শ্রাবণী

সেদিন আমার দুই নাতনীকে নিয়ে,
গিয়েছিলাম লাইটেস গাড়ী দিয়ে ;
মধ্য রাস্তায় মিষ্টির দোকান পাড়ি দিতে
ড্রাইভারকে ফুলকলির সামনে বলি যেতে।
দোকানে ঢুকতেই দেখি একটি ছেলে,
খাচ্ছে অনেক মিস্টি রসালো,
সোহাগের ছলে দুটি চেয়ার ঠেলে ;
নাতনী দুটিকে আমার পাশে বসালো।
বললাম, দুজনকে মিষ্টির রসে টইটুম্বুরে ভরা,
যা, ইচ্ছে মনের মতো খেতে থাক তোরা।
ছোট্ট নাতনী দুটি, হাসতে হাসতে খেল চমচম ;
হঠাৎ করে অঝোর ধারায় শুনলাম বৃষ্টির ঝমঝম
আচমকা একটি ছেলে, দোকানে ঢুকে বলে ;
তাকে, খেতে দিতে হবে টাইগার!
তা শুনে, নাতনীরা আমায় সমস্বরে বলে ;
‘দাদাভাই কি বলে উনি! খাবে নাকি বাঘ ?
চলুন জলদি করি নয়তো টাইগার ই খাবে,
মনের উল্লাসে সাবাড় করে, তার পেটপুরে যাবে।
হায়রে কলির কাল! মানবতার নিদর্শন,
কিসের নামে সেম্পুল টানে করছে প্রদর্শন?
হিংস্র ভয়ঙ্কর বন্যপশুর করে ব্যবহার নাম,
টাকা রোজগারে ব্যবসা করে সারতেছে তাদের কাম।

Similar Posts

  • স্রষ্টার গুণগান !

    কতো কিছু ছিল যেন তাকে বলারসমস্ত কিন্তু ভুলে গেছি তার সহিতসাক্ষাতের পরে যখন আরম্ভ করিআমরা উভয়ে একত্রে রাস্তা চলার! সে আমার অনেক প্রাক্তন বন্ধু হয়এক সময় সকাল দুপুর সন্ধ্যা রাতমাঠে ঘাটে চলাচল খেলা ধুলায় ওপড়া লেখাতে সর্বক্ষণের সাথী রয়। আমাদের গভীর আন্তরিকতা ছিলএকে অন্যের কোনো মুহুর্ত সাক্ষাৎনা হলে অন্তরে কতো জ্বালা যন্ত্রণাসৃষ্টি হত এখন এসবও…

  • নাতনী খুশী হয় !

    আমরা চা নাস্তা এক সাথে সেরেসকলে গল্প সল্পে ব্যস্ত হয়ে আরনাতনীকে নিয়ে বসে আছি ঘরে। বড়ো নাতনীটি হঠাৎ করে বলেদাদাভাই আজকে অফিস ছুটিতাই সামান্য বেড়ানো হলে চলে। শনিবারে অফিস সাপ্তাহিক বন্ধপার্কে যাবার সম্মতি দিলে তবেখুশির শব্দ করে মন যা আনন্দ। তাকে সহ মোট তিন জন মোরাএকটি সিএনজি নিয়ে রওয়ানাদিয়ে পৌঁছে দেখি লোকে ভরা। আমার নাতনী…

  • প্রচেষ্টা

    সব মানুষ তার সুবিধা চায়কেউ শত চেষ্টা করার পরেতা অর্জন করে শান্তি পায়। নিজ নিজ কর্মে থাকে লিপ্তসময়ের মূল্য তপস্যার ফলেকেহো ভোগ করে অতিরিক্ত। প্রত্যেকেই উন্নতির পথ চায়নিজের শতো প্রচেষ্টায় আরকষ্ট সহিষ্ণুতার গুণে তা পায়। আরো যত অশান্তিতে আছেদু:খ দুর্গতিতে জর্জরিত হয়েমনের সুখ শান্তি চলে গেছে। সময়ের সঠিক মূল্য দেয় যারাপ্রতি মুহূর্তের মূল্যায়নের তরেসফলতা লাভ…

  • ফাঁকি দিয়ে !

    এখন কোথায় আছো ভাইঅনেক দিন পেরিয়ে গেলতোমার দেখা সাক্ষাৎ নাই! স্নেহের কারণে খবর রাখিকোন স্থান নেই আর বাকিকেনো মোরে দিলে ফাঁকি! মনের আরো জ্বালা বাড়েএখন থেকে অনেক পুর্বেসাক্ষাৎ হয় রাস্তার মোড়ে! এর পর থেকে খোঁজ নাইপেরেশানীর সময় কাটাইকোনো সন্ধান যে না পাই! প্রার্থনা করি ভালো থাকোআল্লার প্রতি বিশ্বাস রাখোমনে প্রাণে স্রষ্টাকে ডাকো!

  • জাল নিয়ে খালে

    অমাবস্যার রাতের জোয়ার ভরাসুন্দরবনে নদীর জল যখন ফুলেফেঁপে ওঠে হুহু করে জলও ঢুকেপড়ে বনের অসংখ্য শিস খালেরভিতর বাদার মানুষ তখন জালনিয়েও খালে যায় মাছ হয় মারা। বাদায় শিস খালই হল সরু মজাবড় নদী থেকে বের হয়েই বনেরখানিক ভিতর দূরে শেষ হয়েছেভাঁটায় বিশেষ জল থাকে শুধুইথক থকে কাদা গ্রাম আবাদ ওফসল যত আছে সব তরতাজা। একদিক…

  • রঙের খেলা

    আরো অনেক বন্ধু পাবো।পেরিয়ে কত যে মাট ঘাট,যাব মোরা ঐ খেলার মাঠ। যেথায় বহু রঙের খেলা, কেটে যাবে দিনের বেলা।আমরা সকলে চড়ে দোলনা,আনন্দের থাকবেনা তুলনা। দৌড় ঝাঁপ করে যাব কত, হেলে দূলে যার তার মত। সকলেই সায়াহ্নের আগে, মিলে মিশে সব অনুরাগে। ফিরে যাব যার তার বাড়ি, বহুদূরের পথ দিয়ে পাড়ি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *