দূর কর যত দু:খ !

কতো মানুষ পথে – ঘাটে রয়
অভাব-অনটন ক্লেশ দুর্ভোগ
নিপিড়ন নির্যাতন যতো সয়।

তাদের নির্ধারিত আবাস নাই
আরো চিন্তায় থাকে কোথায়
খাবার জোগাড় করতে যাই।

দিন রাত পেটের ধান্দা করে
রাত পোহালে খাদ্য জোগাড়
করতে হন্যে হয়ে তারা ঘুরে।

শতো পেরেশানিতে ঘাম ঝরে
কোন দিন কাজের বিনিময়ে
আয় করে সদায় নিয়ে ফিরে।

আল্লাহ পাক প্রদান করেন সুখ
তাঁর অসীম দয়ার ফলে যেনো
তাদের দূর করে দেন যত দু:খ!

Similar Posts

  • ভূগর্ভ

                যে গ্রহে বসবাস সকলে আমরা করি,      কোরআনের ভাষ্যে পৃথিবী বলে ধরি।     ধর্ম গ্রন্থে আছে বেশ তথ্য ভাণ্ডার কত,     অনুসন্ধান করতে সব জড়ো হয় যত।      বিজ্ঞান  ক্লান্ত হয়েছে অবশেষে যখন,      পূর্বের ঘোষণা প্রকাশ আল্লাহর তখন।      সপ্তাকাশ এবং পৃথিবী পুঞ্জীভূত ছিল,      বিস্ফোরণে মহান স্রষ্টা সূচনা যে দিল।    পাঁচশত বছর আগে স্পষ্ট করেছেন তাঁর,     মহাগ্রন্থে এসব  প্রকাশ…

  • পরিবর্ধন

    অসহায়ত্বের অনুভূতি মানসিক ভাবে পীড়া দেয়এই অনুভূতি সবার মধ্যে থেকে সমস্ত ইতিবাচকচিন্তাধারাকে একটি মুহুর্তে শত অবশ করে নেয়। একজন অসহায়কে সাহায্য করলে ক্ষতির নয়সাহায্যের ফলে ধন সম্পদ বা মানসিকভাবে যেকোনো ব্যক্তি সর্বস্বান্ত আর বিপর্যস্ত হয়ে না রয়। অসহায়কে হেল্প করলে অসচ্ছলতায় নাহি ধরেহয়তো সবার একটু আধটু সাহায্য করার জন্যেএকজন অসহায়ের অবস্থাই বদলে যেতে পারে। আমাদের…

  • আমাবস্যা

    আমাবস্যারা ঘনো কালো রাতেতাদেরও মনের দরোজা খোলেতখনো যতো ব্যাথারো পেয়ালাদুঃখ ও অশ্রুজলে লেগে থাকে। চিলে কোঠায় আমি একা থাকিসর্বস্থান হয়ে যায় একদম ফাঁকামধ্যরাতে ঝিঁঝিঁ পোকার শব্দেওসময় চলে কত কি থাকে বাকী। টিক টিক করে যখন ঘড়ি চলেতখনতো আমি একা জেগে রইহারানো যতো স্মৃতিগুলি খোঁজেব্যর্থ হয়ে হিসাবেরই খাতা মেলে। শূন্যতা আমায় কুড়ে কুড়ে খায়অন্তরংগ একটা বন্ধু…

  • ভুকা-ফাঁকা থাকে !

    এক অসহায় ছেলে দেখে দু:খ হয়তার জীবন ভরে যতো অশান্তি বয়দু:খ দুর্দশাতে সর্বদা জর্জরিত রয়দুর্ভোগ দুর্গতির কত জ্বালাতন সয়তার মা বাবা কেউতো জীবিত নয়! অন্যহীন বস্ত্রহীনতো দীনহীন কতোঅনেক দিন ভুকাফাঁকা থাকে যতোমা বাবা মৃত্যুর হয়েছে বহু দিন গততাঁরা জীবিত থাকলে যত খুশি হতকষ্ট অশান্তি দূরে তার থাকতো শত! জীর্ণ বস্ত্র ও শীর্ণ গাত্র ক্ষুধার বেশেদু:খ…

  • দ্রব্যমূল্যের ক্রমাগত বৃদ্ধি

    ভর করেছে সাধারণ মানুষের অর্থের অভাবপ্রয়োজনীয় যত খাদ্যদ্রব্য সামনে থাকলেওপকেটের দিকেতো তাকিয়ে শুধু দেখে যেতেহচ্ছে এতে ক্রমশ নষ্ট হচ্ছে মানুষের স্বভাব। আজকের দিনে উন্নয়নের দিকে দেশ যাচ্ছেবহুসংখ্যক মানুষই অপর্যাপ্ত আয়ের অন্তর্ভুক্তবর্তমান বাজারে দ্রব্যমূল্যের ক্রমাগত বৃদ্ধিতেনিম্ন আয়ের মানুষেরাও হিমশিম খেতে হচ্ছে। ক্রমশই সমস্ত মানুষের ঘনিয়ে আসছে দুর্দিননিত্যদিনের অতি প্রয়োজনীয় জিনিস পত্রেরমূল্য লাগামহীনতার কারণে অস্থিতিশীলতায়ভোগছে লোকজন আসবে…

  • বিনিদ্র রজনী !

    সবচেয়ে অধিক মহব্বত যারপৃথিবীতে যতো মানুষ রয়েছেঅতিরিক্ত থাকে নিজের মা’র। যদিবা কোন শিশু অসুখ হলেখাওয়া দাওয়া সবই বন্ধ করেবিনিদ্র কতো পেরেশানি চলে। এত আদর সোহাগ করে যায়অধিক সেবা শুশ্রূষাতে শিশুরদু:খ দুর্ভোগ সেরে শান্তি পায়। সব সময় মায়ের দোয়ার ফলেআল্লাহ তায়ালা অসংখ্য দুর্গতিনিবারণ করলেই প্রশান্তি মিলে। তাসবিহ পড়েন নামাজের পরেকাকুতি মিনতি সন্তানের জন্যেযা কান্নাকাটি করেন জুরে…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *