দু:খ বেদনা

কেউ রোদন করেনা যদি না কখন
তাকে বিশ্বাস না করে তয় নিশ্চিত
জানো যে পৃথিবীর সুখ করে নাহি
ভোগ সবার মধ্যে সে অধম তখন।

পরের সুখ কখনো সহ্য হয় না তার
হতে পারে এমন কোনো আত্মচিত্ত
বিজয়ী মহাত্মা বিনা বাষ্পমোচনেই
গুরুতর মনঃপীড়া সহ্য করেন যার।

কস্মিনকালে তিনি না করেন সিক্ত
একবিন্দু অশ্রুজলে পৃথিবী কখনো
বিরলে তবে তিনি চিত্তজয়ী মহাত্মা
হলে হতে পারে কভু নয় অতিরিক্ত।

বেদনার অশ্রুও যাহা ঝরায় লোকে
তোমার মমতা কতো শতো মুল্যবান
মনি মুক্তা আরো রতন তাহা অনেক
মানুষের অশ্রু ভাবে ভুলেরই ঝোঁকে।

Similar Posts

  • বিজয় উৎসব

    খুব ভোরে উঠে প্রস্তুতি নিয়ে বের হয়ে চলেচলার পথে কতো বন্ধু বান্ধব পরিচিত আরঅপিরিচিত অনেকের সাথেই সাক্ষাৎ মিলে। বিজয় দিবসের অনুষ্ঠান সম্পাদনের লক্ষ্যেছোট বড় আবাল বৃদ্ধ বনিতা সবাই খুশিতেসাজ সজ্জায় সজ্জিত হয় দেখা যায় সচক্ষে। সৃষ্টি হয় এক মনোরম আনন্দ ঘন পরিবেশপ্রতিটি জনগণের একমাত্র লক্ষ্য শুধু সবাইগন্তব্যে পৌঁছে অনুষ্ঠানের যা করবে উন্মেষ। শীতের প্রচুর ঠান্ডা…

  • ভাঙা আয়না !

    বড় আম গাছের বুকে দুটো পেরেক গাঁথাভাঙা আয়নাটি টানানো হয়েছে পেরেকেসুতো বেঁধে যা তার বিপরীতে ছিল পাতা। একটি কাঠের চেয়ারের উপর ব্যক্তি বসেআয়নায় তাকানো আর এক তরুণ হাতেচিরুনী আর কেঁচি নিয়ে চুল কাটছে ঠেসে। এক সময় গ্রাম-গঞ্জের সাধারণ চিত্র ছিলআধুনিক যুগের জেন্টস পার্লারের দাপটেখোলা আকাশের নিচের ঐসব চলে গেল! ক্ষৌর কর্মের এ দৃশ্য অনেক বিরল…

  • সৃষ্টির সেরা

    আমরা মানব জাতি সৃষ্টির সেরা,চলার পথে আঘাত দিবনা মোরা।যদি কারে দেয় কেউ দিতে পারে ,শক্তি তার চীর দিন থাকবে নারে।যে ভাবেই যাহাকে কষ্ট দেয়া হয় ,তার মনে সে দু:খ লুকিয়ে যে রয়।সুযোগের সন্ধানে প্রতীক্ষায় থাকে,প্রতিকার ঘঠাবে কোন এক ফাঁকে।আশরাফুল মাখলুকাত যত ধরায়,হানাহানিতে যেন কেউ না গড়ায়।মুসলিম সকলই যেন, মোরা ভাই ভাই,দুনিয়া ও আখিরাতে, শান্তি যেন…

  • উপাসনা

      বিশ্বের সর্বত্রই ছড়িয়ে ছিটিয়ে মানুষ তাঁদের চলা ফেরায় থাকতে হবে হুশ! মানুষ আল্লাহ ও রাসুলের পথে চলে   শয়তান বিপরীত পথেই চলতে বলে।  ইমান আমল আখলাক সঠিক রেখে  কল্যাণের পথে চললে সে যায় বেকে! ওরা চায় নেককারদের কুপথে নিতে  পথ ভ্রষ্ট করে ও চায় জাহান্নামে দিতে! পরহেজগার আমলদার রয়েছে যারা কুমন্ত্রণা থেকে রেহাই পেতে চায়…

  • কাঁদালে

    খুশিতে ভাসালে ও একটু কাঁদালেসে আলোয় হাসালে বহু দিন পরেবাজিয়ে বাঁশি কোন স্নেহে বাঁধালে। জ্যোৎস্না হয়ে তুমি দাওনা যে ধরাবাঁচবেনা কোন দিন তোমায় ছাড়াকতো যেনো যন্ত্রণাতেও যায় মারা। রাতের যত মনোরম চাঁদের আলোসে স্তব্ধ সময়ের প্রকৃতিতে তেমনইতোমার কথা লাগে অত্যন্ত ভালো। তারার সকাশে তুমি যে চাঁদ অনন্যারাতের আকাশে আলোতে তোমারআঁধার আলোকিত চারদিকে বন্যা। হাসালে আলোয়…

  • আত্মীয়-স্বজন

    আদর ও আহ্লাদের মেহমান,অধীর আগ্রহে সব মেজবান। রং বেরংগের করে যে সাজ,পোশাকেও নেই কোন ভাজ। আছে সাথে কত উন্নত গাড়ি, আনন্দে যাবে অতিথির বাড়ি। প্রসাধনীর কত বাহারি সুগন্ধ,সকলের অন্তরে বেশ আনন্দ।আগতদের অভ্যর্থনার পালা,দাঁড়িয়ে রয়েছেন নিয়ে মালা।টেবিলে হরেক রকম খাবার, পানীয় দ্রব্য ফল মূল আবার।  খুশিতে যে শেরে ভূরিভোজনএকে অপরের আত্মীয়-স্বজন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *