দৃষ্টান্ত সৃষ্টি

আমাদের জীবনে অগ্রসর হওয়া
যার প্রধান কথাটি হল জীবনের
পেছনের প্রতি না তাকিয়ে আরো
সামনের দিকেতেই এগিয়ে নেয়া।

জীবনে কতো পিছিয়ে পড়তে রয়
শুধু মাত্র পেছনে তাকিয়ে থাকলে
বা এক জায়গাতেই থেমে থাকলে
কোনোদিন কারোও উন্নতি না হয়।

প্রত্যেকের জীবনটা গল্প হয়ে ওঠে
যেন সাফল্যের উচ্চ শিখরে পৌঁছে
গিয়ে দৃষ্টান্ত সৃষ্টি করে জীবনে যত
উন্নয়ন আরো অসংখ্য উন্নতি ঘটে।

শিশু যুবক আর যতো নওজোয়ান
সময়ের কাজ সময় মতো সম্পাদন
করে সম্মিলিতভাবে সমৃদ্ধি আরো
উন্নতির লক্ষ্যে সব হও আগোয়ান!

Similar Posts

  • হিংস্রের ঐক্য

    হিংস্র প্রাণীদের মধ্যে কতোসহ মর্মিতা সহানুভূতিসুলভসুন্দর বুদ্ধিমত্তার আচরণওদেখা মিলে ঐক্যবদ্ধ থেকেঘুরা ফেরা করে ইচ্ছে মতো। কতো যে নিকৃষ্ট জীব তারাযদি কখনো মোদের খাবারদাবারেও স্পর্শ করে ফেলেতবে সে খাদ্য দ্রব্য সকলেরতরে নাপাক হয়ে যায় সারা। তারা যদিও হয় কুকুর দলতাদের মালিকের কোনোওবিপদ আসতে দেখলে তয়ঘেউঘেউ শব্দে সতর্ক করেচোখেতে জারী থাকে জল। অনেকে কিন্তু পোষে থাকেকতো আদর…

  • চলো নিরবধি

    সময়ের মূল্য দিতে যারাই করেছেন কষ্টতাঁরা জীবনভর রয়েছেন যতো সন্তোষ্ট। জগতে যতো ছিলেন মনিষী বা গুণী জনসময়ের মর্যাদায় সম্মান করেছেন অর্জন। সময়ের গুরুত্ব ছাড়া কেউ হবে না সফলঅলসতায় তার জীবন হয়ে যাবে বিফল। কেহ যদিচ একজন ভালো ছাত্র হতে চায়মূহুর্তের মূল্যায়নে যেন সময় চালিয়ে যায়। যে কোন ক্ষেত্রে সফল হতে কেউ চাও যদিএর সঠিক মূল্য…

  • অশ্রু সিক্ত

    কত কি আর বলিরাস্তায় তখন চলি।লোকে লোকারণ্যআওয়াজ অনন্য!দেখি একটি লোকতার অনেক দুঃখ!বলে আরও কাঁদেপড়েছিল সে ফাঁদে!যখন ছিল দাঁড়িয়েটাকা নিল কাড়িয়ে।সে তখন বাদ সাধেঝামেলা কত বাধে!ওরা তাকে যে ধরেসবাই অধিক মারে।সে করল টানাটানিসকলে গেল জানি।জনগন দৌড়ে যায়ওদেরকে নাহি পায়।মাটিতে তখন পড়েচোখের পানি ঝরে!সকলে শান্তনা দেয়তুলে তার ঘরে নেয়।

  • কিংবদন্তি

    সে যে কেন বা চলে গেছেতার সাথে আর কে আছে ?অনেক ভীতু লোকই নবীনআজ তার সাথে নেই প্রবীণ!ওরা একই সাথে সর্বদা রয়আরো যা তাদের সাথী হয়।খেলার মাঠে একত্রেও যায়কত বন্ধুদেরই সেথায় পায়।হরেক রকমের খেলা খেলেকেউ ফুটবল মারে হেলেদুলে।এমন আকর্ষণীয় তারা খেলেযেন কিংবদন্তি প্রাক্তন পেলে!চমৎকার খেলায় আনাগোনাখেলবে যেন এখন মেরাডনা!সময় যত যেন গড়িয়েই যায়আকর্ষণ আরোও বৃদ্ধি…

  • দূর কর যত দু:খ !

    কতো মানুষ পথে – ঘাটে রয়অভাব-অনটন ক্লেশ দুর্ভোগনিপিড়ন নির্যাতন যতো সয়। তাদের নির্ধারিত আবাস নাইআরো চিন্তায় থাকে কোথায়খাবার জোগাড় করতে যাই। দিন রাত পেটের ধান্দা করেরাত পোহালে খাদ্য জোগাড়করতে হন্যে হয়ে তারা ঘুরে। শতো পেরেশানিতে ঘাম ঝরেকোন দিন কাজের বিনিময়েআয় করে সদায় নিয়ে ফিরে। আল্লাহ পাক প্রদান করেন সুখতাঁর অসীম দয়ার ফলে যেনোতাদের দূর করে…

  • ভয়ংকর সময়

    আমাদের অলক্ষ্যেই পরিবর্তিত হয়ে গেছেদ্রুত চারদিকের সবকিছু ই সেদিক আমরাএখনোও খুব একটা বুঝে উঠতে পারছি নাকত দ্রুত এক একটা ইস্যু আসছে তা নিয়েমাঠ গরম হচ্ছে পরে নতুন কত ইস্যু নিচ্ছে। মতলবি কারবারে মানুষকে ভোলানো হচ্ছেকখনো সরল কোন ঘটনাকে আখ্যা দেওয়াহচ্ছে মতলবি কারবার বলেই মূলত: সময়টাযে আমরা পার করছি তা প্রচণ্ড অস্থির একসময় রাজনীতিটাও এখন বেহাতে…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *