ইশতেহার

চেতনা যাদের অসম্প্রদায়ীক
নিত্য নৈমিত্তিক জেগে তুলে
বাহাদুরের এমন ইশতেহারে
সকল কিছু যেন গেল ভুলে।

ওই চেতনার ফাঁদে যে পড়েই
হয়ে গেছে অনেকেও ধর্মহীন
ইবলিশ হাসে সবগুলি দেখে
জাহিল খবিসও বাজায় বীণ।

মানবতাবাদীর কাছেও আজ
সবার জানতে ইচ্ছে করে খুব
শতো মুসলমানের করুন হালে
তোমরা থাকিস কেনো রে চুপ?

পৃথিবীর গণতন্ত্রের ধূম্রজালে
এখন যে ধ্বংস মুসলিম জাতি
সে পথটি ধরেই ব্রাদার হুডের
আরোও নিভু নিভু প্রায় বাতি !

সুশীলতারও ছায়াতলে তোর
বলোনা তো কেনো এ ভন্ডামী
লোকে করে যত নষ্টামি আজ
সে জনই হয়ে যায় কেন দামি ?

Similar Posts

  • বড়ো শত্রু !

    মানব জাতি মহান আল্লাহর প্রিয়তম সৃষ্টিমানবের লালনপালনকারী আল্লাহ রব্বুলআলামীনকে ভুলে গেলে পাবেনা সন্তোষ্টি! অস্বীকারে কতো অকৃতজ্ঞ যে হতে পারেসতর্কতা সত্ত্বেও ঈমানদার মানুষের দ্বারাকখনো পাপ সংঘটিত হওয়ার রাস্তা ধরে! মানুষের মধ্যে প্রদান করেছেন ইচ্ছা শক্তিবিবেক দ্বারা নেক কাজ করে এবং সকলপাপ কার্য থেকে বিরত থেকে পাবে মুক্তি! তাকওয়া মানবীয় প্রকৃতি ও সত্তার দিকেযারা চলে ধরার সব…

  • মনুষ্য !

    কত মানুষ নামধারীতারা অমানুষের দলতাদের আছে যতোজোর শক্তি ও বল! ভালো সময়ে তারাযা ঘনিষ্ঠ হয়ে চলেস্বার্থ সিদ্ধির জন্যেরসের কথাও বলে! ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকেসহজ প্রকৃতির যারাধান্দাতে পড়ে সর্বস্বহারিয়ে ফেলে তারা! দুষ্টদের মিষ্ট আচরণেকেউ মুগ্ধ হয়ে গেলেঅবশেষে তার ভাগ্যেকতো দুঃখ কষ্ট মিলে!

  • অলি-আউলিয়ার বাংলাদেশ

     হযরত শাহজালাল ইয়েমানী (রা:) ৩৬০ জন আউলিয়া নিয়ে সিলেটে  এসেছিলেন ওলিকুল শিরোমণি। সুলতানুল বাঙ্গাল ও ছিলেন তিনি হযরত শাহজালাল মুজাররাদ  ইয়েমানী (রা:) বিখ্যাত পীরই যিনি। তাঁর মাধ্যমেই ইসলামের প্রসার ঘটে বোরহান উদ্দিন (রাঃ) এর ওপর গৌড় গোবিন্দের কত অত্যাচার ছিল বটে।  সিলেট ৩৬০ আউলিয়ার সুন্দর দেশ  পুণ্যভূমি অভিধায়ও অভিহিত করে  যার প্রমাণ রয়েছে কতই যেন…

  • মোবাইল ফোন

    মোবাইল ফোন ব্যবহার কারীর কত বেড়েহার্ট অ্যাটাকের আশংকা রক্তচাপ মেজাজখিটখিটে হয়ে ক্ষুধা ও দূরে পালায় তেড়ে। মোবাইল ফোন ব্যবহারে সব শিশুদের জন্যস্ক্রিনের রেডিয়েশন মারাত্মক ক্ষতিকর আরমস্তিষ্ক বিকাশ ব্যাহত করারও ইহা এক পণ্য। ” আজকের শিশু আগামীর ভবিষ্যৎ ” বলেশিক্ষার্থীরা ও মোবাইল ফোনে আসক্ত হলেতাদের ভবিষ্যৎ যেন অন্ধকারে যাবে চলে। আবশ্যক তাই কিছু পদক্ষেপ ও গ্রহণ…

  • ধোঁয়াশাচ্ছন্ন

    খোদা পৃথিবীর উপর পাহাড় রেখেছেন যত,সৃষ্টি করেছেন টিলা আরো পর্বত মালা কত।জমিতে ফসলাদির বরকত আমাদের তরে,ভোজনের আর পানীয় কত গাছ বৃক্ষে ধরে।ভূগর্ভে সুষম রূপে খাদ্য অসীম মজুদ রাখা,গাছ গাছালী তরুলতার আছে কতই শাখা।আকাশ মণ্ডল প্রথমেই ছিল ধোঁয়াশাচ্ছন্ন,বর্ষাকাল এবং বৃষ্টির দিনে থাকে মেঘাচ্ছন্ন।সপ্তাকাশ আরো পৃথিবী পুঞ্জীভূত হয়েছিল,আল্লাহ তায়ালা এ দু’টির পরে সূচনা দিল।চড়াই-উতরাই পেরিয়ে বিজ্ঞান ক্লান্ত…

  • অশ্রু সিক্ত

    কত কি আর বলিরাস্তায় তখন চলি।লোকে লোকারণ্যআওয়াজ অনন্য!দেখি একটি লোকতার অনেক দুঃখ!বলে আরও কাঁদেপড়েছিল সে ফাঁদে!যখন ছিল দাঁড়িয়েটাকা নিল কাড়িয়ে।সে তখন বাদ সাধেঝামেলা কত বাধে!ওরা তাকে যে ধরেসবাই অধিক মারে।সে করল টানাটানিসকলে গেল জানি।জনগন দৌড়ে যায়ওদেরকে নাহি পায়।মাটিতে তখন পড়েচোখের পানি ঝরে!সকলে শান্তনা দেয়তুলে তার ঘরে নেয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *