শান্তিতে যেন থাকে বাছাধনতাসবীহ তাহলীল করে দিয়ে মন! সন্তানের বালা মুসিবত দূরে নাওতার অন্তরে যতো সুখ শান্তি…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *