স্কুলে প্রথম যাত্রা

বড় বোন তার তাইফা,
সংগে নেইতো রাইফা।
বিদ্যালয়ে প্রথম যাত্রা,
আনন্দের শত মাত্রা।
কত সাজ গুজ করে,
স্কুলের পথই সে ধরে।
বই খাতা ও পরিপাটি,
চলছে সে পায়ে হাটি।
বললাম গাড়ীতে এস,
জানালার পাশে বস।
গাড়ীতো রওয়ানা দিল,
বিদ্যালয়ে নিয়ে গেল।
খুশিতেই সে আত্নহারা,
আরো সহপাটিও যারা।

Similar Posts

  • নীরব ঘাতক

    জোরালো উৎপন্ন বিভিন্ন উৎসের যত রয়অপ্রয়োজনীয় শব্দ মাত্রা ছাড়িয়ে মানুষেরসহনশীলতা ও অশান্তি আরো বিরক্তিকরঘটনা শব্দ দূষণে ঘটিয়ে স্বাস্থ্যের অনেকক্ষতিসাধনের ফলে সকলে অতিরিক্ত সয় । বাংলাদেশে শব্দ দূষণের কারণেও ভোগেফলে অজানা অনেক মানুষের শ্রবণশক্তিহ্রাস অজস্র অসংখ্য শিশুসহ মাদ্রাসা স্কুলকলেজে পড়ুয়া ছাত্র ছাত্রীদের লেখা আরপড়ায় ব্যাঘাত সৃষ্টি হয়ে শ্বাস ফেলে শোকে। শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণেও স্বদেশের বিধিমালারয়েছে যেথা…

  • কষ্টে চলে !

    মাথার ঘাম পায়ে ফেলেদিন রাত পরিশ্রমের পরকতো কষ্টে জীবন চলে! অসুখ বিসুখ হলে পরেকষ্টের মাত্রা বেড়ে গিয়েতারা জীবন বাজি ধরে! খেয়ে না খেয়ে রয় কতঅভাব অনটনে আঁকড়েধরে রয় জীবনভর যত! সুখ সাচ্ছন্দ্য প্রতিকূলেআল্লার অসীম করুণায়আসতে পারে অনুকূলে! সত্য রাস্তায় চলে গেলেকঠিন পরিশ্রমে আল্লারদয়াতে সুখ শান্তি মিলে!

  • পরিতাপ

    কি আর বলব ভাই ভেবে নাহি পাইনাতনী ছোটটি আমাদেরকে ছেড়েলন্ডনে গেছে সে আর দেশে নাই! সে থাকতে দেশে আসতো পাশেকখনো মোবাইল বা খেলনা নিয়েঘুরা ঘুরি করতো মোদেরই কাছে। ওরা দু’টি বোন তাইফা ও রাইফাখেলা ধূলায় প্রায়ই ব্যস্ত থাকতোসে যাওয়ায় একা খেলে তাইফা। কত শোরগোল আর হাসি কান্নাখেলায় তারা করতো আওয়াজছোট থালা বাসনে ও করত রান্না।…

  • বিচিত্র

    দেশ জুড়ে অগনিত মানুষ যা বিরাজ করেছোট বড় যুবক বৃদ্ধ সকল ঘুম থেকে উঠেসুখ সমৃদ্ধ অর্জনের জন্যও হয় রত তাদেরঅবস্থান থেকেই কাজ করে উন্নতির তরে। মাঠে ঘাটে খেতে খামারেই খেটে যায় কতসকাল দুপুর সন্ধ্যা বিকাল বেলায় অধিকপরিশ্রমে কেউ হাল চাষ জমি জমায় পানিচারাগাছ রোপণ ধান কাটে কষ্ট করে শত। ব্যবসা বাণিজ্য করে অসংখ্য লোক যারাপাড়া…

  • তুমি মোর চাঁদ

    চলে যেতে চাও কেন তুমি বলোদুর্নাম তোর লাগি জগতে হলো। নিজের মধ্যে রয় অনেক বিবাদদেখবো তোমার মনে কতো সাধ। তুমি আমার চাঁদ সবে কয় কালোজীবনে মরণে যা আশার আলো। যাকে সর্বদা দেখি স্নেহের চোখেসুন্দর মনে স্থান দেই তারে বুকে। দুঃখে বুক ভেসে যায় নয়নজলেবলতো যত ব্যথা পাইলে নিরলে। কষ্ট সহ্য করে যথেষ্ট আশা ছিলোকেমনে ভুলে…

  • বিষণ্ণ মুহূর্ত

    কখনো রাত্রির ভিতরে এসেআরো যায় যদি রাত্রি মিশে। জেগে ওঠেই অন্ধকার থেকেআলোতে সমস্ত মুখটি দেখে। মুছে যায়তো মুখরতা তোমারএজন্য ভেসে যায় সব আমার। প্রতিটি মুহূর্ত যদি নিয়ে আসেবিষণ্ণ অতীত বিন্দু ভরে রসে। কথা যদি কখনোই থেমে যায়থামাটা যদি চোখের দৃষ্টি পায়। প্রত্যেক শরীর যতো কথা বলেমনের গভীরে কতো যেন চলে। রাতে রাত্রি মিশে যাওয়া ভালোঅন্ধকারেতে…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *