বীর দর্পে চলে !

গভীর বন জংগলের পাশে বাস
যখন তখন ও যেখানে সেখানে
আচমকা আক্রমণ করে কতো
মানুষের ঘটে জীবনের সর্বনাশ!

হিংস্র জীব জন্তুর যতো চলাচল
ওরা অবাধে বিচরণ করে ঘোরে
সগতিতে বীরত্বের সাথে বেড়ায়
কখনো শুরু করে কত হুলস্থল!

মূহুর্তে সুযোগে আক্রমণও করে
দলবেধে হাতী মিলে লোকালয়ে
উপস্থিত হয়ে যত ভাংচুর সেরে
উপস্থিত মানুষেরে দৌড়ায় পরে।

বন্য প্রাণীদের শত আতংকে রয়
যত বীর দর্পে চলে সুযোগে তারা
হঠাৎ হানা দেওয়ার ফলে কতো
লোকের জীবন পর্যন্ত ধ্বংস হয়!

Similar Posts

  • দু:খ বেদনা

    কেউ রোদন করেনা যদি না কখনতাকে বিশ্বাস না করে তয় নিশ্চিতজানো যে পৃথিবীর সুখ করে নাহিভোগ সবার মধ্যে সে অধম তখন। পরের সুখ কখনো সহ্য হয় না তারহতে পারে এমন কোনো আত্মচিত্তবিজয়ী মহাত্মা বিনা বাষ্পমোচনেইগুরুতর মনঃপীড়া সহ্য করেন যার। কস্মিনকালে তিনি না করেন সিক্তএকবিন্দু অশ্রুজলে পৃথিবী কখনোবিরলে তবে তিনি চিত্তজয়ী মহাত্মাহলে হতে পারে কভু নয়…

  • পরের স্বার্থে যতো

    হিংসা করো না একে অন্যকেপরস্পর বিচ্ছিন্ন থেকো না ওতোমরা সবাই আল্লাহর বান্দাপরস্পর ভাই ভাইও হয়ে যাওএসব রাসুলুল্লাহ(সা.)বলেছেনপালন করে থাকো সবাই হকে! কোনোও মুসলিমেরই বৈধ নয়যেন তার ভাই থেকেসে সম্পর্কবিছিন্ন হয়ে থাকবে তিন দিনেরঅধিক তিনিতো পরস্পর দয়ারকথা যে বলেছেন বিশ্ব বাসীদেরপ্রতি তোমরা সকলেই সদয় হও! খোদা সদয় হবেন সবার প্রতিএ জন্য তিনি পরস্পর দান ওসদকার কথা…

  • বাড়ির পথে যাত্রা

    কত দিন পরে যেন দেখা হল বন্ধুর সাথেকুশল বিনিময় হলো মিলিয়ে হাতে হাতে।ছাত্র জীবনে ছিলাম একে অন্যের সাথীপড়া লেখায় বিদ্যালয়ে ছিল প্রচুর খ্যাতি।শিক্ষক মহোদয়গণ কতযে স্নেহ করতেনব্ল্যাক বোর্ডে অনেক অংক যা লেখাতেন।হোম ওয়ার্কে ইংরেজি ২য়/ অংক দিতেনপরের দিন টিকই আদায়ও করে নিতেন।স্কুল ছুটির পর মোরা একত্রে বের হতামবাড়ি যাওয়ার পথে সব রওয়ানা দিতাম।সকল বাড়ি পৌঁছেই…

  • প্রেসক্রিপশন

    মানুষের জীবনে যা দু:খ কষ্ট থাকেদুর্ভোগ দুর্গতি ব্যথা বেদনা উপশমকরতেও সুযোগ খুঁজে তারা ফাঁকে। যাতনা লাগবে চিকিৎসককে দেখায়পরীক্ষা আর নিরীক্ষা শেষে ডাক্তারদিয়ে রোগের প্রেসক্রিপশন লেখায়। ঔষধের জন্য ফার্মেসিতে তখন যায়ব্যবসায়ীদের নিকট থেকে তা কিনেনিয়ে মানুষ তার জীবন বাঁচাতে চায়। সাধারণ মানুষদেরকে ঠকানোর জন্যসুযোগ নিয়ে যতো মেয়াদোত্তীর্ণ আরভেজাল ঔষধ বেচার তরে থাকে হন্য। ব্যবসায়ীরা মুনাফার কত…

  • অন্তর জ্বলে

    বড় নাতনীটি যাবে নানারবাড়ীসময় মত মামা আসবেন নিতেতাই ঘুম থেকে উঠে তাড়াতাড়ি। ঐ দিন কর্মস্থলে আমি ছিলামনাতনীটির যাত্রার প্রাক্ষালে যেহঠাৎ করে তার ফোন পেলাম। ফোন রিসিভের এক মূহুর্ত পরসালাম দিয়ে সে বলে দাদা ভাইমোরা যাচ্ছি শত খুশি ছিল স্বর। খোদা হাফিজ তখন বলি আমিছহি ছালামতে সবাই সেথা যাওপৌঁছেই কিন্তু ফোন দিবে তুমি ! আমার ছোট্রো…

  • জীর্ণ কুটির !

    আশে পাশেই কতো অসহায় লোকআমরা প্রতিদিন দেখতে পাই তৃপ্তিমত খাদ্য না পেয়ে যারা মানবেতরজীবন যাপন অতিক্রম করে যাচ্ছেতাদের মনে রয় শতো অশান্তি দু:খ। আরো কতো কিছুরই অভাব থাকেপরনের বস্ত্র মাথা গুজানোর ব্যবস্থাকোনোটাই তাদের সুষ্ঠু সঠিকভাবেনা থাকায় তারা ছিন্ন পোশাক পরেজীর্ণ কুটিরে মস্তকটি গুটায়ে রাখে। শ্রেষ্ঠ জাতি তারা আমাদেরই মতোসময়ের বিবর্তনে বা ভাগ্যের নির্মমপরিহাসে এহেন কঠিন…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *