অপমান !

মুহূর্তে ধুলোয় লুটিয়ে পড়ে গান
চারদিকে এত খেলাধুলা এর ই
মাঝ খানে বয়ে যেতে হবে বলে
কানে তুলা দিয়ে অবিরাম চলে।

ভেবেছিলে অপমান ছুঁড়ে যাবে
অন্তরের কথা শুনিয়ে সুখ পাবে
চোখের আড়ালে অশ্বত্থের ডালে
ভাবছ দু’পাখি মরবে এক ঢিলে।

তয় সে আমার নয় মরেছে বটে
পাখি তো লুকানো নৌকোজলে
অবশ্য জানি যত লুকানো আজ
সবও পেতে চাও ছলে কৌশলে।

লজ্জাও নেই নিজের মুখ দেখে
ফোন রেখে দিয়েছ ঝনাৎ করে
 এ-বিষয়ে আরো কিছু বলব না
 যা বলার সব বলছি একাক্ষরে।

চতুর্দিকে দেখে বৈঠা বাইতে হবে
ঘাটে ঘাটে লুকিয়ে তো ঘড়িয়াল
গল্প লুকোনো হয় যদি কবিতায়
গিলেই নেবে টপ করে সিরিয়াল।

Similar Posts

  • বিভ্রান্তি ঘটায় !

    দারুণ অভাবের আগুনযার লাগে যে কলিজায়কতো কষ্ট ভোগেও পায়জানে বাঁচা কত যে দায়! দেশের যা দুর্গতির কথাবলতে নাতো পারা যায়অভাবের তাড়নায় কতলোকে লতা পাতা খায়! গরীব ও কাঙাল দেশেরলড়াই করে বাঁচতে চায়ভালোয় যেন মন্দ ফলেশয়তানেও পথ ভোলায়! অত্যাচারের বিপক্ষে যবেজনগণ কত রুখে দাঁড়ায়দালাল যতো নেমে আসেএতে তারা বিভ্রান্তি ঘটায়!

  • রে পাষাণ !

    রে পাষাণ তোর কি কোনই দয়া মায়া নেইএতো করে তোকে বলার পর তুই এখনোঅবহেলা করেই যাচ্ছিস আগের মত যেই! দেখো এ পৃথিবীতে কেহই দীর্ঘ স্থায়ীযে নয়অনাদর আর অবহেলা করতে পারিস তুইউদরের সন্তান হয়ে বেখবর ইহা কিরে সয়! ছোট ছিলে যবে আদর দিয়ে রেখেছি বুকেকত কষ্ট উপেক্ষা করে মায়া মমতায় ভূলেযেতাম দুঃখ দুর্দশা যতই চেয়ে তোর…

  • মা বাবা হারা ছেলে

    দিনরাত কাটে রাজধানীর হাতির ঝিলেবিষণ্ন মনে আছে বসে মাবাবা হারা একছেলে বিকেলে কৃষ্ণচূড়া গাছের উপরেচোখ আটকে যায় উড়ন্ত কাক ও চিলে। গাছের ছায়ায়ও এক ঘুমন্ত শিশু ছিলমাছি কয়েকটা তার ঠোঁটে নাকে মুখেবারবার বসে উৎপাত করছে সে ঘুমেরমধ্যেই হাত ও পা নাড়া চাড়া করে নিল। শিশুটিও তাড়ানোর চেষ্টা করছে মাছিআরও কয়েকটি শিশু আশ পাশে ব্যস্তদৌড়ঝাঁপে কিন্তু…

  • মায়ার বাঁধন !

    ধনে জনে ইজ্জতে হীনআপনজনে বাসে ভিনহয়নি শোধ কোন ঋণ। জনম নিছি মানবকুলেরয়ে গেছি মায়ায় ভুলেজানেন আল্লাহ রাসুলে পিতামাতার কাছে ঋণীঅন্তর আর আমি জানিআরো কতো কিছু শুনি। সংসারের মায়ার বাঁধনেদুর্গতি বাড়ে দিনে দিনেকষ্ট ভোগ যে মন জানে। ধরণীতে অসংখ্য জ্ঞানীকল্যাণও করছেন জানিখোদার ইচ্ছায় সব মানি! মোরা আল্লার রাস্তা ধরিইবাদত রাখি সবে জারিতবে মুক্তির আশা করি !

  • সাধন ভজন

    আচানক নামটি তাঁহারআরো কত বছর আগেঅসীম পারদর্শী ছিলেনধ্রুপদ সংগীত সব রাগে। সুনাম আর খ্যাতিতে নামকতো করেছিলেন অর্জনকিন্তু তারও কণ্ঠে ছিলোযেনো মেঘের মত গর্জন। খুব ভোরে বা সাঁঝে যখনসাধন ও ভজন হতো শুরুভাবতে হতো বরষার মেঘডাকছে অনেক গুরু গুরু। এতোও অধিক উচ্চে ওঠেকারো গলার কতো কাজশেষে প্রবচনে বলে তাকেযত জোরেসুরে আওয়াজ।

  • অবসাদ

    উদ্দেশ্য একটি করো ঠিকইহাকেই নিজের জীবনেরঅংশ বানিয়ে ফেলো চিন্তাকরো ও স্বপ্ন দেখো সঠিক। সে লক্ষ্যটিকে ছড়িয়ে দাওনিজ মস্তিষ্ক পেশী রক্তনালীসম্পুর্ণ শরীরে প্রয়োগ করেবাকি সব কিছুই ভুলে যাও। এখন কতটা উপরে আছেসাফল্য না মেপে যে লোকনিচে পড়ে নিজেকে কতোওপরে সে তুলতে পেরেছে। সাফল্য অর্জনটি এক নয়সফল হওয়ার মতো সুবিধাঅনেককে জোরের মাধ্যমেউপযুক্ত করে বানানো হয়। কেহো নিজে…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *