স্রষ্টার দয়া !

হে রহিম ও রহমান আল্লাহ পাক
এ পৃথিবীর বুকে যত পাপী তাপী
গুনাহগার বসবাস করে সকলেই
তোমার অসংখ্য অসীম করুণায়
দোয়া করে চেয়ে নেয় গুনা মাফ!

পরম করুনাময় স্রষ্টার দয়া কত
তাঁর সৃষ্ট জীবের জন্যে যাবতীয়
প্রয়োজনীয় যত কিছু সবি কিন্তু
আল্লাহ তায়ালার মেহেরবানীতে
বিতরণ করে দেন বেশুমার যত!

সৃষ্টির সেরা জীব হিসেবে মোরা
আমল আখলাক ঠিক ও সুন্দর
রেখে সকলে ইবাদত বন্দেগীতে
মত্ত থেকে উন্নয়ন উন্নতির জন্য
কর্ম করলে সুশ্রী হয়ে যাবে ধরা!

Similar Posts

  • হাসায় – কাঁদায় !

    আধুনিক যুগের মেশিন আছেসকল লোকের মায়েরই কাছেকেউরে হাসায় কেউরে কাঁদায়আর কলের পুতুল কলে নাচে! যেমন চুম্বকের ন্যায় আকর্ষণকতো পুরুষের ধন করে হরণকেউবা যে অকস্মাৎ হয় মরনশীত আর গরম করে নিয়ন্ত্রণ! খোদাপাক স্রষ্টা তাঁর সৃষ্টিধারাএই দুনিয়াটাতে আসিল যারামায়ের গর্ভেতে সকলতো গড়াএতেও দ্বিমত নেই নিরব সাড়া! যার অন্তরে যত রয়েছে শান্তিআছে যে তার সঠিক ভাবমূর্তিচলেছে দূরে যেনো…

  • জীবন সায়াহ্নে !

    কতো ছিলো শক্তিশালী বীরযাদের গায়ের জোর ঐশ্বর্যেঘর বাড়ি পাড়া পড়শী আরসমাজের অধিক মানুষ যতঅত্যাচারে থাকতো অস্থির! তর্জন গর্জনের কি যেন সুরকাজে অকাজে কোন কারণব্যতীত কতো সময় অসময়েযথায় তথায় সুশীল সমাজেচলতো ওদের যত গণ্ডগোল! খাম খেয়ালী ইচ্ছেমতো চলামানুষকে অত্যাচার কখনোইএত অধিক করতো যে সন্ত্রস্তহয়ে ওদের আক্রমণের জন্যঅনেকের বন্ধ হত কথা বলা! অবশেষে সব কিছু চলে যায়গায়ের…

  • লুকোচুরি খেলা

    ঝরো ঝরো বৃষ্টির চলে যত শব্দঝির ঝির বাতাসের মৃদুমন্দ গন্ধ। তারাদের মিট মিট লুকোচুরি খেলাভাল থেকো তা নিয়ে সারাটা বেলা। বৃস্টি ভেজা পায়েও এলে মনে হয়আকাশের বুকে যে জল ছবি রয়। আরো হাসলে তুমি মনে হয় কতোস্বপ্ন মগ্ন পাখিও ডানা মেলে যতো। বসন্তের অনেক ফুল তোমায় দিবকোকিলের মধুর গান শুনতে পাব। প্রচন্ড তাপ গৃষ্মের দিব…

  • সময় ক্ষেপণ

    দীর্ঘ প্রতিক্ষায় যদি প্রহর কেটে যায়,আশানুরূপ ফল তাতে যদি না পায়।অবিরত একই ধ্যানে থাকলে মশগুল,প্রাপ্তির আশায় নেই কোন শোরগোল। বিমোহীত থাকায় বিরাজ অশান্তি, আকাংখিত লব্দেই হয় প্রশান্তি। আশার আলো হলে প্রজ্জ্বলিত , মন প্রাণ সবই ভরে হয় উল্লসিত। প্রহরের সময় পরে বর্ধিত হলে, দিন-রজনী মোহে গড়িয়ে গেলে। প্রাপ্তির প্রচেষ্টায় নিয়োজিত যারা, পর্যায়ক্রমে উন্নত হবেই তো…

  • মুক্তি

    তুমি ছিলে সাথেই মোরযেদিন ছিল প্রচন্ড জর।শরীরে অনেক অশান্তিঅন্তরে নেই কোন শান্তি!আমরা যা চিন্তিত উভয়নেই কেউ করবে নির্ভয়!উপায়হীন অবস্থা কতোজ্ঞান চলে গেছেই যতো!কিংকর্তব্য বিমূঢ় দু’জনকাছেতো ছিল না সুজন!শারীরিক খারাপ অবস্থাসে করল গাড়ির ব্যবস্থা!ক্লিনিকে ও চলতে থাকিরাস্তায় এক বন্ধুকে দেখি!সে অবস্থা দেখেই হতাশশান্তি দিল না হই নিরাশ!আল্লাহ সহায় চলরে ভাইক্লিনিকে তাড়াতাড়ি যাই!একটু পর পৌঁছে গেলামসেথায় ডাক্তার…

  • কত দুর্বল

    জন্মের পরে প্রথমে ভূমিতে পড়েচিৎকার আরো কান্নাকাটি করে।শক্তি সামর্থহীন যে অনেক ছিলমায়ের সহায়তায় জীবনও পেল!অসুখ হলেও সে বলতে না পারেতীব্র যন্ত্রণা হলে কান্না যতই ধরে!একমাত্র সাহায্যকারী মা ই প্রধানজগতে টিকে থাকা তাঁর অবদান।খাদ্যের প্রয়োজনও বুঝতে পারেসোনামণি বলেই খাদ্য দেয় তারে।আদরের বাছাধনের কি যে মায়াস্নেহ মমতা দিয়ে করে তারে দয়া!শিশুর নিকট থেকে আড়াল হলেকখনো চিৎকার করে…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *