বার্ধক্যের ছাপ

পৃথিবীতে কোনো মানুষেরই
বয়স হয়ে যায় চল্লিশ যখন
সত্তর হলে সব কিছু অতীত
বার্ধক্যের প্রতীক পড়ে তখন।

মনে হবে বয়সে আসলে যেন
শরীরে কাহারো সুস্থতা থাকে
সংখ্যা মাত্র বেড়ে গেলে ক্রমে
বিশেষ সমস্যা হবে না ফাঁকে।

কে কত দিন থাকবে জগতে
কেউ কখনোই জানতো যদি
তাহলে সবে নিজের ভালোটি
পরিচর্যা করে যেতো নিরবধি।

একাকীত্বের সময়টা ভোগার
নিমজ্জিত হয়ে হতাশার গাঙে
বার্ধক্য যেনো আজন্ম লালিত
বিশ্বাসে বার্ধ্যক্য পৌঁছে তুংগে।

Similar Posts

  • বেয়াড়া ছেলে !

    এক ছেলে খুব বেয়াড়া ছিলোতার মা বাবাকে খোদা তায়ালাঅনেক উপাসনায় তারে দিলো! ছেলেটির ছিলনা বোন বা ভাইধরণীতে সুখ দু:খের অংশীদারপিতা মাতা ব্যতীত কেহই নাই! ছোট বেলা হতে অনেক ত্যাগীসামান্য কিছুতে সে রেগে বেগেঅগ্নি সদৃশ হতো ছিল যা রাগী! ছুটছে তো ছুটছে কতো বেগেকিছু মুখে না দিয়ে সংগ পেয়েচলে যাচ্ছে সবার আগে বাগে! তার মা পিছু…

  • জীবন সায়াহ্নে !

    কতো ছিলো শক্তিশালী বীরযাদের গায়ের জোর ঐশ্বর্যেঘর বাড়ি পাড়া পড়শী আরসমাজের অধিক মানুষ যতঅত্যাচারে থাকতো অস্থির! তর্জন গর্জনের কি যেন সুরকাজে অকাজে কোন কারণব্যতীত কতো সময় অসময়েযথায় তথায় সুশীল সমাজেচলতো ওদের যত গণ্ডগোল! খাম খেয়ালী ইচ্ছেমতো চলামানুষকে অত্যাচার কখনোইএত অধিক করতো যে সন্ত্রস্তহয়ে ওদের আক্রমণের জন্যঅনেকের বন্ধ হত কথা বলা! অবশেষে সব কিছু চলে যায়গায়ের…

  • ঠেলার নাম বাবাজি

    আঞ্চলিক  ভাষায় ছোট  একটি  কথা,  প্রায়শঃই শুনতে পাওয়া যায় যথাতথা। বিপদে পড়লে বিড়াল উঠে যায় গাছে ,  তাড়া করে যদি কেহ থাকে সেই পাছে। বিপদের সময়  কতটা হয় যে অসহায় ,  উদ্ধার করতে আসলে পায় যেন সহায়। সে বোঝে কত ধানে  তার কত হয় চাল, নিস্কৃতি না পেলে যত খারাপ যে হয় হাল। একদা একজন…

  • মহাপ্রলয়

    মুসলমানদের অবস্থান ক্রমে হচ্ছে অবনতিআমল আখলাক ঠিক রেখে করো উন্নতি। একের পর এক মুখাে মুখি হচ্ছে বিপর্যয়আল্লাহর মেহেরবানিতে করতে হবে জয়। এজন্য মুসলিম গবেষক ও সাধারণ মানুষপ্রতিকূল অবস্থা থেকে মুক্তির করো হুঁশ। তাই আচমকা শুনবেন সকলে কখনােইইমাম মাহদীর আবির্ভাব হয়েছে তখনই। আবার ইহুদি খ্রিস্টানদের বিরুদ্ধে বিশ্বযুদ্ধএসে পড়েছে অতি সন্নিকটে যেন ঘটিতব্য। কখনাে যেন কেয়ামতের আলামত…

  • কতো স্বার্থপর

    সত্যবাদী লোক কয়জন আছেস্বার্থ ছাড়া কথা বলে না ধরণীরবুকে অনেকে বাস করে কেবলউপার্জন করতে কথা বলে মিছে। এ জগতে মানুষ কতো স্বার্থপরসকাল দুপুর সন্ধ্যা বিকেল আররাত সর্বদা স্বার্থ শিদ্ধির ধান্দাতেরয় মৃত্যুর জন্য তাদের নেই ডর। মানুষ মানুষের জন্যে সবাই জানেকথাটি এ ধরণীর কয় জনে মানেতদুপরি স্ব স্ব গতিতে পরের হিতেকাজ করে যেতে হবে মনে প্রাণে।…

  • আফসোস

    ভবিষ্যতে পৌছার হলো গতিঘন্টায় ষাট মিনিট কেহ কারআগে বা পরে যাবে না কিন্তুসেথা পৌঁছে কি যে হবে মতি। অনেকে হয়তো থাকবে ভালঅথবা খারাপ যেভাবে ইহারগতিটিকে ব্যবহার করে যাবেতাই সময়ের মূল্যায়নে চলো। সমস্যার অভিযোগ রয় বেশিঅধিকাংশ মানুষ অবহেলাতেসময় নষ্ট করে আরো পরে সেতার ভাগ্যকে করে নেয় দোষী। আফসোস করো না ভুল নিয়েকোনো অতীতের কেননা আরতা ফিরে আসবেনা…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *