কৃষকদের কষ্ট

কত মাঠ ঘাট জমি জমা খাল বিল পেরিয়ে
মানুষ ভোরে গরু বাছুর নিয়ে যায় বেরিয়ে।
কেউ গরু হাঁকিয়ে ওদের পিছে পিছে চলে
অনেকে লাঙ্গল কাঁধে নিয়ে কত গল্প বলে।
কতেক আবার সাবধানে সাথেতে নেয় মঈ
বেশ কিচ্ছা কাহিনী আরোও বলে যত পই।
গরু গুলো চলার পথে এদিক ওদিক যায়
ঘাস ধানের চারাগাছ আরো কত কি খায়।
লোকজন গরু দেরকে হাঁকে আর তাড়ায়
ছড়ি দ্বারা করে আঘাত আর আগে বাড়ায়।
সকল তারা গন্তব্য স্থানে পৌঁছে আর দাঁড়ায়
জমিতে চাষাবাদে লেগে ছড়ি গুলি কুড়ায়।
গরু হাঁকায় আর গান অনেক সুর ধরে গায়
খুশিতে চাষাবাদ করে আরোও শান্তি পায়।
সুর দিয়ে গান গায় আর বিড়ি ধরিয়ে নেয়
হাতে লাঙ্গল ধরে বিড়ি একে অন্যকে দেয়।
চাষাবাদ হলে শেষ গরু জমি থেকে উঠায়
লাঙ্গল মঈ ছড়ি দড়ি সব ই তারা গোছায়।
গরু দেরকে ধোয়ায় আর ছেড়ে দেয় মাঠে
ঘাস লতা পাতা খায় পানি পান করে তটে।
গরু নিয়ে বাড়িতে বিকেলে রওয়ানা দেয়
সেথায় পৌঁছে পানাহার করে বিশ্রাম নেয়।

Similar Posts

  • কান্নার রোল

    এতিম অসহায় একটি ছেলেস্কুল ছুটির পর এক দেয়ালেরপাশে কান্না করে হেলে দুলে। বিদ্যালয় থেকে সব বের হয়েআনন্দ উল্লাসে ও হৈচৈ করেদৌড়ে ব্যস্ত সাথে ব্যাগ লয়ে। ঐ ছেলেটি কত হতাসায় পড়েকেউ আসেনিতো ওকে নিতেকান্নার রোল আরো তার বাড়ে! সব ছাত্র ছাত্রীরই এসেছে লোকঅনাথ হতভাগার কেউ আসেনিইহা দেখে তার বেড়ে যায় দুঃখ! তাকে জিজ্ঞেস করলে সে বলেছোট…

  • তুমি মেহেরবান !

    সকলে চলো ধৈর্য্য ধরেআল্লাহকে স্মরণ করে! খোদার পথে যারা চলেসর্বস্থানেও শান্তি মিলে! অভাব অনটন দূর হয়পরিবারে যা শান্তি রয়! সৃষ্টিকর্তার করুনা কতমুক্তি পায় অসংখ্য যত। আমরা সর্বশ্রেষ্ঠ জাতিকল্যাণের হবোই সাথী! ইহ পরকালে মুক্তি চাইখোদার কৃপা যেন পাই! তিনি কতো মেহেরবানহাশরে পাইযে পরিত্রাণ!

  • প্রাক্তন

    রাস্তা ঘাটে গরুর গাড়ি,জমি জমায় হাল।বর্ষায় চলে রংবেরঙের,ডিঙি নৌকার পাল।আগের যুগের মাটির কলস,মাটির কলসির জল।ঘরের শোভা রঙিন শিখা,কই যে গেল বল!শকুনদেরে যায় না দেখা ,বিরল দেখি কাক!রাতের বেলা শিয়ালদের,যথায় তথায় ডাক।পুরাতন শিল আর পাটা,কষ্টের ভাটা ঝাল।এখন নাই কাঠের ঢেঁকি,ঢেঁকির ছাঁটা চাল।প্রাচীন কালের পালকি চলার,নাই রে কোন সুর।ঠেলার গাড়ি হারিয়ে গেল,হায়রে! গেল যে কত দূর।না ঘুমিয়ে…

  • খাদ্য সংরক্ষণ আছে

    বেঁচে থাকার জন্যই খাদ্য খেতে হয়মহান খোদাতায়ালা সব মানুষ সৃষ্টিকরার আগে তাদের জন্যে খাদ্যেরযোগান ঠিক করে রেখেছেন জলেস্থলে কত অবস্থায় যা সংরক্ষণ রয়! সর্বস্থানে কত খাদ্যের ব্যবস্থা আছেসৃষ্টির জন্য যত এক শ্রেণির অসাধুব্যবসায়ীরা প্রাকৃতিক এসব খাদ্যেভেজাল মিশিয়ে মানুষের অনিষ্ট ইকরছে যারও দৃষ্টান্ত পাওয়া গেছে! স্বজনদের ও নিজেদের ক্ষতি হচ্ছেতাদের ভেজাল খাদ্য খেয়েই তবুওসামান্য কিছু বাড়তি…

  • আজব কৌশল

    আল্লাহর নিপুন সৃষ্টি ও আজব কৌশল,কখনো পারবে না কোন জ্ঞানী প্রকৌশল।জগতের বিচিত্র প্রাণিকুল এবং মানুষ,অজস্র অসংখ্য তারা যাদের আছে হুশ।আল্লাহর অপূর্ব সৃষ্টির মানুষ সব সেরা,সমস্ত জগতেই ছড়িয়ে আছেন যারা।চতুষ্পদ জন্তু যতই সৃষ্টি করেছেন যিনি,মোদের বাহনও ভক্ষণে দিয়েছেন তিনি।বনি ইসরাঈলের জন্য শনিবার দিন ছিল,পবিত্র উপাসনার জন্যই নির্ধারিত হলো।মৎস্য শিকার তাদের ছিল ঐ দিন হারাম,মাছ না ধরে…

  • দূর্নীতি

    মানুষ কেনো এমন করেদুর্নীতি ও ধোকাবাজেরমাত্রা অধিক বাড়ছে যাএ পৃথিবীটি গেছে ভরে! দুষ্ট প্রকৃতির লোক তারাসকাল সন্ধ্যায় ব্যতিব্যস্তথাকে আর খপ্পরে ফেলেসহজ সরল মানুষ যারা! ক্ষণস্থায়ী পৃথিবীতে এসেরিপুর তাড়নাতে অসংখ্যঅগনিত কতো যে মানুষজামেলাতে গেছে মিশে! ওদের মধ্যে আরো আছেযারা প্রতিনিয়ত অন্যদেরক্ষতির কাজে কতো ব্যস্তশেষে তারাও চলে গেছে! এ জগৎ ছেড়ে যেতে হবেপৃথিবীর সবাই ভুলে যাবেশুধু মাত্র…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *