অমূল্য রতন

শুধু সন্তানদের জন্য চিন্তা থাকে সদা
এমন দরদি মা ও বাবা যাদের ছেড়ে
চির দিনের জন্যও চলে গেছেন তারা
বোঝেন অমূল্য সম্পদ দিলেন খোদা!

শখ আহলাদ তাঁদের প্রত্যাশা কতো
স্বপ্ন স্বাদকে বিসর্জন দিয়েছেন তাঁরা
কেবলমাত্র আমাদের জন্যে দিন রাত
কিছু না খেয়ে আদর করেছেন শতো!

যেদিন হতে পৃথিবী ছেড়ে গেলেন চলে
সেদিন থেকে মনে হয় কী যেনো হেরে
গেল বুকটা হঠাৎ কেঁপেই ওঠে চোখের
পানি অঝোর ধারায় ঝরে ইহার ফলে!

শান্তনার এমনি কোনো বাণী নেই জানি
যেনো মাতা পিতার অভাব পূরণ করতে
পারে তাঁদের স্নেহের পরশটি পৃথিবীতে
কোথাও কেউ দিতে পারে না সবে মানি!

এমন পিতা মাতার জন্য প্রার্থনায় থাকি
আল্লাহ তায়ালা যেনো আমাদের সবার
মা বাবাকে দুনিয়া ও আখেরাতের উত্তম
স্থান দান করেন হৃদয়কে দোয়াতে রাখি!

Similar Posts

  • অধিক সুখ

    কখনো মানুষ থাকতে চায়না একাযখন তার দুঃখ গুলো কেউ বুঝারচেষ্টাও করে না তখন সে নিজেকেঅন্তরালে রয় হতেও দেয়নি দেখা। অন্যের কাছে প্রকাশ করতে নেইনিজের দুঃখ টুকু এতে মজা নেবেসময় মত সব উপহাস করবে আরসুযোগ পেলে আঘাত করবে সেই। জল যেমন একদা বরফ হয়ে যায়অধিক ঠান্ডা হতে হতে ঠিক তেমনএকটা মনও পাথর হয়ে যায় যখনঅন্তরের মধ্যে…

  • কৃষি ঐতিহ্যের দেশ

    মহামারির টানা নির্দয় যুদ্ধ নিয়ে বিষণ্ন দুনিয়াজলবায়ু বিপর্যয়ের সইতে হচ্ছে আঘাত প্রতিপণ্যের দর ক্রেতার নাগালের বাইরে প্রতিদিনযাচ্ছে চলে উদার বাদী নতুন এই করপোরেটবাজারকে প্রশ্ন না করেই সকলে নেয় মানিয়া। অশনি সংকেত দুর্ভিক্ষের ভাসছে চার ধারেনিরাপদ উৎপাদন আরো সম বণ্টন একটাইসমাধান প্রতিদিন যে দেশে বাহাদুরি উন্নয়নগিলে খাচ্ছে সব কৃষিজমি খাদ্য হয়ে উঠছেবিষাক্ত পণ্য ভুক্তভোগী যা কষ্টে…

  • সঠিক মূল্যায়ন

    আমাদের দেশে কত বিচিত্র কিছু হয়প্রায় সব খ্যাতিমানদের একটা সময়পর কোন কারণে মাথায় তোলে লয়। মানুষ থেকে ক্রমে প্রথমেই মহামানবপরে দেবতাও বানিয়ে ফেলে তাঁদেরহয় ত পরিশেষে আরো বানায় দানব। হীনম্মন্যতায় দুর্বল বলে তারা ভোগেসেই হীনম্মন্যতা লুকোনোরও জন্যইদেবতার প্রয়োজনে সব তারা ত্যাগে। একটা সময় পর্যন্ত এ রকম যেন ছিলকেউ তা নিয়ে ত মাথা ঘামায় নি কিন্তুআজকের…

  • কিয়ামতের প্রকম্পন !

    সকলে স্রষ্টাকে ভয় করতে হবেকোরানে বর্ণনায় আছে নিশ্চয়কিয়ামতের প্রকম্পনটি ভয়ঙ্করপ্রতি স্তন্য দান কারিনী সে দিনদুগ্ধ পোষ্য শিশুকে ভুলে যাবে! আরো প্রত্যেক গর্ভধারিণী যতোতাদেরও গর্ভপাত করে ফেলবেমানুষকে দেখবে যে মাতালদেরমত কিন্তু মাতাল নয় তবে স্রষ্টারকঠোর শাস্তি ভোগ করবে ততো! আসমান বিদীর্ণ হয়ে যাবে যখনআর নক্ষত্রগুলোও ঝরে পড়বেসব সমুদ্র একাকারও যত কবরউন্মোচিত হবে প্রত্যেকে জানবেআগে পিছনে কি…

  • মুখে হাসি

    দেশের যতো মজুর – চাষিচলো দেশকে ভালো বাসিমুখে সকলের ফুটবে হাসি। অবশেষে দুঃখ যাবে দূরেনিপিড়ন নির্যাতন শোষণকেবল শোষক দলে করে। শ্রমিক ও মজুর এক হলেথাকবে না তো অন্ধকারেসুখ প্রশান্তি আসবে চলে। কেহো থাকতে নাহি পারেবেশী দিন ধরে এ সংসারেতাই সময়ে কর্ম যেন সারে। সবার নিকট এই নিবেদনআমার মনে ভাবি সর্বক্ষণকার তল্লাশী পড়বে কখন।

  • শ্রমিক – মজুর

    শ্রমিক – মজুর অগনিত লোকরয়েছে তাদের কষ্ট আরো দুঃখ।যেদিকে তাকায় শুধু দেখে নায়ধান্দায় থাকে কোথায় কি পায়।অভাব অনটনে করে হায় হায়দুর্গতি দূর্দশায় পড়ে দিন যায়।প্রতীক্ষারত থাকে কাজে যাবপরিশ্রমের টাকাও যেথায় পাব।বাজার সদায় যত কিনে নিবপরিবার পরিজন নিয়েই খাব।ধনী বিত্তবানগণ সাহায্য দিবেদুর্ভোগ ভোগান্তি দূর যত হবে।সামান্য হলেও সুখ শান্তি সবেক্ষনিকের তরেও ভোগেই রবে।অভাবের মাত্রা দূরে যায়…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *