সঠিক মূল্যায়ন

আমাদের দেশে কত বিচিত্র কিছু হয়
প্রায় সব খ্যাতিমানদের একটা সময়
পর কোন কারণে মাথায় তোলে লয়।

মানুষ থেকে ক্রমে প্রথমেই মহামানব
পরে দেবতাও বানিয়ে ফেলে তাঁদের
হয় ত পরিশেষে আরো বানায় দানব।

হীনম্মন্যতায় দুর্বল বলে তারা ভোগে
সেই হীনম্মন্যতা লুকোনোরও জন্যই
দেবতার প্রয়োজনে সব তারা ত্যাগে।

একটা সময় পর্যন্ত এ রকম যেন ছিল
কেউ তা নিয়ে ত মাথা ঘামায় নি কিন্তু
আজকের এ যুগে তাও লুকিয়ে গেল।

সময়ের প্রয়োজনেই দরকার আসলে
দেবোত্তর দেয়ালকেও চূর্ণ বিচূর্ণ করে
প্রকৃত মানুষের মূল্যায়ন যায় বিফলে।

শুধু ভাল দিকই নয় কোনো অন্ধকার
বা খারাপ আরো কিছু দিক থাকলেও
সঠিক চিহ্নিত করতে হবে সত্যিকার।

Similar Posts

  • কলকাকলি

    সাত সকালে জেগেকতো পাখির কলরবশুনতে পাই আগে বাগে। তারাও নিয়ম মানেগাছ থেকে অন্য গাছেচলাফেরা করে গানে গানে। যতো ভিন্ন ভিন্ন সুরসুর লহরীতে গায় গানতাদের কন্ঠ কত যে মধুর। দলবদ্ধ হয়ে চলেশত দূর দূরান্তে যায়সাথীদের পেয়ে তারা মিলে। খানা খাদ্যে ব্যস্তগাছ বৃক্ষ জমি জমায়মানবের দায় রয় ভীত সন্ত্রস্ত!

  • প্রবাসী বঞ্চনা

    প্রবাসী বঞ্চনার নেই শেষমনের মধ্যেই পুষে রাখেনমায়া ঘরছাড়া যারা সারাজীবন ঘরের মাটির জন্যতারা কষ্ট করে যান বেশ ! চোখের পানিতে বুক ভেসেসেই ভিটের জন্য কিন্তু যারাভিটে ছাড়া করেন তাদেরওমনে আশ্রয়টি ছেড়ে যাওয়াস্বজনের সাথে ই কষ্ট মিশে ! তার মধ্যে যেটুকুন হয় মায়াকতো যেন মায়া কান্না থাকেআরো কতোনা প্রকৃত দরদথাকে তাও যা ভাবার বিষয়বুঝাই ভার প্রকৃত…

  • তফাৎ যাবো আমি

    সেই নীরব আস্তানা তোমারযেথা রয়েছে কত সুসজ্জিতএক সন্ধ্যায় দেখা হয় আমার। একটু একটু করে যদি তুমিআমার প্রতি স্নেহ মমতা বন্ধকর তবে তফাৎ যাবো আমি। যদি হঠাৎ করে ই যাও ভুলেআমাকে তুমি অসুবিধা নেইতবে আমিও চলে যাব ফেলে। তোমার অন্তরে যদি কষ্ট হয়কি করব আমি আচরণে ইহাকরেছো লাভ যার প্রমাণ রয়।

  • আত্মা বিমূঢ় !

    বর্তমান যুগে অনেক আপদ রয় গােপনঝঞা আহবান করে তার স্বভাব কোপন। প্রাক্তন জাতির সভানুষ্ঠান রয় লক্ষ্যহীনতরুণ জীবন সবুজ শাখা যে রস বিহীন। প্রকাশ্য চমক মােদের আত্মাবিমূঢ় করেবাজনা-যন্ত্রগুলো আমাদের বেসুর ধরে। অন্তর থেকে বহ্নি প্রাচীন যত হরণ যারঅগ্নি-জ্যোতিঃ ‘লা-ইলাহা’র হারায় তার। মানব জীবন-গঠন বিকল যবে মুহ্যমানজাতির সত্তাও উত্তোলব করে শক্তিমান। পিতার রাস্তায় চলাচল করো ঐক্য মতঅনুকরণ…

  • স্বর্ণালী দিনগুলো

    ক্লাসের সহপাঠীদের সাথে উঠত মেতেসকলে যত বসত দুপুরে টিফিন খেতেবিদায় বেলায় এসে তাই কারোরই যেনএকটু মনও চায় না স্কুলটি ছেড়ে যেতে। প্রত্যেকেরই মনে হয় যেন কম ও বেশিকখনোও একটু আধটু হতো কিল ঘুষিছোট থাকলেতো সকলই থাকতো খুশিপড়াশোনার ফাঁকে হত যা দোষা দোষী। এছাড়াও বিশেষ কিছু আরও অনুভূতিমনের চারপাশে ঘোরা ফেরা করে গতিউঠতে পারে না তো…

  • বাতাসের পরশ !

    মনোমুগ্ধকর দুপুর আজ কত স্নিগ্ধজানালার পাশেতে দাড়িয়ে বাইরেরপরিবেশ ভোগ করে হলাম যত মুগ্ধ! বন্ধু হাত দুটিও দিয়েছিলো বাড়িয়েমেঘলা আকাশের দিকে ই তাকিয়েআনন্দঘন মুহূর্ত যায়নি সে ছাড়িয়ে! বৃষ্টির ফোঁটা পড়েছিল তার দু’ হাতেটিপটিপ করেই আমিও এসেছিলামভিজবো বলে ঐ বৃষ্টিতে এক সাথে! যদিও বা স্নিগ্ধ শীতের চাদর হতামআমার স্নেহাস্পদ মানুষটাকেই সবসময় বুকের মধ্যে জড়িয়ে রাখতাম! যদি খা…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *