বৃষ্টিতে শিহরিত

বৃষ্টিতে হচ্ছো কেন শিহরিত
তুমি একাএকা স্নেহের মোহে
আলিঙ্গন করো তাকেই যার
উষ্ণতা জাগানো আনন্দেতে
তোমার শরীর মন হবে সিক্ত!

কোনো বৃষ্টি যাহা নাহি আর
স্নেহের বৃষ্টির চেয়ে এত বড়
যার পর বিচ্ছেদের উজ্জ্বল
রঙধনু ও বর্ণের রহস্য নিয়ে
ঝলমল করেও উঠবে যার!

শরীরের ভাবসাবে আমার
আমি আকাঙ্ক্ষা করি সেই
দিনের জন্য যেদিন আমার
প্রতি তুমি আবিষ্ট হবে যখন
দুনিয়া ভুলে গিয়ে তোমার!

আবেগে মোর অভাব গভীর
আর অনুভব করবে আমার
স্বল্পভাষিতা নিয়ে অভিযোগ
করবে না তখন হবে হয় তো
লেনদেন ও দায়দায়িত্ব স্থবির।

জগতকে অনুভব করতে পারি
আমার শরীরের ভাবকে করতে
পারিব পরিচালনাও সেই মুহূর্তে
যেন সীমাপরিধির বাইরে নেকাব
পাগড়ির প্রথা প্রত্যাখ্যান না করি।

আমাদের ভাগ্য যত করি পরীক্ষা
নিষিদ্ধ ফলের স্বাদ গ্রহণের যাত্রী
ভাগ্য নিয়ে সবাই আছি পৃথিবীতে
আর তিনি তো বসে আছেন একা
ওই নীল আকাশে করতে নিরীক্ষা!

Similar Posts

  • প্রেমময় খোদা

    সকাল থেকে বিকেল পর্যন্তনৌকা লঞ্চ জাহাজ স্টিমারসাইকেল রিকশা গাড়ী আরকত বাহনে যেখানে সেখানেভ্রমণ করে নাহি তার শুমার। কেউতো যাত্রা করে উপার্জনকরার জন্যে আর পড়াশোনাকরতে মসজিদ মাদ্রাসা স্কুলকলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে সবারধান্দায় যত করে আনাগোনা। কতো যে উদ্দেশ্য নিয়ে যায়ব্যবসায়ী যাহা ব্যবসায় পায়আর চাকুরীজিবী যত আছেবেতন লাভ করে থাকে যেনসবাই তারা ভাল খাদ্য খায়। দিন শেষ হলেই বাড়ি…

  • ভালো থেকো বাবা

    বাবা শুধু যেনো মানুষ আর একটি সম্পর্কের নাম নয়যাঁর মধ্যে জড়িয়ে বিশালত্বের যত মায়াবী প্রকাশ রয়। বাবা নামটা উচ্চারিত হলে শ্রদ্ধা কৃতজ্ঞতা কত জাগেযে কোনো সন্তানের হৃদয়ে আসে এর অনুভব আগে। বিকেলের বটগাছের ছায়ার চেয়ে বড়ো বাবার ছায়াসন্তানকে কষ্ট থেকে সামলে রাখেন দিয়ে মোহ মায়া! যাঁর বাবা নেই সে-ই বোঝে তার জন্য প্রয়োজন কতসে মাঝি…

  • ধোঁয়াশাচ্ছন্ন

    খোদা পৃথিবীর উপর পাহাড় রেখেছেন যত,সৃষ্টি করেছেন টিলা আরো পর্বত মালা কত।জমিতে ফসলাদির বরকত আমাদের তরে,ভোজনের আর পানীয় কত গাছ বৃক্ষে ধরে।ভূগর্ভে সুষম রূপে খাদ্য অসীম মজুদ রাখা,গাছ গাছালী তরুলতার আছে কতই শাখা।আকাশ মণ্ডল প্রথমেই ছিল ধোঁয়াশাচ্ছন্ন,বর্ষাকাল এবং বৃষ্টির দিনে থাকে মেঘাচ্ছন্ন।সপ্তাকাশ আরো পৃথিবী পুঞ্জীভূত হয়েছিল,আল্লাহ তায়ালা এ দু’টির পরে সূচনা দিল।চড়াই-উতরাই পেরিয়ে বিজ্ঞান ক্লান্ত…

  • ঝটপট গ্রাস করে

    স্রোতে স্রোতে নদীর যত ঢেউহঠাৎ ওঠে জেগে তো ঝাপটেপড়ে কতো ভেজা ভেজা মাটিবালু কাঁকর পাথর সহ আরোসিমেন্টের শক্ত বাঁধেরই ওপরকিছু দিয়ে তাকে বেঁধে কেউ। আটকেতো রেখেছিল সকলেলাফিয়ে লাফিয়ে নেচে নেচেউল্লসিত উচ্চ স্বরে চারিদিকেপাড়ায় পাড়ায় অলি গলিতেঘরে আঙিনায় কামরায় আরবাগিচায় সর্বস্থানে ঢুকে পড়ে। কত ঝটপট গ্রাস করে ফেলেকোনো জিনিসই পায়না ছাড়াতার হাত হতে বাসন কোসনঅলঙ্কার কাপড়…

  • মা বাবা হারা ছেলে

    দিনরাত কাটে রাজধানীর হাতির ঝিলেবিষণ্ন মনে আছে বসে মাবাবা হারা একছেলে বিকেলে কৃষ্ণচূড়া গাছের উপরেচোখ আটকে যায় উড়ন্ত কাক ও চিলে। গাছের ছায়ায়ও এক ঘুমন্ত শিশু ছিলমাছি কয়েকটা তার ঠোঁটে নাকে মুখেবারবার বসে উৎপাত করছে সে ঘুমেরমধ্যেই হাত ও পা নাড়া চাড়া করে নিল। শিশুটিও তাড়ানোর চেষ্টা করছে মাছিআরও কয়েকটি শিশু আশ পাশে ব্যস্তদৌড়ঝাঁপে কিন্তু…

  • মাটির পৃথিবী

    যে আন্তরিকতা বোঝে না কোনকেহ তাকে তা শেখাতে গেলেওকখনো শিখানোই যায় না যেন। অসহায় পৃথিবীর সব চেয়ে বেশীযে নিজের রাগ অভিমান আরোকষ্ট না দেখিয়ে হয়ে যায় দোষী। কাঁদতে পারে নাহি চিৎকার করেচোখের জল লুকিয়ে অন্যকে নাবুঝতে দিয়ে শুধু মাত্র হাসে পরে। সেই বেশী হাসে যে গোপনে কাঁদেআরো নিজেকে হ্যাপি দেখানোরশতো চেষ্টা তদবির করে অবাধে। যে…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *