নির্মল
করোনাভাইরাসে আক্রান্ত লকডাউন আছে
নির্মল এবং আরো কয়েকজন ডাক্তার ঝুঁকি
নিয়ে হাসপাতালে সেবা দিয়ে যাচ্ছেন তাঁরা
অসংখ্য রোগী ও সেবা নিচ্ছে তাঁদের কাছে।
হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে দুশ্চিন্তায় নির্মল
এমন আর কখনও জীবনে অনুভব করেনি
ফিরবেনা বাসায় মা – বাবা স্ত্রী ছেলে মেয়ে
সেথায় আরো আছে তাঁর ছোট ভাই বিমল।
নির্মল ভাবতে লাগল যদি কিছু হয়ে যায়
তাঁর জন্য ওদের, একাই মরতে হয় মরব
তবু ও জড়াতে চাই না পথ চলতে চলতে
শুধু চিন্তা কেবল যে তাদের নিরাপত্তা চায়!
আজকে আমি যত যে দূরত্ব বজায় রাখব
কালকে প্রিয়জনকে সে বুকে জড়িয়ে তত
ধরে থাকতে পারবো আগামীতে ও দ্বিগুণ
গতিতেই এগিয়ে যাওয়ার সুযোগে থাকব!
কোথায় যাব ? বাসায় যাওয়ার নেই অবস্থা
হাসপাতাল হোটেল গির্জা-মন্দির-মসজিদ
সবই তো বন্ধ ওই তো গির্জায় সন্ধ্যার ঘণ্টা
শোনছি মনে হচ্ছে হয়ে যাবে থাকার ব্যবস্থা!
কতদিন ওই ঘণ্টার ডাক ও অমান্য করেছি
শুনেও না শোনার পাশ কাটিয়েই গিয়েছি
এত যেন আপন মনে হচ্ছে এই গির্জা স্কুল
হোস্টেলকে আজ কত আপন মনে ধরেছি।
যাই গিয়ে দেখি যীশু করুণাময় যারা ক্রুশে
দিয়ে তাঁকে হত্যা করেছে তিনি যদি ক্ষমা
তাদেরকেই করতে পারেন তাহলে মার্জনা
আমাকে ও করবেন আমি আছি নির্দোষে!