ভাঙা আয়না !

বড় আম গাছের বুকে দুটো পেরেক গাঁথা
ভাঙা আয়নাটি টানানো হয়েছে পেরেকে
সুতো বেঁধে যা তার বিপরীতে ছিল পাতা।

একটি কাঠের চেয়ারের উপর ব্যক্তি বসে
আয়নায় তাকানো আর এক তরুণ হাতে
চিরুনী আর কেঁচি নিয়ে চুল কাটছে ঠেসে।

এক সময় গ্রাম-গঞ্জের সাধারণ চিত্র ছিল
আধুনিক যুগের জেন্টস পার্লারের দাপটে
খোলা আকাশের নিচের ঐসব চলে গেল!

ক্ষৌর কর্মের এ দৃশ্য অনেক বিরল এখন
খোলা আকাশের নিচে বসে এতো সুন্দর
চিত্র বিভিন্ন জংশনেই দেখা যেতো তখন!

তিন বেলা জুটত না ক্ষৌর কর্মীদের ভাত
অভাব অনটনে জীবিকার তাগিদের দায়
চুল কাটায় পারদর্শী থাকতো ওদের হাত!

Similar Posts

  • অসহনীয়

    লোকের লোকারণ্যে দলাদলি,যে কোন প্রসংগ নিয়ে বলাবলি।দৈবাত হলে কোন গণ্ডগোল,রিপোর্টারের উপস্থিতি হুলস্থুল।লেখকের কর্ম লেখালেখি,অসভ্যদের অস্ত্র গালাগালি।ঝাড়াঝাড়ি ঠেলাঠেলি বাড়াবাড়ি,ফলশ্রুতিতে রুপ নেয় মারদাংগা।উদ্ভূত পরিস্থিতি না হলে ভঞ্জন,অবশেষে হতে পারে গঞ্জনা ।

  • মোমবাতি

    খোদা তায়ালা তুমি খালিক যত কিছু আছে বিরাজমানআকাশ পাতাল সহ মালিক।  আমরা সবই তোমার বান্দা সুযোগে যারা যেভাবে পারেসকলেই সর্বদা করছে ধান্দা।    কত আচানক স্রষ্টার লীলাতাঁর চেয়ে বড় বিচিত্র ধারায় আল্লাহর সৃষ্টি জগতের খেলা। স্নেহের মানুষের স্মৃতিতে যারা  মৃত মানুষকে মোম জ্বালিয়ে  মনানন্দে স্মরণ করছে তারা। কখনো বা মোম নিভিয়ে কতজীবিত মানুষের ও জম্মদিনপালন করে যেন যাচ্ছে শত।

  • মন কান্দেরে

    মন যে কাঁদছে কতোগতো বছরে ই ঈদেরসময়ে আমার ছোট্রনাতনি ছিলো দেশেতাই আনন্দ ফুর্তিতেসময় কেটেছে যতো! বড় নাতনিটি মোরদেশে আছে টিকইমাঝে মধ্যে অনুভবকরে সে তার বোনসুদুর প্রবাসে বিরহযন্ত্রণায় শুকায় স্বর! কি মোহ মায়া আছেওরা দুজন দুজনেরতরে কখনো ছোট্টটিসুদুর প্রবাস থেকে ইতার বোনকে খোঁজেসে ত বিরহে ভোগছে! করে সে ভিডিও কলআনন্দ ফুর্তিতে ওরাদীর্ঘক্ষণ কথা বলতেথাকে ফাঁকে ফোঁকেইএকে…

  • মহাবিশ্ব

    মহাবিশ্বলয়ে যত রয়েছে সজীবসৃষ্টি লগ্ন থেকে নির্ভরশীল আছেআল্লাহ তায়ালার অসীম কৃপারউপর খাবার দাবার করে যাচ্ছেএর জন্য হবেনা কখনো নির্জীব। সকল তাঁর করুণার ফলে সক্রিয়অফুরন্ত দয়ার ভান্ডার খোদাপাকআবহমান কাল থেকে জীবনভরঅনবরত সরবরাহ রেখেছেন যতসৎপথে চললে হবেনাকো নিস্ক্রিয়। সৃষ্টি কর্তার করুনা ও দয়া অসীমআশরাফুল মাখলুকাত কত মানুষআরো ধরায় জলেস্থলে সর্বত্র খাদ্যসবার আছে কত অজস্র অগনিতযা কোন দিন…

  • ফ্যাকাশে মুখ !

    আমি সন্ধ্যায় বাড়িরই বারান্দায় বসেএকদিন চিন্তা যা করেছিলাম শহরেরঅলি গলিতে অব্যাহত জীবন-সংগ্রামনিয়ে ওরা কতো ঘন বসতি ভাবে বাসকরে একে অন্যে সকলে মিলে মিশে ! হকারদের আরোও চিৎকার চেঁচামেচিপেয়েছিলাম যে শুনতে প্রত্যেকে হাঁকছাড়ছিল এরই মধ্যে দাঁড়িয়ে দৃষ্টিপাতকরে অনেক লোকের ভিড় শীঘ্র গিয়েদেখি সব বয়সের ছাড়াও আছে কচি! সেথায় যেন একটি শিশু উপস্থিত রয়একদম ঘেসে আমার কাছে…

  • অশ্রু সিক্ত

    কত কি আর বলিরাস্তায় তখন চলি।লোকে লোকারণ্যআওয়াজ অনন্য!দেখি একটি লোকতার অনেক দুঃখ!বলে আরও কাঁদেপড়েছিল সে ফাঁদে!যখন ছিল দাঁড়িয়েটাকা নিল কাড়িয়ে।সে তখন বাদ সাধেঝামেলা কত বাধে!ওরা তাকে যে ধরেসবাই অধিক মারে।সে করল টানাটানিসকলে গেল জানি।জনগন দৌড়ে যায়ওদেরকে নাহি পায়।মাটিতে তখন পড়েচোখের পানি ঝরে!সকলে শান্তনা দেয়তুলে তার ঘরে নেয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *