অংগ ভংগীই সার

একটি অবুঝ শিশু রয়েছে যার
ফুটে বলতে পারেনা সে সবকথা
যে দু’ চারটি কথা তো বলে তাহা
এমন আধো আধো ভাঙ্গা ভাঙ্গা
অপরের সাধ্য নাই বুঝতে পারে
কেবল মা বাবা বুঝেন মর্ম সার।

শিশুটি কতো কথা বলে না ফুটে
চক্ষু মুখ ও হাত নাড়া চাড়া মাথা
প্রভৃতির দ্বারা যতো কথা আকার
ইঙ্গিতে বলে তাঁরা তাহাও বুঝতে
পারে অন্যে বুঝতে পারে না যাহা
মা বাবার স্নেহে সব চাহিদা মিটে।

কখনোও হলে তার অসুখ বিসুখ
চক্ষু মুদিয়া বেদনায় পড়েই থাকে
বিছনায় কত দুরন্ত শিশু সারা দিন
বাড়ি যে অস্থির করেই তুলত কিন্তু
সে একবার চক্ষু খুলে যদি না চায়
তাঁরা তা দেখে পায়নি শান্তিও সুখ।

কেউ তার মাথায় যদি হাত বুলায়
হাতের স্পর্শে শিশুটি চিনেও নেয়
অতি কষ্টে চক্ষু খুলে তাঁদের দিকে
খানিকক্ষণ চেয়ে রয় তারপর তার
স্বাভাবিক নিয়মে অংগ ভংগী করে
আর যাঁকে কাছে পায় ধরে গলায়।

প্রতিটি সন্তান কতোই ভালোবাসে
তার মা বাবাকে ভাষায় কেউ তাহা
কখনো গো বুঝাতে কাউকেই যাহা
সম্ভব নয় সর্বদা যা পরিলক্ষিত হয়
শিশুর মুখ দেখে মা বুঝতে পারেন
দৈবাৎ কষ্ট হলে তো থাকেন পাশে।

Similar Posts

  • দারিদ্র্য পীড়িত

    বাংলাদেশ দারিদ্র্য পীড়িত ,অপুষ্টি রোগে কত জড়িত।ভবিষ্যৎ প্রজন্ম পরিচিত,শিশুরাই শীর্ষে আলোচিত।গরীবও দুঃখী অনেক হয়,যা মোটেই কাঙ্ক্ষিত নয়।বেড়ে চলেছে যে নগরায়ন,দ্রুত চলেছে তা বাস্তবায়ন।দুর্যোগে ও কাজের সন্ধান,শহরে করেছে যেন সংস্থান।গ্রামের যত যে এসে শহরে,সুবিধায় কত আছে বন্দরে।সত্যনিষ্ট ভাবে কাজে যারা,স্রষ্টার দয়ায় সুখ পায় তারা।

  • সততায় মুক্তি

    নামাজের সময়ও পেরিয়ে যায়বক্তৃতা করছেন হাজ্জাজ বিনইউসুফ শ্রোতাদের ও একজনদাঁড়িয়ে বলে মহামান্য মহারাজএখন নামাজের সময় কাহারোজন্য করে না সময় অপেক্ষা ইহাশুনে হাজ্জাজের মনে কষ্ট পায়। আরো নামাজ আদায়ে অবহেলাক্ষমা করবেন না আল্লাহ পাকওভরা সমাবেশে হাজ্জাজের মুখেরওপর তাকে উপদেশ হাজ্জাজওতাকে বন্দি করার আদেশ দিলেনতার স্বজনরা হাজ্জাজের মিনতিজানাল করে সঙ্গে ই মোকাবেলা। মাথায় কিঞ্চিত দোষ আছে তাইএমন…

  • ভাগ্যে ছিলো !

    একদিন নিদ্রা থেকেই উঠেইবাদত এবং বন্দেগী সেরেপায়চারীতে রাস্তায় বেরুলেদেখি এক ঘটনা গেল ঘটে! জোরে চিৎকার শুনা গেলকয়েকজন লোক তখন ইচোর চোর বলে আওয়াজকরে একজনকে ধরে নিল! ভাগ্যের পরিহাসে যা হলোসে ছিলো এক ভাল ছেলেরাতে এক বাসায় চুরি হলেযা দুর্নাম তার ভাগ্যে পেল! পাকড়াও হয়ে গেল যখনঐ কাজটি সে তো করেনিতবু্ও ভাগ্যের ফেরে পড়েযা লাঞ্চনায় ভোগে…

  • মৌ মৌ গন্দ

    দূরের অতিথিরা সাজগুজ করে,নিমন্ত্রণে একত্রে এসেছেন পরে।সকলে মোরা এক সাথে বসলাম,অনেক স্বাদের কত কিছু খেলাম।সব কিছু আর লেখা যায়না ছন্দে,চতুর্দিক বিস্তৃত হল মৌ মৌ গন্দে।পানাহার করে কতই স্বাদ পেলাম,পরে আমরা গল্প গুজবে গেলাম।পাড়া পড়শী সহ কত লোক জন,বন্ধু বান্ধব আরো অনেক সু জন।জড়া-জড়ি ও কোলা-কুলি করে,আনন্দ খুশিতে অনুষ্ঠানটি ভরে।আতিথিয়-তায় সকল যে মশগুল,ছিলনা যেথায়ও অন্য শোরগোল।

  • কেঁদো না কবর পাশে দাঁড়িয়ে

    রোদন করো না আমার কবর পাশেই দাঁড়িয়েআমি এখনো কবরে কোনও না ঘুমিয়ে আছিবারন করি তোরা কান্না করোনা হাত ঝাড়িয়ে। আমি তীর বেগে ই ধেয়ে চলে যেন অযুত বায়ুএকটি চকমকি হিরা শিশির বিন্দুর বুকে জমেথাকা আছরে পড়া সুর্য পাকা ধানের যত আয়ু। কলরব সৃষ্টি করি ভোরেরই নিঝুমতা ভেঙে নেইতোমার প্রেরণা সদা যোগাই সকল কাজে আমিশান্তনার পাখী…

  • সকাল সন্ধ্যা

    সময় হয়ে গেলেই ফিরেসারা দিনই সকলে ঘুরে। সকাল থেকে ও সন্ধ্যায়চলাফেরা থাকে ধান্ধায়। বহু লোকের ফল মন্দাক্ষতিগ্রস্থদের যত ধান্ধা! ঘুরে ফিরে অনেক দূরে সংগ্রহ করে নেয় জুড়ে। কেউ হালাল চিন্তা করেবাকী সবে ধার না ধারে!পেট পুরে খেলেই হলো চিন্তা নাই গোল্লায় গেল!আরোও যারা সত্যনিষ্ঠকখনও করেনা অনিষ্ঠ!তাঁদের উপার্জনও শ্রেষ্ঠ লোকজন থাকে সন্তুষ্ট! তাঁরা হালাল যতই খায়মনে প্রানে শান্তিও পায়!খেয়াল খুশিতে যে চলে আত্মা অশান্তিতে জ্বলে!আল্লার…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *