বেপরোয়া আচরণ
স্টুডিও টুমরোর পাশে লুকাস মোড়ের কাছাকাছি
অনেক দিনের পুরনো ঘটনা তখন তো লেগুনাতে
হঠাৎ ধুম করে আমাদের লেগুনার বডিতে একটা
ইট পড়ল একটা লোক হুঙ্কার ছেড়ে আরো করতে
লাগলো গালাগালি লাফালাফি কতোও নাচানাচি।
কিছুক্ষনের মধ্যেই কয়েকটি ভাঙ্গা ইট ছুটে এলো
এমন পরিস্থিতিতে লেগুনার ভিতরকার সব মোরা
কিছুটা বিহ্বল হয়ে পড়লাম নেমে পড়ব নাকি কি
করব কেউও কিছু বুঝে উঠতে পারলাম না মনের
মাঝে একটা তখন অজানা ভয়ও তৈরী হয়ে গেল।
চেয়ে দেখি যে লোক ইট মারছে সে খুবই ক্ষুব্ধ হলো
শরীরে পড়লে নির্ঘাত জখম একটু খেয়াল করতেই
দেখলাম লোকটির ক্ষোভ অন্য কারো কিছুতেই নয়
তার ক্ষোভ লেগুনার ড্রাইভারদের সাথে ঘটনাকালে
আরও দুটো লেগুনা আমাদের গাড়ির পিছনে ছিল।
লোকটির এতো বেপরোয়া আচরণে পড়ি জামেতে
আমাদের ও তৃতীয় নাম্বার লেগুনার ড্রাইভার হয়েই
যায় পগারপার দ্বিতীয় লেগুনার ড্রাইভারও লেগুনা
থেকে বের হয়ে বলছে ক্ষুব্ধ লোকটিকে স্তব্ধ করতে
সাহস করে দর্শকশ্রেণীর কেউই আসছে না থামাতে।
একটা ইট লেগুনার দ্বিতীয় ড্রাইভারের পড়ে পায়ে
ওর পা থেকে রক্ত ঝরা শুরু করলে উন্মাদনা কিছু
কমে তারপরই সে সবগুলো ড্রাইভারকে কান ধরার
বিনিময়ে ক্ষমা করে আসলে লোকটির আর ঐ সব ড্রাইভারদের সাথে কি সমস্যা তা কেউ নেয়নি গায়ে।
ভয়ের কারণ লোকটির ইট হাতেই উন্মাদ আচরণ
ঐ সব দৃশ্যে তাকে ঘিরে উপস্থিত কত লোক ছিল
লোকটির মৌখিক ভাষা যেন তত বেশী উন্নত নয়
তবুও মানুষের মধ্যেই শঙ্কা কেবল তার বেপরোয়া
আচরণে অবশেষে তার ক্রোধ ক্রমশ হয় নিবারণ।