বাতাসের পরশ !
মনোমুগ্ধকর দুপুর আজ কত স্নিগ্ধ
জানালার পাশেতে দাড়িয়ে বাইরের
পরিবেশ ভোগ করে হলাম যত মুগ্ধ!
বন্ধু হাত দুটিও দিয়েছিলো বাড়িয়ে
মেঘলা আকাশের দিকে ই তাকিয়ে
আনন্দঘন মুহূর্ত যায়নি সে ছাড়িয়ে!
বৃষ্টির ফোঁটা পড়েছিল তার দু’ হাতে
টিপটিপ করেই আমিও এসেছিলাম
ভিজবো বলে ঐ বৃষ্টিতে এক সাথে!
যদিও বা স্নিগ্ধ শীতের চাদর হতাম
আমার স্নেহাস্পদ মানুষটাকেই সব
সময় বুকের মধ্যে জড়িয়ে রাখতাম!
যদি খা খা রোদ্দুরের বাতাস হতাম
তাহলেও আমার আন্তরিক বন্ধুকে
সারাক্ষণও বাতাসের পরশ দিতাম!
বসন্তের কোকিল হতে যদি পারতাম
সুললিত কন্ঠেতে দীর্ঘক্ষণ অনবরত
গান শুনাবার শতো চেষ্টায় থাকতাম!