অলি-আউলিয়ার বাংলাদেশ

 হযরত শাহজালাল ইয়েমানী (রা:)

৩৬০ জন আউলিয়া নিয়ে সিলেটে 

এসেছিলেন ওলিকুল শিরোমণি।

সুলতানুল বাঙ্গাল ও ছিলেন তিনি

হযরত শাহজালাল মুজাররাদ 

ইয়েমানী (রা:) বিখ্যাত পীরই যিনি।

তাঁর মাধ্যমেই ইসলামের প্রসার ঘটে

বোরহান উদ্দিন (রাঃ) এর ওপর গৌড়

গোবিন্দের কত অত্যাচার ছিল বটে। 

সিলেট ৩৬০ আউলিয়ার সুন্দর দেশ 

পুণ্যভূমি অভিধায়ও অভিহিত করে 

যার প্রমাণ রয়েছে কতই যেন বেশ।

অলি-আউলিয়ায় বাংলাদেশ যে ভরা 

ইসলাম প্রচারে আউলিয়া কেরামের

অবদান আছে যার সুনামে বিস্তৃত ধরা।

Similar Posts

  • ক্যাসিনো

    শত গর্বের এই বাংলাদেশ,জন্ম ভূমি আমাদের দেশ।কত কি যেন আজব কান্ড,মাথা তাদের হয় লণ্ড ভণ্ড। অশালীন বেশে চলে যারা,মডেল হয়েছে নামে তারা।চুর বাটপার ও কত  জুয়া,জুয়ায় নষ্ট শত ফুড়ি ফুয়া।ক্যাসিনো নাম যার এখন,জুয়া তারে বলতো তখন।জগনণকে যারা দিয়ে  চাপ,  ঘুষ খায় তারা  বাপরে বাপ।সেলামি বলে খায় কত ঘুষ,হবে না যেনো কোনই দোষ। টাকায় নির্ধারিত কত রুজি,বাড়তি লাগেনা কোন…

  • নিয়তির খেলা !

    যথেষ্ট মানুষ আছে পৃথিবীর বুকেকে কাহার ঠিকানা জানে অসংখ্যঅগনিত আরো থাকে সুখে দু:খে। এদের মধ্যে অসহায় গরীব দু:খীসবার আশে পাশে জীবন কাটায়তারা অধিক সময়ে যন্ত্রণা ভোগী। অনেক সময়ে ভুখা ফাঁকা থাকেখাবার দাবার যোগাড় করতে নাপেরে মন ও আত্নাকে কষ্টে রাখে। শতো দুর্ভোগ ও দুর্গতির জীবনসামান্য প্রশান্তি আর সচ্ছলতারজন্য চেষ্টায় রয় তাদের দেহ মন। ধরণীর বুকে…

  • মহিমা

    আশা আকাঙ্খা নিয়ে সব বেঁচে রয়বর্তমানে যা কিছু আছে আগামীতেযেনো এর থেকে আরো অধিক হয়। ইচ্ছা বাস্তবায়ন করতে যত কষ্ট হবেতপস্যা ও সাধনায় সফল হয়ে গেলেফলাফল সম্পুর্ণ রুপে ভোগতে রবে। জন্মের পর মা বাবা অপেক্ষায় থাকেশিশুটি বড় হয়ে সু শিক্ষা লাভের পরসকল সুনাম যেনো বর্ধিত করে রাখে। সন্তান সু শিক্ষিত হলে যে কত গৌরবব্যক্তি পরিবার…

  • গরমের তীব্রতা !

    গরমের অতিরিক্ত তাপঘরে বাহিরে কত মানুষঅসহ্য যন্ত্রণাতে ভোগেঅনেকে আরো বলছেকি উষ্ণতা বাপরে বাপ! অস্বাভাবিক তেজ যারমাঠে ঘাটে ক্ষেতে আরখামারে দারুণ কষ্ট সহ্যকরে নির্ধারিত অবস্থানদখল করছে যার তার। দুর্ভোগের কতো জ্বালাপ্রখর রোদের তীব্রতায়মাথার ঘাম পায়ে ফেলেঅসহনীয় যাতনা ভোগকরছে কাজে নেই হেলা। অসহায় দিন মজুর যতঅসহনীয় দুর্গতি আরোব্যথা বেদনায় জর্জরিতহয়ে অনেক লোক কিন্তুশোকে দু:খে আছে শত!

  • সহযাত্রা

    চল, চল, চলরে তোরা ,একসাথে যাইরে মোরা।এখন নাইরে কোন বৃষ্টি ,পথ চারীরা দিল দৃ্ষ্টি।হাঁসগুলো দিঘির জলে ,সাঁতার কাটছে মনের বলে।রাস্তায় চলছে ঘোড়ার গাড়ি ,জন-মানব দিচ্ছে পাড়ি।হাট বাজার করছে যারা ,কোলাহলে পড়ছে তারা।দলে দলে গল্প জোটের ,বিকি দিচ্ছে বাদাম বুটের।সায়াহ্নে সব ফিরছে বাড়ি ,কেউ বা যাচ্ছে দিয়ে গাড়ি।রঙ্গ বেরঙ্গের সবকিছু ই ,ভোগ করেছি মোরা।প্রার্থনা ও নৈশভোজ…

  • মৌ মৌ গন্দ

    দূরের অতিথিরা সাজগুজ করে,নিমন্ত্রণে একত্রে এসেছেন পরে।সকলে মোরা এক সাথে বসলাম,অনেক স্বাদের কত কিছু খেলাম।সব কিছু আর লেখা যায়না ছন্দে,চতুর্দিক বিস্তৃত হল মৌ মৌ গন্দে।পানাহার করে কতই স্বাদ পেলাম,পরে আমরা গল্প গুজবে গেলাম।পাড়া পড়শী সহ কত লোক জন,বন্ধু বান্ধব আরো অনেক সু জন।জড়া-জড়ি ও কোলা-কুলি করে,আনন্দ খুশিতে অনুষ্ঠানটি ভরে।আতিথিয়-তায় সকল যে মশগুল,ছিলনা যেথায়ও অন্য শোরগোল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *