বিশ্বাস হারায়

প্রতারক ব্যক্তি সমাজের চরম নিকৃষ্ট
সর্বদা টকানোর ধান্ধায় থাকে সচেষ্ট।
কেউ করেনাকো তাকে কোন বিশ্বাস
সবার কাছে তার মূল্যায়ন অবিশ্বাস।
মানসিক কলংকের পরিচায়ক চরম
চুর বাটপার ধান্ধাবাজের বন্দু পরম।
প্রতারণার জন্যেই সে বিশ্বাস হারায়
সমাজে ঘৃণিত হয়েও জীবন ঝরায়।
প্রত্যেকের স্নেহ মমতা হতে দূরে যায়
কৃতকর্মের জন্যে আল্লার শাস্তি পায়।
এতে ধ্বংস হয়ে যায় তার যা সম্পদ
উপস্থিত হয় কত বিপদ আর আপদ।
ঈমান একেবারেই আরোও হয় দুর্বল
ফলে শয়তানের প্ররোচনা রয় সবল।
মানুষের বয়সের বরকতই যায় চলে
প্রার্থনা কবুলেরও পথ বন্ধ হয় ফলে।

Similar Posts

  • বীর দর্পে চলে !

    গভীর বন জংগলের পাশে বাসযখন তখন ও যেখানে সেখানেআচমকা আক্রমণ করে কতোমানুষের ঘটে জীবনের সর্বনাশ! হিংস্র জীব জন্তুর যতো চলাচলওরা অবাধে বিচরণ করে ঘোরেসগতিতে বীরত্বের সাথে বেড়ায়কখনো শুরু করে কত হুলস্থল! মূহুর্তে সুযোগে আক্রমণও করেদলবেধে হাতী মিলে লোকালয়েউপস্থিত হয়ে যত ভাংচুর সেরেউপস্থিত মানুষেরে দৌড়ায় পরে। বন্য প্রাণীদের শত আতংকে রয়যত বীর দর্পে চলে সুযোগে তারাহঠাৎ…

  • আমাবস্যা

    আমাবস্যারা ঘনো কালো রাতেতাদেরও মনের দরোজা খোলেতখনো যতো ব্যাথারো পেয়ালাদুঃখ ও অশ্রুজলে লেগে থাকে। চিলে কোঠায় আমি একা থাকিসর্বস্থান হয়ে যায় একদম ফাঁকামধ্যরাতে ঝিঁঝিঁ পোকার শব্দেওসময় চলে কত কি থাকে বাকী। টিক টিক করে যখন ঘড়ি চলেতখনতো আমি একা জেগে রইহারানো যতো স্মৃতিগুলি খোঁজেব্যর্থ হয়ে হিসাবেরই খাতা মেলে। শূন্যতা আমায় কুড়ে কুড়ে খায়অন্তরংগ একটা বন্ধু…

  • এলো নাজাতের মাস

    বছর পর আবার এলোপবিত্র মাস রমজান,মুসলমান রোজা পেলোদিনে বন্ধ খানা পান। ফজরের আজান হয়মাগরিবের ধ্বনি বয়,খাদ্যের ডাক জারি রয়শুরু করো তবে কয়। মন্দ কাজ করো ত্যাগযত আছো রোজাদার,সব শেষে পূণ্যের ভাগআছে বুঝ যার তার। ফরজ রোজা রাখ সবেপুরো রমজান মাস,খোদার আদেশ পালন হবেকরো নাজাতের আশ।

  • তাওয়াক্কুল !

    খুব প্রভাতে পবিত্রতা শেরেফজরের নামাজ শেষ করে! তাজা বাতাসেও শ্বাস নিলেঅন্তরের মধ্যে আরাম মিলে! চোখ দু’টুকে ঘুরাতেও হবেসকল সৌন্দর্য দেখতে রবে! শরীরে যদি কোন ব্যথা পায়ম্যাসেজে শান্তি পাওয়া যায়! ব্যার্থতাকেও তুলনা না করেদিক নির্দেশের ফোকাস ধরে! অন্তর থেকে দুঃখ তুলে নাওকতো সুখ আরাম তবে পাও! আত্ম বিদ্বেষ না করলে বন্ধদূরে চলে যাবে সুখ আনন্দ! শান্তি…

  • ঘামে ভিজে !

    পিতাকে নিয়ে বাণী পড়তেই গেলেচোখেতে চলে আসে জল একজনবাবা সন্তানের জীবনে তিনি বটবৃক্ষস্বরূপ যে বৃক্ষে শীতল শান্তিই মিলে। বেড়ে উঠে সন্তান পরম মমতা ভরেবাবার শক্ত হাত সন্তানের সব বাধাবিপত্তিও দূরে ঠেলে দেয় বুক দিয়েশিশুকে জীবনে আগলে রাখে ধরে। আমরা আবেগাফ্লুত হয়ে পড়ি কতবাবাকে নিয়ে উক্তিও পড়তে গেলেপ্রতিটি সন্তানেরই জীবন গঠিত হয়বাবার শ্রমে আর ঘামে ভিজে…

  • আমার সাথী

    তুমি বলে ছিলে যাবেভাই মোর করে সাথেতাইতো আমি প্রস্তুতিনিতে শুরু করি তবে। ঠিক হলো এক গাড়ীকি সুন্দর মনোরম রঙপ্রকৃতির রুপ ঝলমলবেড়াতে যাবো বাড়ি। বললাম চলার পথেএকটু জিরোয়ে ছোটেযাবো আনন্দ উল্লাসেছানা দঈ নিয়ে সাথে। সেথায় তুমি যদি যাওদেখবে খেলছে মাঠেকত বসে তটে নীরবেকরছেনা কোনো রাও।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *