উচাটন !

তোমার সুখ ও সাচ্ছন্দ্য কই
সকাল দুপুর বিকেল সন্ধায়
দল বেঁধে ছিল হৈ হৈ রৈ রৈ!

হয়ে গেছে কতো বিষন্ন মন
আনন্দ আর উল্লাসহীন তন
প্রাণে চলছে অধিক উচাটন!

কখন কার ললাটে কি ঘটে
কেবলমাত্র বিশ্ব নিয়ন্তা সব
জানেন শেষে কি বা জোটে!

ঐশ্বর্য বিত্তের যতো না বড়াই
ধ্বংস হতেও পারে ক্রমান্বয়ে
এজন্য করোনা চড়াই উৎরাই !

Similar Posts

  • কতো লোভী তারা

    দেশে অনেক লোক সুবিধা ভোগ করেপৃথিবীর কোনো দেশ তাদের জন্য এতনা পেলে শুধুই চাই চাই শব্দ নাহি ধরে। এক প্রজাতি ওরা হলো তৃপ্তি নাহি পায়খেয়ে কিছু আরোও খেতে চায় সর্বদাকেবল খেয়েও বলে মোটেই নাহি খায়। সরটুকু দুধের ওপর থেকে ই খেয়ে নেয়এমন বদ-অভ্যাস খেয়ে খেয়ে হয়ে যায়যাই দেখে তাই তাদেরকে যেন সব দেয়। নুলো ডুবিয়েও…

  • মিথ্যার অস্তিত্ব

    সামাজিক কথা এলে কোন বিষয়ের শুনা যায়সাদা সিধে মিথ্যার অস্তিত্ব থাকতে পারে কিংবাঅন্তত কিছু নির্দোষ মিথ্যা যা সবে দেখতে পায়। যদিও আমরা মিথ্যা ধরে ফেলতে খুব দক্ষ নয়তারপরও কিছু সহজ উপায় আছে যা কোনটিমিথ্যা সহজে বুঝতে সাহায্য করার সুযোগ রয়। মানুষের ও প্রাণী জগতের মধ্যে বিদ্যমান যতোঅসদাচরণের পেছনে কি কারণ অনুসন্ধানেরজন্য গবেষণা শুরু করেন জীব…

  • চরিত্র

    ধরণীতে যতো রয়েছে কুজননুনের মতো কতই তীতকুটেজ্ঞান দেয় যেন তারাই সুজন ! নানা রুপের মানুষের চরিত্রসুযোগে তারা ঢেঁকুর তোলেবলে বন্ধু তারাই কত পবিত্র ! তাদের চতুর অভিসন্ধির ভয়মিষ্টি কথার আড়ালে থাকেচেহারায় কোন প্রকাশ না রয় ! এক অদৃশ্য বস্তু চরিত্র সেইবসবাসরত হিয়ার মাঝে ইআত্বায় লুকিয়ে আছে যেই। কখনও নুনে ধরেনি পোকাযার প্রমাণ ইতিহাস আছেমানবরাই সর্বদা…

  • গ্রীষ্মের খরতাপ

    চোখ ধাঁধিয়ে দেয় রোদ ঝলমল,তাপে পুড়িয়ে পড়ে ঘাম টলমল।অসয্য গরমে জনপদ আর ঘাট,বেশী গরম আছে খেলারও মাঠ।গ্রীষ্মের খর তাপে অতিষ্ঠ লোক,গরমের উষ্মতার বেদনাও দুঃখ।একদিকে কঠিন তাপেরই জ্বালা,লোড শেডিংয়ের আরো কত খেলা।একটু পর পর যায় আসে বিদ্যুৎ,কে বলে কার কাছে তাদের দুঃখ।সকল স্থানে সর্বোচ্চ গরমের তাপ,মাঠে যত আছে বলে পাব কি মাফ।দীর্ঘ দিন পর্যন্ত খরতাপ কত…

  • সুরমা নদী

    ভারতের বরাক সুরমা নদীর উৎপত্তির স্থল,যেথায় বর্ষায় ভরপুর থাকে কত গভীর জল।প্রবাহিত হয়ে সিলেট নেত্রকোনা সুনামগঞ্জ,মেঘনায় মিশেছে পাশ দিয়ে কিশোরগঞ্জ।বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান সুরমা নদী,প্রবেশ করে কুশিয়ারায় বিভক্ত অদ্যাবধি।শীতে নাব্যতা সংকট দেখা দেয় সেই নদী,পলির চরের বালু তুলে শ্রমিকরা নিরবধিনদীটি শীত মৌসুমে পরিণত হয় মরাগাঙে,পানি নীচে থাকে তখন নদীর গভীর তুঙ্গে।যে নদী দিয়ে লঞ্চ জাহাজ চলতো…

  • বসন্তের হৃদস্পন্দন

    প্রাণের দুরন্ত আবেগই শুধু নয়প্রেমে ও দ্রোহে-প্রতিবাদে আরউত্তাল বসন্তের হৃদস্পন্দন হয়। সৌন্দর্যময় প্রকৃতির রূপতরঙ্গমোহনীয় কত মায়াবীরুপ যারছড়িয়ে ছিটিয়ে রয় পুরো বঙ্গ। কুঞ্জবন অরণ্যে যৌবনের বানগাছে গাছে ডাল থেকে ডালেউড়ে পাখি গায় সুরেলা গান। পতংগের আনাগোনা সব স্থানেসুর লহরি কল কাকলি মৃদুমন্দবাতাস আরো বয়ে কতই আনে। চতুর্দিকে কোকিলের কলতানেকুহু কুহু রবে মুখরিত সর্বস্থানেভোগ করা যায় বসে…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *