ভাঙা আয়না !

বড় আম গাছের বুকে দুটো পেরেক গাঁথা
ভাঙা আয়নাটি টানানো হয়েছে পেরেকে
সুতো বেঁধে যা তার বিপরীতে ছিল পাতা।

একটি কাঠের চেয়ারের উপর ব্যক্তি বসে
আয়নায় তাকানো আর এক তরুণ হাতে
চিরুনী আর কেঁচি নিয়ে চুল কাটছে ঠেসে।

এক সময় গ্রাম-গঞ্জের সাধারণ চিত্র ছিল
আধুনিক যুগের জেন্টস পার্লারের দাপটে
খোলা আকাশের নিচের ঐসব চলে গেল!

ক্ষৌর কর্মের এ দৃশ্য অনেক বিরল এখন
খোলা আকাশের নিচে বসে এতো সুন্দর
চিত্র বিভিন্ন জংশনেই দেখা যেতো তখন!

তিন বেলা জুটত না ক্ষৌর কর্মীদের ভাত
অভাব অনটনে জীবিকার তাগিদের দায়
চুল কাটায় পারদর্শী থাকতো ওদের হাত!

Similar Posts

  • যৌতুক কলঙ্ক !

    বাংলাদেশের জন্যে যৌতুক প্রথাকলঙ্ক উপমহাদেশে শুরু থেকেইযৌতুকের প্রচলন ছিল যথাতথা। ভারত মহাদেশ হতে এর প্রচলনমূলত: বাংলাদেশে চলে আসছেএর বিরুদ্ধেও হচ্ছে আনদোলন। শারীরিক মানসিক নির্যাতন চলেপুরুষদের যৌতুকের দাবিতে এরফলে নারীদেরই শান্তি নাহি মিলে। মোটা অংকের টাকাও দাবি করেপুরুষরা বিবাহের পূর্বে আর পরেযা চলছে গ্রাম ও শহরাঞ্চল ধরে। যদিচো যৌতুক দিতে অক্ষম হয়নারী কিংবা নারীর পরিবার তবেঅমানবিক…

  • অবুঝ মন !

    সুবাসিত হাজারো ফুলেরি মালায়রেখেছি সাজিয়ে মোর অবুঝ মনকাছে আসো যদি তবে ই তোমারসাথে সাজাবো এক সুন্দর জীবন। আমাদের চোখ ভরা থাকবে স্বপ্নরইবে আরো যত বুক ভরা আশাতৈরী করবো তুমি এলে পৃথিবীরসেরা অকৃত্রিম একটি ভালবাসা। জীবনের জন্য আরো রঙিন স্বপ্নশিল্পীরও শতো কষ্টের রঙের ছবিচাঁদের আলো তুমি যেনো আমারসকাল বেলার আকাশেরও রবি। জলে ভরপুর গভীর নদীর মাঝেতুমিতো…

  • শিশু কাল

    শিশু কালেও ছিলো কতএখন তাদের নেই ততো।অনেকেও অন্য জেলায়আরোতো আছে হেলায়।দৌড় ঝাপও কোলাকুলিআরো চলতো গলাগলি।তাদের সাথে এসব ছিলপূর্বের এত যে কই গেল?শৈশব কৈশোর ও যৌবনতারা সকলই ছিল সুজন।একে অপরের ছিল সাথীআরোও চলত হাতাহাতি।স্কুলেরো প্রতিযোগী তারাপড়া লেখায় হতোই সেরা।ক্লাসের উপস্থিতি রীতিমতচলতো আরো কথা মতো।খেলা ধূলায় রইত জড়িতবন্ধুদের সাথে কত লড়িত।প্রতিযোগীতায় করত জয়উল্লাস আনন্দ আরো রয়।

  • যতো সদাশয় !

    হে খোদা তায়ালা কত দয়াময়তোমার অসীম করুণার ফলেপৃথিবীতে অবস্থানকারী সকলবেঁচে আছে তুমি যত সদাশয়! অপার মহিমায় রেখেছ খাবারধরণীতে আগমনের পূর্ব থেকেসুবিন্যস্ত সুন্দরভাবে যেন খিদেঅবস্থায় কেহো রয় না আবার! অনন্ত অসীম গুনের নেই শেষসর্বস্তরের জীবের জন্যে কতোসুবিধা প্রস্তুত ও সংস্থান করেছসকলে ভোগছে কতো যে বেশ! খোদা পাক দয়া করছেন কতোঅসংখ্য অগনিত দয়াবান তাঁরইকৃপার ফলে অফুরন্ত সুখ…

  • আরো চাই আরো চাই

    পৃথিবীতে হায়! কেহ শান্তি নাইযার আছে অঢেল সম্পদ আরটাকা পয়সা দালান অট্রালিকাযত বেশী তার আরো কত চাই। দোকান পাঠ বাজার যত হাটেব্যবসা বাণিজ্য করছে সকলেআরো শত চাকরি বাকরি করেজল স্থল নদী সমুদ্র খেয়া ঘাটে। সকলে শুধু যেন পাওয়ার দায়রাত পোহালেই সকাল সন্ধ্যায়কিভাবে কোথায় কেমনই করেসর্বক্ষণ রয় ধান্ধা কত যে পায়।

  • চড়াই উৎরাই

    কার কত আছে বল,সবই কিন্তু হবে তল।বাহাদুর এবং সবল,সকল ই হবে দুর্বল।বলিষ্ঠ নির্যাতন করে,ক্ষীণরা অবাধে মরে।স্থায়ী থাকেনা বড়াই,যত চড়াই ও উৎরাই।বাহাদূরী অহংকারী,সব হবে প্রলয়ঙ্কারী।শক্তি দাপট ও বল,হয়ে যাবে রসাতল।সময়ে সব হবে ধ্বংস,বিলুপ্ত হয়ে যাবে বংশ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *