টেস্টো-স্টেরন এর ডায়েট চার্ট কেমন হওয়া উচিৎ
টেস্টো-স্টরন হরমোন-এর ঘাটতি কমাতে কিংবা,
টেস্টো-স্টের-নের মাত্রা ঠিক রাখতে একটি নির্দিষ্ট,
ডায়েট-চার্ট মেনে চলতে হয়। ডায়েট চার্টটি তুলে ধরা হলো-
নিয়মিত ব্যায়াম করা,
ডায়েটে প্রোটিন, ফ্যাট এবং কার্বো-হাইড্রেট এর ভার-সাম্য ঠিক রাখা,
ভিটামিন ডি এর মাত্রা ঠিক রাখা,
স্ট্রেসের পরিমাণ কমানো,
নিয়মিত ৭-৮ ঘন্টা ঘুমানো,
এই ডায়েট-চার্ট মেনে চললে টেস্টো-স্টেরন কমার ঝুঁকি অনে-কাংশে কমে যায়।
টেস্টো-স্টেরন বৃদ্ধিতে ব্যয়ামের গুরুত্ব আছে কি?
সব সময় শুয়ে বসে থেকে অলস সময় পার করলে টেস্টো-স্টের-নের ঘাটতি হয়।
টেস্টো-স্টের-নের ঘাটতি কমাতে তাই শারীরিক কস-রতের (ব্যায়ামের) বিকল্প নেই।
শরীরকে ফিট রাখতেও ব্যায়াম অতীব জরুরি।
তাই শরীর ফিট রাখতে এবং টেস্টো-
স্টের-নের,
মাত্রা ঠিক রাখতে নিয়মতি ব্যায়াম করতে হবে।
পুরুষ-ত্বের স্থায়িত্ব সব পুরুষই চায়। কিন্তু বিশেষ কিছু কারণে,
পুরুষের যৌন উত্তেজনা মূলক হরমোন টেস্টো-স্টেরন কমতে থাকে।
টেস্টো-স্টেরন হরমোনের মাত্রা ঠিক রাখতে বিভিন্ন নিয়ম-রীতি মেনে চলতে হয়।
যার মধ্যে নিয়মিত ব্যায়াম করা, খাদ্যাভাসে সচেতনতা,
ইত্যাদি মেনে চললে টেস্টো-স্টের-নের ঘাটতি থেকে রেহাই পাওয়া যায়।
টেস্টো-স্টের-নের মাত্রা অধিক হারে কমে গেলে,
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরী।
পুরুষের দেহে টেস্টো-স্টেরন অতি-রিক্ত বেড়ে বা কমে গেলে কী হয়?
টেস্টো-স্টেরন নামটির সঙ্গে প্রায় আমরা সবাই পরিচিত।
এটিকে মেল সেক্স হরমোন বলা হয়। এই হরমোনটি,
স্টেরয়েড জাতীয় হরমোন যা প্রধানতঃ কোলে-স্টেরল থেকে,
সংশ্লেষিত হয়ে তৈরি হয়। টেস্টো-স্টেরন হরমোন প্রধানতঃ,
পুরুষ জনন-তন্ত্রের উন্নয়নে ভূমিকা পালন করে থাকে।
তবে এটি হাড়ের ঘনত্ব ও মুড নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
এসব কথা সম্পর্কে মোটা মুটি সম্যক ধারণা হয়তো সবারই আছে।
তবে আমাদের অনেকেরই প্রশ্ন থাকে যদি টেস্টো-স্টের-নের পরিমাণ,
পুরুষের দেহে অতিরিক্ত বেশি অথবা কম হয়ে যায়,
হার্ভার্ড মেডিকেল স্কুলের তথ্য মতে পুরুষের দেহের,
টেস্টো-স্টের-নের পরিমাণ অতিরিক্ত বেড়ে গেলে-
শুক্রাণুর সংখ্যা কমে যায়, শুক্রাশয় শুকিয়ে যায় ও যৌন অক্ষমতা বেড়ে যায়।
হৃদ যন্ত্রের পেশি ক্ষতি গ্রস্ত হয়ে হৃদ রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।
প্রোস্টেট অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি পেতে পারে এবং প্রস্রাবের সমস্যা দেখা দিতে পারে।
যকৃতের সমস্যা দেখা যায়।
পায়ে পানি জমতে পারে ও পা ফুলে যেতে পারে।
শারীরিক ওজন অনেক ক্ষেত্রে বৃদ্ধি পায়।
উচ্চ রক্ত চাপে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়,
এবং রক্তে কোলে-স্টের-লের মাত্রা বেড়ে যায়।
প্রতিনিয়ত ঘুমের পরিমাণ কমে যায় এবং মাথা ব্যথার পরিমাণ বেড়ে যায়।
কিশোর-কিশোরী-দের ক্ষেত্রে খাটো হওয়ার প্রবণতা বেড়ে যায়।
আচরণ গত বিভিন্ন ত্রুটি পরিলক্ষিত হয়
যেমন –
হঠাৎ রেগে যাওয়া বা সব সময় নিশ্চুপ হয়ে থাকা।
কারো দেহে টেস্টো-স্টেরন হরমোনের পরিমাণ বেড়ে গেলে,
উপরোক্ত সমস্যা গুলির যে কোনোটি দেখা দিতে পারে।
তবে কারো দেহে টেস্টো-স্টেরন-এর পরিমাণ কমে গেলে কী হতে পারে?
সাম্প্রতিক বছর গুলোতে পুরুষের দেহে টেস্টো-স্টেরন,
এর ঘাটতি নিয়ে নানান ধরনের গবেষণা হচ্ছে।
গবেষণায় দেখা গেছে, বয়স বাড়ার সাথে সাথে পুরুষের দেহে,
অন্ততঃ পক্ষে প্রতি বছর এক থেকে দুই শতাংশ,
টেস্টো-স্টেরনের পরিমাণ কমতে থাকে। এভাবে টেস্টো-স্টেরন কমতে থাকলে,
যেসব সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন সেগুলো হলো –
দেহ ত্বকের লোম সংখ্যা কমে যেতে পারে,
পেশির ঘনত্ব কমে যেতে পারে। অক্ষমতা, ইনফা-র্টিলিটি কিংবা,
শুক্রাণু সংখ্যা কমে যাওয়ার মতো বিভিন্ন ধরনের,
সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে সব কিছুতেই অমনো যোগী হয়ে ওঠা,
ও মানসিক অবসাদের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে,
হাড়ের ভঙ্গুরতা বৃদ্ধি পেয়ে হাড় ভেঙে যাওয়া বা,
ফ্রাকচার হওয়ার মতো পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে।
সুতরাং, অতিরিক্ত বেশি টেস্টো-স্টেরন অথবা খুব কম,
টেস্টে-স্টেরন আমাদের দেহের জন্য উপযোগী নয়।
অর্থাৎ, আমাদের দেহের প্রয়োজনীয় পরিমাণ,
টেস্টে-স্টেরন সংশ্লেষিত হলেই কেবল মাত্র আমরা সুস্থ থাকব।
সাধারণতঃ বয়স ৩৫ হওয়ার পর থেকে টেস্টো-স্টেরন কমতে শুরু করে।
তখন মধু, বাঁধাকপি, ডিম, রসুন, আঙুর, কাঠ বাদাম, কলা,
টক ফল, ডালিম খেলে সে সমস্যা অনেকটা কাটিয়ে ওঠা যায়।