দ্রব্যমূল্যের ক্রমাগত বৃদ্ধি

ভর করেছে সাধারণ মানুষের অর্থের অভাব
প্রয়োজনীয় যত খাদ্যদ্রব্য সামনে থাকলেও
পকেটের দিকেতো তাকিয়ে শুধু দেখে যেতে
হচ্ছে এতে ক্রমশ নষ্ট হচ্ছে মানুষের স্বভাব।

আজকের দিনে উন্নয়নের দিকে দেশ যাচ্ছে
বহুসংখ্যক মানুষই অপর্যাপ্ত আয়ের অন্তর্ভুক্ত
বর্তমান বাজারে দ্রব্যমূল্যের ক্রমাগত বৃদ্ধিতে
নিম্ন আয়ের মানুষেরাও হিমশিম খেতে হচ্ছে।

ক্রমশই সমস্ত মানুষের ঘনিয়ে আসছে দুর্দিন
নিত্যদিনের অতি প্রয়োজনীয় জিনিস পত্রের
মূল্য লাগামহীনতার কারণে অস্থিতিশীলতায়
ভোগছে লোকজন আসবে যেন কবে সুদিন।

উচ্চশ্রেণির মানুষের কাছে বাধাহীন মনে হয়
নিম্ন আয়ের মানুষের কাছে একদম বিপরীত
জিনিসপত্রের দাম বৃদ্ধির ফলে দেয়ালে পিঠ
ঠেকে গেছে জগতে গরীবসব অশান্তিতে রয়।

Similar Posts

  • সে অসুস্থ !

    সামান্য লিখে যাইমোর ছোট নাতনিঅসুস্থ হয়েছে তাইঅন্তরে শান্তি নাই! ওর হলো সর্দি জ্বরশরীরে সুখ আরামআয়েশ প্রশান্তি নাইথমকেছে কণ্ঠ স্বর! আরো আছে কাশিকখনো কমে আবারবাড়ে অশান্তি লেগেবেশী নেই হাসি খুশী! আমরা প্রার্থনা করিনাতনীর সুস্থতা দানকরার জন্যে একত্রেসবে আল্লাকে স্মরি!

  • কতো অহংকার

    ঘরবন্দি হলে বাতাসেরা বন্ধ হয় দমপকেট-ভর্তি সূর্য-রোদে মেতে ওঠেইপঞ্চাশের পৌঢ় হলেই শক্তি রয় কম। কতো জনের অহংকারে তোলে ঢেউসুখের ঢোক যেন গিলে যাচ্ছো যতোনদী ভর্তি জল কারুকাজে নেই কেউ। জলেরা চোখের কাজল লেপ্টে দেয়কেহ ফেসবুকে আক্রান্ত হতে চায়নিট্যাগের যন্ত্রণাতেই আলো কমে নেয়। একদিন সুরমার জলকে বলেছিলোতীরের বাতাসে আরো ধনী হতে চায়অহংকারগুলো ছাদ তুল্য হয়ে গেল।…

  • যতো ব্যথা

    নাতনী দু’টির তরেমোর প্রাণ কতোইযে কাদে আমি ইহাবুঝাব কেমন করে। অবশ্য বড়টি পাশেআছে ছোট নাতনীআমার এক বৎসরযাবৎ আছে প্রবাসে। তার সাথে যত কথাপ্রত্যেক দিনেই চলেকখনো যদি না বলেবৃদ্ধি পায় বুকে ব্যথা। তার আপুকে ডাকেপরে কথা অনেক্ষণএকে অপরের সাথেএকনিষ্ঠ বলে থাকে। কোন দিন ছোট জনফোনে থেকে খেলতেসে তফাত গেলে তয়আপুর রুক্ষ হয় মন। প্রিয় নাতনিদের দায়সকলের…

  • একমাত্র ছেলে !

    দরিদ্র গরীবের দু:খের নেইতো কোন শেষঅভাব অনটন দুর্ভোগ থাকে তাদের বেশ। জন্ম গরিবের কুলে আজ তাহা মনে পড়েছোটবেলা বাস কর তো একটি কুঁড়েঘরে। জন্ম যাদের একসঙ্গে আমাদের বাংলায়আনন্দে খেলে ও একত্রে বিদ্যালয়ে যায়। অর্ধাহারে দিন কাটে রোগেতে ঔষধ নায়অন্তরের দুর্বলতায় একা থাকা ভাল পায়। ছেলে সন্তান মা বাবার একমাত্র সে ছিলবাঁচবার প্রয়োজনে প্রথম চাকরিতে গেল।…

  • মেহেদি রাঙা হাত

    কোরান-শ্লেট-আর হাতে চকখড়িনিয়েই পাটশালা ও মক্তবের পথেচলেছে শিশুরা চুলে বেনী বেঁধে ইকাঁচা আম পাড়তে কিশোরীরা যেদূরন্ত চড়ে গাছে পায়ে দিয়ে বেড়ি। মেহেদি রাঙা হাতে ই নকসি পিঠাখাঁজ কাটতে কাটতে যে যুবতীরাঘোমটার ফাঁকে চায় প্রণয় চোখেপ্রিয়তমার দিকে যে নারীরা লাছিসুতার পরিয়েছে চরকা ইয়া মোটা। আবর্জনা চিটাধান উড়ানোর কুলোবাতাসের বিপরিতেই ধরেছে ধানেরনকসি কাঁথা সেলাইয়েরও পেতেছেপাটি উঠানে সারি…

  • অংগ ভংগীই সার

    একটি অবুঝ শিশু রয়েছে যারফুটে বলতে পারেনা সে সবকথাযে দু’ চারটি কথা তো বলে তাহাএমন আধো আধো ভাঙ্গা ভাঙ্গাঅপরের সাধ্য নাই বুঝতে পারেকেবল মা বাবা বুঝেন মর্ম সার। শিশুটি কতো কথা বলে না ফুটেচক্ষু মুখ ও হাত নাড়া চাড়া মাথাপ্রভৃতির দ্বারা যতো কথা আকারইঙ্গিতে বলে তাঁরা তাহাও বুঝতেপারে অন্যে বুঝতে পারে না যাহামা বাবার স্নেহে…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *