পাগলের খেলা

একদিন দুপুর বেলা
দেখি পাগলের খেলা।
পাথরে পাথরে ঘষে
দৌড়ে লাফায় বসে।
কখনো হয় বিভোর
পাশে কয়েক কুকুর।
পাগলা কি যেন খায়
কুকুর ভিড় জমায়।
ওদেরকে কত দেয়
নিজের মুখেও নেয়।
ছিড়া ব্যাগ যত ঝাড়ে
ওরা লেজ তত নাড়ে।
কুকুরগুলো এত ভক্ত
তাদের চোখ ও শিক্ত।
লাঠিটি হাতে উঠায়
কুকুর লেজ গুটায়।
খাবার লয় কুড়িয়ে
কুকুর দেয় তাড়িয়ে।
এভাবেই চলতে রয়
ওরা তার তাড়া শয়।
সে কাছে নেয় ডেকে
আসে যে ওরা হেঁকে।
কখনো কুলে তুলে
মাথায় হাত ও বুলে।

Similar Posts

  • আখেরাতে শান্তি !

    স্রষ্টার অসীম করুণার ফলেআশরাফুল মাখলুকাত যতসকল আরাম আয়েশে চলে! কতো দয়াবান মোদের তরেতাঁর অনুগ্রহে আমরা সকলসুখ শান্তি থাকি জীবন ভরে! সৃষ্টি করছেন ইবাদতের দায়উপাসনা আরাধনাতে যেনোসকলের জীবনটি সুখে যায়! ওলী নবী ও আউলিয়া যতোআল্লাহর রাস্তায় চলার জন্যেমেহেরবানী করেছেন কতো ! সরল সঠিক সহজ পথে চলিনিয়মিত ইবাদত বন্দেগী করিআখেরাতে শান্তি যাবে মিলি !

  • হিংস্র প্রজাতি

    তোমাকে বারণ করেছিনু কতোকখনো একা তুমি যেওনা সেথাযেথায় রয়েছে অধিক ভয়ংকরআরোও আছে জীব জন্তু যতো। বন জংগল পাহাড় পর্বতে ঘেরাসেথা লুকায়িত রয়েছে অসংখ্যঅগনিত হিংস্র জীব জন্তুও ভরাএসব স্থানে বসবাস করে তারা। ঐ লোকটি কতোই নাছুড় বান্দাকাহারো কোন উপদেশ বাণী নাশুনে বন জংগল আর পাহাড়েরপাদদেশে শিকারের ছিল ধান্দা। একদিন সাত সকালে গাছে উঠেপাখির বাসা হতে ছানাদের…

  • আনন্দ অসীম

    শীতের সকালে বাসা থেকে আমরা বের হইজামা কাপড় সুয়েটার জাম্পার সব যত লই।গাড়ি যোগে যাত্রা আরম্ভ একত্রে সবাই করিদোয়া পড়ে দূরের পথ চলি আল্লাহকে স্মরি।গ্রামের বাড়ির রাস্তায় সকল দিলাম রওয়ানাঅনেক পরে যাচ্ছি বলে ফুর্তির নেই সীমানা।নাতনি দুটি হাসি খুশি আরো শত আনন্দময়গাড়ি দ্রুত বেগে গন্তব্যের দিকে চলতেই রয়।নদী নালা পুকুর মাঠ ঘাট চলা চলের পথেআরো…

  • দৃষ্টান্ত সৃষ্টি

    আমাদের জীবনে অগ্রসর হওয়াযার প্রধান কথাটি হল জীবনেরপেছনের প্রতি না তাকিয়ে আরোসামনের দিকেতেই এগিয়ে নেয়া। জীবনে কতো পিছিয়ে পড়তে রয়শুধু মাত্র পেছনে তাকিয়ে থাকলেবা এক জায়গাতেই থেমে থাকলেকোনোদিন কারোও উন্নতি না হয়। প্রত্যেকের জীবনটা গল্প হয়ে ওঠেযেন সাফল্যের উচ্চ শিখরে পৌঁছেগিয়ে দৃষ্টান্ত সৃষ্টি করে জীবনে যতউন্নয়ন আরো অসংখ্য উন্নতি ঘটে। শিশু যুবক আর যতো নওজোয়ানসময়ের কাজ…

  • টইটম্বুর

    বন্যায় কবলিত যারাতাদের জন্য আল্লারকাছে মুক্তি চাই আরসবাই যেন সাহায্যেরহস্ত বর্ধিত করি মোরা। নেমেছে বন্যার পানিকতো স্থানে টইটম্বুরকরেছিল সবে জানিবহু কষ্টে ফেলেছিলএখনো টানছে ঘানি। কতো তলিয়ে গেছেমূল্যবান জিনিসপত্রপোষা হাঁস মুরগী যাগরু ছাগল বহু কিছুআরো ভেসেই নিছে। খোদা রহিম রহমানআমরা সৃষ্টির সেরাজীব তাঁর সন্তোষ্টিরজন্যে বর্ধিত করেনমোদের মান সম্মান!

  • ভাঙা আয়না !

    বড় আম গাছের বুকে দুটো পেরেক গাঁথাভাঙা আয়নাটি টানানো হয়েছে পেরেকেসুতো বেঁধে যা তার বিপরীতে ছিল পাতা। একটি কাঠের চেয়ারের উপর ব্যক্তি বসেআয়নায় তাকানো আর এক তরুণ হাতেচিরুনী আর কেঁচি নিয়ে চুল কাটছে ঠেসে। এক সময় গ্রাম-গঞ্জের সাধারণ চিত্র ছিলআধুনিক যুগের জেন্টস পার্লারের দাপটেখোলা আকাশের নিচের ঐসব চলে গেল! ক্ষৌর কর্মের এ দৃশ্য অনেক বিরল…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *