লেলিহান শিখা !

ফজরের নামাজ সম্পন্ন হলে
কয়েকজন রাস্তাতে পায়চারি
করতে তখন তারা সব একত্র
হয়েই যাত্রা আরম্ভ করে চলে।

অদূরে দেখল জ্বলছে আগুন
বাড়ি ঘরের কতো লোক জন
আগুন নিভানোর জন্য আসে
তখন বেড়ে যায় প্রায় দ্বিগুণ।

সময় আরো যত এগিয়ে যায়
বাতাসের গতির তালে তালে
অগ্নির লেলিহান বেড়ে গেলে
উপস্থিত সবাই কত কষ্ট পায়।

পরে সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফলে
অত্যধিক পানি ছাড়ার জন্যে
আগুনের আধিক্য কমে থাকে
এতে সবার মনেই শান্তি মিলে।

সকলে শুকরিয়া আদায় করে
আল্লার সাহায্যে কঠিন বিপদ
থেকে রক্ষা পেয়ে সবাই মিলে
সৃষ্টি কর্তার নাম নেয় সুর ধরে!

Similar Posts

  • প্রস্ফুটিত

     মানুষের নেই কোনোই জ্ঞান এক আল্লাহর সাহায্য ছাড়া তারা যতই করুক যেন ধ্যান।  পবিত্র কুরআনের মাধ্যমেই যত টুকু তিনি জানিয়েছেনতাঁর স্নেহের সব আদমকেই। নিরানব্বইটি গুণবাচক নামএকাগ্র চিত্তে তা জপন করে ইমানদাররা সারতেছে কাম। যাদেত অন্তর হয় বিকশিত আমল ইমান টিক রেখে যদি করে কাজ জীবন প্রস্ফুটিত। সৃষ্টি কর্তা তাঁর ইবাদতের দায়এ ধরায় সব সৃজন করেছেন  আমলে যেন মানুষ শান্তি পায়।

  • অগ্নি শিখা

    শুষ্ক বালি ডাল – পালা ক্লান্ত চাতক মাখছে রোদতপ্ত বাতাস আগুন হাওয়া একটানা বিরক্তিবোধ। আগুনের শিখায় জ্বলে পুড়ে ছাই যখনি হয়ে যাইপ্রচুর বৃষ্টিতে শরীর ভিজিয়ে দিলে কত শান্তি পাই। উষ্ণতা যেনো বাসা বেঁধেছে সারাটা শরীর জুড়েভরা গ্রীষ্মে গলছি আমি প্রতিনিয়ত যাচ্ছি পুড়ে। তপ্ত গ্রীষ্মে কবিতাগুলোর হারিয়েছে যেনো সুরউষ্ণ বাতাস জানিয়ে গেলো বর্ষাটি অনেক দুর। গরম…

  • জন সংখ্যাই সব

    আল্লাহপাক বলেন সন্তানদেরকে করো না হত্যাদারিদ্রের কারণে বা ভয়ে আমি তোমাদেরকে ওতাদেরকে রিযিক দেই আমিত পালনকারী সত্তা ! আল্লাহরই এক নেয়ামত অধিক জনসংখ্যার হারএ নেয়ামতের শুকরিয়া আদায়ও নিরংকুশভাবেতাঁর ইবাদত করা কর্তব্য হিসেবেই রয়েছে সবার ! খোদা উল্লেখ করেন নবী শুয়াইব (আঃ)এর কথাস্মরণ কর যখন তোমরা সংখ্যায় কম ছিলে তিনিতোমাদের সংখ্যা বৃদ্ধি করলেন যা নিয়ামত সেথা!…

  • জুরালো কন্ঠস্বর

    আনন্দ উল্লাসে নাতনিটি মোরপ্রতিদিন ফোনে এক দুই বারোকথা বলে এক রুম থেকে অন্যরুমে যায় হাসি খুশিতে কতোওআরোও জুরালো তার কন্ঠস্বর। কি ভংগিমাও কথা বলার তারমোবাইলে আলাপ করার সময়সে দাদুকে আবার তো কোনওসময়ে স্নেহের আপা মনিকে ইচায়ও দীর্ঘ সময় কথা হয় যার। নাতনির কথা বার্তায় হাসে সবমাঝে মধ্যে এমন যেনো কতোকিছু বলে মনে হয় তার যতোকথা…

  • অখাদ্য-কুখাদ্য !

    সবে প্রতিদিন খাবারের নামে অখাদ্য-কুখাদ্য খাইমৃত্যুর দিকেতে একপা দু’পা করে ধাবিত হয়ে যাই। কেহোও বলে না তো মানুষ চিরদিন বেঁচে থাকবেযার যতো হায়াত রেখেছেন ততো দিন সে টিকবে। সৃষ্টিকর্তা মহান আল্লাহতায়ালা নির্ধারণের মালিকধরণীর বুকে যা কিছু বিদ্যমান সব কিছুর খালিক! খালিক আরো মালিক পাক পরওয়ারদিগার যিনিসৃষ্টিকুলে যা আছে সবার খাবার দান করেন তিনি! আমরা আশরাফুল…

  • বিরহ যাতনা !

    হে প্রাণের বন্ধু কেমন আছো ভাইদীর্ঘদিন ধরে কতো প্রতিক্ষা করেতোমার কোনো খোঁজ খবরই নাই। অনেক অনুসন্ধান করেও হয়ে হন্যদিক বিদিক ছুটা ছুটি করেই যাচ্ছিআমি তোমার জন্যে কতোই নগন্য। তুমি বল আমি এখন কোথায় যাইঅনোন্যপায় হয়ে দিশে হারার মতসুখ শান্তি আরাম কবে আরো পাই? তোমাকে ছাড়া শান্তি পাব কোথায়যদি আর কোনো শান্তির তথ্য পাইযত দূরে হউক…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *