বার্ধক্যের জ্বালা !

কতো মূল্যবান সময় পেরিয়ে যায়
খেয়ালে বেখেয়ালে বা অবহেলায়
শৈশব- কৈশোর-যৌবন ফুরিয়ে ও
বার্ধক্য জমে থাকে যত অবেলায়!

কত সাধ – আহ্লাদ মনের কোনে রয়
ক্রমে অস্পষ্ট হতে হতে অদৃশ্য হয়ে
রঙিন দুনিয়ার যতো তামাশা সমাপ্ত
আর বাঁচার আশাটি নিভে শেষ হয়!

খুব ঘনো কুয়াশার চাদর মুড়ি দিয়ে
দাওয়ায় বসে বসে ঝিমায় দু:খ কষ্ট
শরীরের ভাঁজে তার কখন যে বাসা
বেঁধেছে ক্রমান্বয়ে নিস্তেজ হয় গিয়ে!

বুঝা যায়নি সোনালী অতীতে কিছু
আজ তাই দাওয়ায় বসে বসে ভাবে
পোড় খাওয়া বার্ধক্যে বয়স অতীত
পেরিয়ে চলা আশি বছর নেয় পিছু!

হার মানেনা শত শীতও কষ্টের কাছে
তার অনিবার্য সীমাহীন যন্ত্রনা তবুও
এদিকে শীতে কাঁপছে ধরণীর বার্ধক্য
সে সংগে কাঁপছে যত বুড়িটাও পাছে!

Similar Posts

  • শ্রেষ্ঠতম নবী

    নবীজির শিরে চির সুনামের তাজসকল যামিনীও তাঁর শবে মেরাজযাঁর ব্যক্তিত্ব ইশরায় চাঁদ খানখানসূর্য যাঁর মুঠোতে পায় নিজ সাজ। মুহাম্মদী গুণের পর্দা সৃষ্টির রক্ষকসৃষ্টি হলো মানুষের নিমিত্ত জাহানতাঁর জন্যে মানুষ আর তিনি মহানআর যতো যারা নাহি হবে ভক্ষক। নবী ( স. ) তব তনে ছিল না ছায়াসত্যই তাই যেনো হওয়ার কেননাপবিত্র অস্তিত্ব তোমার আল্লার নূরতাঁর প্রশংসাতে…

  • মুক্তি

    তুমি ছিলে সাথেই মোরযেদিন ছিল প্রচন্ড জর।শরীরে অনেক অশান্তিঅন্তরে নেই কোন শান্তি!আমরা যা চিন্তিত উভয়নেই কেউ করবে নির্ভয়!উপায়হীন অবস্থা কতোজ্ঞান চলে গেছেই যতো!কিংকর্তব্য বিমূঢ় দু’জনকাছেতো ছিল না সুজন!শারীরিক খারাপ অবস্থাসে করল গাড়ির ব্যবস্থা!ক্লিনিকে ও চলতে থাকিরাস্তায় এক বন্ধুকে দেখি!সে অবস্থা দেখেই হতাশশান্তি দিল না হই নিরাশ!আল্লাহ সহায় চলরে ভাইক্লিনিকে তাড়াতাড়ি যাই!একটু পর পৌঁছে গেলামসেথায় ডাক্তার…

  • খাদ্য সংরক্ষণ আছে

    বেঁচে থাকার জন্যই খাদ্য খেতে হয়মহান খোদাতায়ালা সব মানুষ সৃষ্টিকরার আগে তাদের জন্যে খাদ্যেরযোগান ঠিক করে রেখেছেন জলেস্থলে কত অবস্থায় যা সংরক্ষণ রয়! সর্বস্থানে কত খাদ্যের ব্যবস্থা আছেসৃষ্টির জন্য যত এক শ্রেণির অসাধুব্যবসায়ীরা প্রাকৃতিক এসব খাদ্যেভেজাল মিশিয়ে মানুষের অনিষ্ট ইকরছে যারও দৃষ্টান্ত পাওয়া গেছে! স্বজনদের ও নিজেদের ক্ষতি হচ্ছেতাদের ভেজাল খাদ্য খেয়েই তবুওসামান্য কিছু বাড়তি…

  • প্রস্থান !

    চীর স্মরণযোগ্য আজকের এ দিনসহকর্মী জনাব মোঃ মমিনুল হকের বিদায়ী অনুষ্ঠানে ছোট্ট এক কবিতাআমি আবৃত্তি করে যাব সরেজমিন! বিদায়ের ব্যথাতে চোখে আসে জলঅদ্যকার আমার বিদায়ী আন্তরিকসহকর্মীর সাথে অসংখ্য ও অগনিতকত দিন কাটলো সিলেটের কর্মস্থল! সুখ ও দুঃখ ভাগাভাগি করে নিতামউভয়ের ব্যক্তিগত পারিবারিক আরো অফিসিয়ালি বিষয় পরস্পরের মধ্যে তাতে কতো যেন সহযোগিতা পেতাম! আগামীতে হয়তোবা দূরে…

  • বাড়ির পথে যাত্রা

    কত দিন পরে যেন দেখা হল বন্ধুর সাথেকুশল বিনিময় হলো মিলিয়ে হাতে হাতে।ছাত্র জীবনে ছিলাম একে অন্যের সাথীপড়া লেখায় বিদ্যালয়ে ছিল প্রচুর খ্যাতি।শিক্ষক মহোদয়গণ কতযে স্নেহ করতেনব্ল্যাক বোর্ডে অনেক অংক যা লেখাতেন।হোম ওয়ার্কে ইংরেজি ২য়/ অংক দিতেনপরের দিন টিকই আদায়ও করে নিতেন।স্কুল ছুটির পর মোরা একত্রে বের হতামবাড়ি যাওয়ার পথে সব রওয়ানা দিতাম।সকল বাড়ি পৌঁছেই…

  • চাঁদের হাসি

    চাঁদ বাড়ির পেছনে সকালেই অস্ত যাচ্ছেযেন হাসছে চাঁদ এই চাঁদ অনুপ্রেরণা কতকবির কখনো হাসির কানায় কানায় ভরাজল নয়নের কখনো আলো উছলে পড়েআবার কখনো বা পূর্নিমা রাত ঝলসানোরুটির মতন সবার মনও আনন্দে নাচছে। সুন্দর পেখম ধরেই অনেকটা ময়ূরের মতোআসছে ভালো দিন তাই ভালো সব দিনতোকিন্তু উইক এন্ড দিন একটু বেশি ভালো যাপারো খাও দাও আর ঘুমাও…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *