মুক্তি

তুমি ছিলে সাথেই মোর
যেদিন ছিল প্রচন্ড জর।
শরীরে অনেক অশান্তি
অন্তরে নেই কোন শান্তি!
আমরা যা চিন্তিত উভয়
নেই কেউ করবে নির্ভয়!
উপায়হীন অবস্থা কতো
জ্ঞান চলে গেছেই যতো!
কিংকর্তব্য বিমূঢ় দু’জন
কাছেতো ছিল না সুজন!
শারীরিক খারাপ অবস্থা
সে করল গাড়ির ব্যবস্থা!
ক্লিনিকে ও চলতে থাকি
রাস্তায় এক বন্ধুকে দেখি!
সে অবস্থা দেখেই হতাশ
শান্তি দিল না হই নিরাশ!
আল্লাহ সহায় চলরে ভাই
ক্লিনিকে তাড়াতাড়ি যাই!
একটু পর পৌঁছে গেলাম
সেথায় ডাক্তার দেখালাম!
পরীক্ষায় কিছুই পায় নাই
তাঁর নির্দেশনায় শান্তি পাই!
ঔষধ পথ্য কিনেই নিলাম
পরে বাসায় ও পৌছিলাম।
নিয়মে ঔষধ ব্যবহার করে
খোদার দয়ায় মুক্ত হই পরে!

Similar Posts

  • টক মিষ্টি ঝাল 

    খাব খাব করো কেন?    বসে যাও আহারে বিলাব আজব খাওয়া,  ভোজন কয় যাহারে। কত কিছু খাওয়া লেখে   দেশ বাসীর ভাষাতে   আনব সব এক সাথে    থাকলে সে আশাতে।    তরকারি ডাল ভাত        ফল মূল শস্য,    আমিষ ও নিরামিষ      চর্ব্য আর চোষ্য।     সেমাই রুটি  ভাজি,        টক ঝাল মিষ্টি, দোয়েল কোয়েল সারসের     হরেক রকম সৃষ্টি।

  • মুহূর্তের মূল্য

    সেকেন্ড মিনিট ঘণ্টা ও দিননিয়মতান্ত্রিক অতিক্রম করেঅবশেষে চলে যায় বহুদিন। দিন সপ্তাহ মাস কত যে বছরপর্যায়ক্রমে চলে যেতে থাকেঅনেক যত যে রয় অগোচর। বছর যুগ আরো যতো শতাব্দীস্বাভাবিক গতিতে অগ্রসর হয়কতো অপুর্ণ রয় জীবন অবদি। কেহো যদি গুরুত্বে কাজ সারেতপস্যা সাধনাতে করেও গেলেতার জীবনে উন্নতি হতে পারে। যত অলস অকর্মন্য মানুষ যারাসময়ের কাজ সময়মত না…

  • মেঘ তরঙ্গ

    গ্রীষ্মের দিনে মাঠ ঘাট হাটতীব্র রোদে পোড়ে ঝলকেপ্রচণ্ড উষ্ণতায় চলন্ত দিনেজলন্ত তেজ ধরে পলকে। কতো ঘাম ভেজা বালিশেউত্তাপে গলে গেলো রাতঅন্বেষণ করে যাচ্ছি নিদ্রাতখন থেকে হে সু প্রভাত। তীব্র গরমে ছট ফট করেপ্রচুর ঘামে ঝরছে পানিদিনের রোদে ধরছে মাথাকখন যে হবে বৃষ্টি জানি। মেঘ তরংগে নীরব বাতাসকতো সুখ দিয়েছো তুমিমুহূর্তে প্রচুর বৃষ্টিতে ভিজেশান্ত গাছ বৃক্ষ…

  • তাওয়াক্কুল !

    খুব প্রভাতে পবিত্রতা শেরেফজরের নামাজ শেষ করে! তাজা বাতাসেও শ্বাস নিলেঅন্তরের মধ্যে আরাম মিলে! চোখ দু’টুকে ঘুরাতেও হবেসকল সৌন্দর্য দেখতে রবে! শরীরে যদি কোন ব্যথা পায়ম্যাসেজে শান্তি পাওয়া যায়! ব্যার্থতাকেও তুলনা না করেদিক নির্দেশের ফোকাস ধরে! অন্তর থেকে দুঃখ তুলে নাওকতো সুখ আরাম তবে পাও! আত্ম বিদ্বেষ না করলে বন্ধদূরে চলে যাবে সুখ আনন্দ! শান্তি…

  • বহে নদী-নালা !

    আমার স্নেহের বন্ধু কালাসহ্য করতে পারিনা তোরবিরহ ব্যথার যতো জ্বালা। তুমি ভাল আমি কুলবালাফুর্তি খুশিতে পরেছি গলেআমার যে কলঙ্কের মালা। সোনার দেহের করি হেলাতোমার চিন্তায় দুই নয়নেযতো বহে যায় নদী-নালা। ভাবী ও চিন্তি বসে নিরালামনে মানেনা কি আর করিযত দোষ দেয় আলাপালা। দোষ দিলে দু:খ কোন নাইইবাদত বন্দেগী করেই যাইখোদার করুণা যেনো পাই!

  • শুর ধরে !

    অনেক দিন পরে যাত্রা করিকয়েক বন্ধু মিলেই পথ ধরি। ভাড়ায় নেই এক সুন্দর তরিযত কিছু ছিল নৌকায় ভরি। যাত্রার শুরুতে বৃষ্টি হয় জারিবৃষ্টির ফলে বাড়তে রয় বারি! আল্লার নাম কেউ জপ করেকেউ তাসবিহ পড়ে শুর ধরে! অবশেষে আমরা পৌঁছি ঘাটেতাড়া ছিল সবার যাবো মাঠে! খেলার মাঠে মোরা সবাই যাইসেথা গিয়ে অনেক শান্তি পাই! ফুটবল খেলাতে…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *