বোকার স্বর্গ

ধোঁকা দেয়ার প্রবণতা মানুষের মাঝে
সেই আগেকাল হতে বিদ্যমান রয়েছে
কোন সুনির্দিষ্ট অর্থ ছাড়া কেহো কেহ
আমাদের সমাজে ধোঁকাবাজ সাজে।

পৃথিবীর বুকে দুই শ্রেণীর মানুষ আছে
নশ্বর জগতের আবহমান কাল থেকে
বিরাজমান একদল ধোঁকা দেয় বাকী
যত ধোঁকা প্রাপ্ত হয় আনাচে কানাচে।

যখনই দেখবেন টালবাহানা শুরু করে
দিয়েছে আপনার আশপাশের কোনো
লোক তখনই ধরে নিবেন অতি শীঘ্রই
ধোঁকার আশ্রয় নিতে যাচ্ছে এর পরে।

কখনো ধোঁকা খাওয়ার পরই মনে হয়
কোনো এক স্বপ্ন থেকে নশ্বর পৃথিবীর
বুকে এসে ঝাঁপ দিলাম যেখানে পাথর
ব্যতীত কিছুই যেনো স্মরণ রাখার নয়।

ধোঁকা দিয়ে হয়তো ভাবে বিজয়ী যারা
আসলে বোকার স্বর্গে বাস করে যাচ্ছে
কারণ তার প্রতিদান যেমন করে হউক
উপযুক্ত সময়ে ফেরত পেয়ে যায় তারা।

Similar Posts

  • রৌদ্র ছায়ার চিত্র

    হাজারো রঙ এক রঙে বাস করেহালকা গাঢ় মধ্যম স্বচ্ছ চকমকেঝলমলে আলোকোজ্জ্বল রেশমীসুরমাই নেকাব ঢাকা মিশেল ধরে। কানামাছি খেলা রৌদ্রছায়ার চিত্রঅনন্য হয়েই উড়তে থাকা অথবাজাহাজের গম্ভীর যেন নোঙর যারওপর দিয়ে ঢেউ বয়ে যায় বিচিত্র। তারপরও যার ওপর শান্তির ছায়াছেয়ে থাকে তার তলদেশে পাহাড়ীঝর্ণার গতি চঞ্চলতা অনুসন্ধানেরজ্বলন্ত শিখা কামনার উন্মত্ত মায়া। অসংখ্য তরঙ্গ ভিন্ন রকম ছোট বড়যখন…

  • জুটে অর্ধচন্দ্র

    কতো পুরানো দিনের কথাদশ বছরের একটি ছেলেস্বপ্ন ছিলো যার জাহাজেরনাবিক হয়ে দূর দূরান্তে সেআনন্দে ঘুরবেই যথাতথা ! তাকে বেশ কাছেই টানতোনীল জলোরাশি সমুদ্রেরওজন্মের পূর্বে তার বাবা আরমা দশ বছর বয়সেতে মারাগেলে চাচার কাছেই থাকত ! জুটেনি অর্ধচন্দ্র ব্যতীত যারবাবা জন্মের পূর্বেই আর মাদশ বছর বয়সে মারা গেলেতখন চাচার কাছেই আশ্রয়নিলে শতো কষ্ট ঘটলো তার !…

  • বেয়াড়া ছেলে !

    এক ছেলে খুব বেয়াড়া ছিলোতার মা বাবাকে খোদা তায়ালাঅনেক উপাসনায় তারে দিলো! ছেলেটির ছিলনা বোন বা ভাইধরণীতে সুখ দু:খের অংশীদারপিতা মাতা ব্যতীত কেহই নাই! ছোট বেলা হতে অনেক ত্যাগীসামান্য কিছুতে সে রেগে বেগেঅগ্নি সদৃশ হতো ছিল যা রাগী! ছুটছে তো ছুটছে কতো বেগেকিছু মুখে না দিয়ে সংগ পেয়েচলে যাচ্ছে সবার আগে বাগে! তার মা পিছু…

  • প্রেমময় খোদা

    সকাল থেকে বিকেল পর্যন্তনৌকা লঞ্চ জাহাজ স্টিমারসাইকেল রিকশা গাড়ী আরকত বাহনে যেখানে সেখানেভ্রমণ করে নাহি তার শুমার। কেউতো যাত্রা করে উপার্জনকরার জন্যে আর পড়াশোনাকরতে মসজিদ মাদ্রাসা স্কুলকলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে সবারধান্দায় যত করে আনাগোনা। কতো যে উদ্দেশ্য নিয়ে যায়ব্যবসায়ী যাহা ব্যবসায় পায়আর চাকুরীজিবী যত আছেবেতন লাভ করে থাকে যেনসবাই তারা ভাল খাদ্য খায়। দিন শেষ হলেই বাড়ি…

  • শিশির ঝরা

    আজ জেগে দেখি ঘুম থেকে শিশির ঝরা ঘাষেস্বপন আমার সারা রাতের মিঠেল রোদে হাসে। করতে খেলা আমার সহিত প্রভাত হাওয়া ভাইপাপড়ী নাড়ি সরষে ফুলের ডাকছে মোরে তাই। জেগেই দেখি ঘুম হতে আজ দাদু বসে আছেনথলে হাতে পিতাজী তো বাজার করতে গেছেন। কত সাধু বেশে সংখ্যা কারবারি এতে ভয়ের কিইহা নয় যে ক্যান্সার নয় সর্দি নয়…

  • অভাব অনটন

    দুঃখে ভরা জীবন যার কত অশান্তিঅন্তর মন জর্জরিত থাকে না শান্তি।দিন রজনী পার করে কাজের তরেঅভাব অনটনে তাদের জীবন ভরে।অনাহারে অর্ধাহারেও কত দিন যায়সামান্যও খানা খাদ্য কখনও না পায়।টাকা কড়ি দিলে তো হাত পেতে নেয়হৃদয়বান ব্যক্তি সবে যা সাহায্য দেয়।ঘুম থেকে উঠে সবে খুঁজে তারা রুজিপ্রতিক্ষায় রয় কাজ পায়নি তো খুঁজি।খারাপ হলেও শরীর যারা দিন…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *