“ ঈদ মোবারাক ”
নবীন চাঁদের আগমনে
জাগল সাড়া সব মনে।
আসল ঈদ পবিত্র দিনে
কষ্ট বেদনা ভুলে প্রাণে।
ভোগ করো ইদের দিনে
নিমন্ত্রণ সকলের তরে।
পারলে এসো মোর ঘরে
সবার সাথে যাবো পরে।
বিশ্ব ভ্রম্মান্ডে জীব জন্তু যতোখোদা তায়ালা সকলের জন্যেখাবার প্রদান করে যান ততো। অপরিসীম মেহেরবানী করেনতাঁর অনুগ্রহের ফলে অবিরামসুখ শান্তি সবার ভাগ্যে সারেন। ভাগ্যে কি পারেনি কেহ বলতেসফলতা লাভ করে নেয় তারাঠিক নিয়মে পারে যারা চলতে। প্রকৃতিতে যতো স্বগতিতে চলেচন্দ্র সূর্য তারা গ্রহ নক্ষত্র এসবউপকার করে যা সহজে মিলে। পরম করুণাময়ের দয়াও পাইতাঁর বন্দেগী করে গেলে…
কি দিব উপাধি চিন্তায় আছি কতজগন্য চলাচল ও ধোকাবাজ শত।তার কথা বার্তায় বুঝায় কি যে সৎবাইরে দেখায় সাফ উদ্দেশ্য অসৎ।তার রুপ হাবা গোবা সে যে বোকাসরল যারা তাদের দেয়তো ধোকা।আচার আচরণ মিষ্টি ভিতর বাঁকাটকানোতে রয় যেন কত সে পাকা।ধান্দা আর ধোকাবাজে যা ধূর্ত হয়ধরা খেলে মুক্তি পায় সে দোষী নয়।পৃথিবীতে টগ আর যত ধান্দাবাজসরল ও…
দু:খ দুর্ভোগের সংসার যারজ্বালা যন্ত্রণাতে কত ভোগেশতো কষ্টের জীবনটি তার। সকাল দুপুর বিকেল বেলাঅধিক পরিশ্রম করে আরকাজে কর্মে নেই অবহেলা। কখনোই করেনা হেলাফেলাআয়ের ধান্দায় রয় কিভাবেসে তাড়াবে অভাবের জ্বালা! কঠিন পরিশ্রমে অভ্যস্ত যারাসত্য আরো নিষ্ঠাবান হলে ইআল্লার দয়ায় সুখী হয় তারা! খোদার কৃপাতে কতো রহমতউপাসনা আরাধনায় লাভ হয়আর্থিক মানষিক সব বরকত!
সবে প্রতিদিন খাবারের নামে অখাদ্য-কুখাদ্য খাইমৃত্যুর দিকেতে একপা দু’পা করে ধাবিত হয়ে যাই। কেহোও বলে না তো মানুষ চিরদিন বেঁচে থাকবেযার যতো হায়াত রেখেছেন ততো দিন সে টিকবে। সৃষ্টিকর্তা মহান আল্লাহতায়ালা নির্ধারণের মালিকধরণীর বুকে যা কিছু বিদ্যমান সব কিছুর খালিক! খালিক আরো মালিক পাক পরওয়ারদিগার যিনিসৃষ্টিকুলে যা আছে সবার খাবার দান করেন তিনি! আমরা আশরাফুল…
সামাজিক কথা এলে কোন বিষয়ের শুনা যায়সাদা সিধে মিথ্যার অস্তিত্ব থাকতে পারে কিংবাঅন্তত কিছু নির্দোষ মিথ্যা যা সবে দেখতে পায়। যদিও আমরা মিথ্যা ধরে ফেলতে খুব দক্ষ নয়তারপরও কিছু সহজ উপায় আছে যা কোনটিমিথ্যা সহজে বুঝতে সাহায্য করার সুযোগ রয়। মানুষের ও প্রাণী জগতের মধ্যে বিদ্যমান যতোঅসদাচরণের পেছনে কি কারণ অনুসন্ধানেরজন্য গবেষণা শুরু করেন জীব…
আজি হতে বছর আগেশুরু হয় মোর কবিতা ওContent লেখা খোদারকৃপায় যত আছে ভাগে। লিখেই যাচ্ছি অনবরতশিশু কিশোর ছোট বড়যুবক যুবতীদের প্রসঙ্গেপ্রতিদিন যতো অবিরত। ভালো খারাপ আর মন্দসুন্দর ও অসুন্দর কত কিঅসংখ্য উদ্দেশ্যেই লিখেথাকি আনন্দ বা নিরানন্দ। বাটপার যত ধোকাবাজচিটার আরো ধান্দাবাজতারাও গড়ে যায় সমাজথাকে বড় সুর আওয়াজ। নীরব সহজ আর সরলকথা বার্তা চলাফেরাতেকরে তারাই নমনীয়ভাবসহজে…