হেলা ফেলা !

ল্যাংড়া লোলা বিকলাঙ্গ
যুবক-যুবতী বৃদ্ধ-বৃদ্ধার
কারো বেশী কোন অঙ্গ
এগুলোও হেলা ফেলার
নয় কারণ খোদার ইচ্ছে
দিয়েছেন অঙ্গ – প্রত্যঙ্গ!

তাঁর দয়াতে সৃষ্টির সেরা
তিনি অনুগ্রহ করে উন্নত
করায় কৃতজ্ঞতা প্রকাশ
করে সবাই খুশী ও সন্তুষ্ট
থেকে ইবাদত বন্দেগীতে
পরিবর্তন করো বসুন্ধরা!

প্রভু করেছেন অজস্র দান
ধন সম্পদ ইজ্জত সম্মান
দৈহিক – মানসিক প্রশান্তি
এসব পুনরায় কেড়ে নিলে
রোধকারী নেই তিনি সবার
জন্য কতো যে মেহেরবান!

Similar Posts

  • লড়াকু

    একটি ষাড় নিয়ে দ্রুত বেগেএক সাথে কয়েক জন যুবকছুটে চলেছে পিছু হেটে আরদু’জন সকলের আগে বাগে। ষাড়টিকে কত দিয়েছে সাজতার সাথে অনেক লোক যারাসুর লহরী ধরে চলছে ষাড়েরওশুনতে পাই হুংকার আওয়াজ। উপস্থিত হলো বড়ো এক মাঠেপরে লড়াই আরম্ভ করে দিলোহটাৎ একটি দৌড়ে গুতো মেরেদিলে এক দুর্ঘটনা গেলো ঘটে। গুতোয় একজন আঘাত পায়আঘাতে মারাত্মক রক্তাক্তেরফলে কিছুক্ষণ…

  • বাসা বুনে

    ধুলো বালি রাস্তা ঘাটে বাসে ট্রেনেযা হতে সারা দিনে চোখের ভেতরকত ময়লা জমা হয় পরে এগুলোহতে শত জীবাণু চোখে বাসা বুনে। কাঁদলে জল বের হয় চোখ থেকেযা এক ধরনের অ্যান্টিবায়োটিকচোখের মণি ও চোখের পাতা এইজল ধুয়ে-মুছে নির্মল করে ফাঁকে। শুষ্ক হওয়া থেকে চোখকে বাঁচায়চোখের জল এবং কান্না চোখ ওদৃষ্টি পরিষ্কার রাখতে কত সাহায্যকরে আরো যতো…

  • সরল পথ!

    কেউ কারো যতো দুঃখের কথাঅন্যদের না বলে মনের গভীরেরাখো যদি লুকিয়ে তবে তাদেরহতে দূরে রবে অপবাদের ব্যথা! নিজের দুঃখটি লাগবের আশাঅপরের নিকট থেকে কখনোনা করে খোদার উপরে কেবলধৈর্য্য সহিষ্ণুতায় রাখো ভরষা! এ জগতে যদি কেহো কষ্ট পাওঅন্যের নির্ভর নাহি করেই শুধুআল্লাহ তায়ালা আর রাসুলেরপ্রদর্শনীত পথে সবে চলে যাও! যতো মুশকিল আরো মুছিবতসৃষ্টি কর্তার অপার অসীম…

  • অক্সিজেন

    আল্লাহ উৎপন্ন করেছেন সবুজ ফসল,যা থেকে সবুজ পল্লব সৃষ্টি হয় আসল।গাছের সবুজ অংশ যতই ক্লোরোফিল,জীবন রক্ষাকারী যত মহৌষধ বা পিল।বাতাস ও অক্সিজেন ছাড়ে সবার জন্য,মানুষ জীব জন্তু পশু পাখি ও যত বণ্য।প্রকৃতিতে তৈরী উদ্ভিদকে আশ্রয় করে,পায়ের নিচের ঘাসেও অক্সিজেন ধরে।ঘাস কাজ করছে নিখুঁতভাবে অবিরত,অক্সিজেন তৈরীর প্রক্রিয়ায় নিয়োজিত।সবুজ পাতাই বিশ্বের বড় রসায়নাগার,এখন সময় অবহেলিত মানুষ জাগার।স্রষ্টার…

  • বহে নদী-নালা !

    আমার স্নেহের বন্ধু কালাসহ্য করতে পারিনা তোরবিরহ ব্যথার যতো জ্বালা। তুমি ভাল আমি কুলবালাফুর্তি খুশিতে পরেছি গলেআমার যে কলঙ্কের মালা। সোনার দেহের করি হেলাতোমার চিন্তায় দুই নয়নেযতো বহে যায় নদী-নালা। ভাবী ও চিন্তি বসে নিরালামনে মানেনা কি আর করিযত দোষ দেয় আলাপালা। দোষ দিলে দু:খ কোন নাইইবাদত বন্দেগী করেই যাইখোদার করুণা যেনো পাই!

  • আমার মা

    অনেক দিন প্রতিক্ষার পরেযেদিন এসেছিলাম এই ভবেশত কষ্টতে চোখ বুঝে দুখেঅসংখ্য গোলাপের যত হাসিফুটেছিল মোর মায়ের মুখে! স্বার্থক হয়েছিল মায়ের কষ্টআমি পৃথিবীতে আসার পরেপ্রথমেতো দেখি তোমার মুখযা দেখে আমি পাই সুখ তুমিআমার জান্নাত আমি কত তুষ্ট! শুধু ধু ধু করে না থাকলে তুমিজন্মের পর কেঁদে উঠি আমিআমার ভাষাই না বুঝেও তুমিকান্না থামাও করিয়ে দুগ্ধ পানতুমি…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *