মুক্তি পেয়েছি !

কে কি মনে করে ভাবিনি তো আর
লেখনীতে যা আসে প্রতিনিয়ত সব
একাধারেই আমি লিখে যাচ্ছি তার।

কখনো যদি কেউ গুরুত্ব নাহি দেয়
তাতে সামান্য কিছু ই যায় আসেনি
যদিচ মোর কবিতাও পড়ে না নেয়।

প্রয়োজন মনে করি তো লিখতে যাই
এর মধ্যে আমি ফুটিয়ে তুলার শতো
চেষ্টা চালিয়ে থাকি বিধায় শান্তি পাই।

আমার কবিতা তো ব্যক্তি লক্ষ্য নয়
তথাপি কেউ যদি প্রসংগ টেনে নেয়
তাতে তার ই ভুল বলে বোধগম্য হয়।

আল্লাহ পাকের উপর ভরসায় আছি
তাঁর অসীম মেহেরবানীতে যে আমি
অনেক দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পেয়েছি!

Similar Posts

  • স্নেহের টান

    আজ আরম্ভ করলাম তোমার প্রসঙ্গ দিয়েকতো কি যে লিখতে পারি তোমাকে নিয়ে। অসংখ্য যত থাকবে খোদা তাওফিক দিলেআল্লাহর নামের সকল কিছুতে শান্তি মিলে। লিখনিতে পর্যায়ক্রমে কত শতো সহস্র চলেঅবিরত লিখতেও পারবো মেহেরবানী হলে। যতো ধন্য তোমার জন্যে সর্ব মহলেই জানেকত কিছু ত্যাগ হলো তোমার স্নেহের টানে। ছোট কালের সাথী তুমি জীবনে ছিল বাঁধাতখন চাল চলন…

  • চোখের জল

    চোখের জল আর মনের কষ্টযদি কাউকে দেখানো না হয়তাহলে দু:খতেও রয় সন্তোষ্ট। জীবনে সবে কষ্ট দিতে পারেকিন্ত কেউ নিতে পারে না ঐভাগ তাই নিজেই ব্যথা সারে। অত্যাচারীত যদি বা ব্যথা পায়তার কষ্টের জন্যে অন্যকে সেকোন কষ্টে মিশাতে নাহি চায়। অল্পে যে লোক বেশি খুশি হয়সে কিন্তু সামান্যতম আঘাতেওঅনেক বেশি কষ্টে ভোগে রয়। হাজার সুখের স্মৃতি…

  • জীবন ভর কাঁদায়

    মনে কিছু আক্ষেপ থেকে যায়কিছু থেমে না থাকলেও কারোজন্য যা কোন দিন শেষ হয় নাশুধু জীবন ভরে তাকে কাঁদায়। শিক্ষা তো মানুষকে উন্নত করেআর অসুস্থতাও মানসিক দিকেধরনীর অসংখ্য অগনিত কতোমানুষও পঙ্গু বানানোর পথ ধরে। শিক্ষা নেওয়ার মূল উৎস সকলআপনার যে কাস্টমার সবচেয়েঅখুশি অসন্তুষ্ট তার থেকে যতোশিক্ষালাভ করে নিবেন অবিকল। জীবনে কত উত্তর আর মিলেনাকিছু ভুল…

  • দৃষ্টান্ত সৃষ্টি

    আমাদের জীবনে অগ্রসর হওয়াযার প্রধান কথাটি হল জীবনেরপেছনের প্রতি না তাকিয়ে আরোসামনের দিকেতেই এগিয়ে নেয়া। জীবনে কতো পিছিয়ে পড়তে রয়শুধু মাত্র পেছনে তাকিয়ে থাকলেবা এক জায়গাতেই থেমে থাকলেকোনোদিন কারোও উন্নতি না হয়। প্রত্যেকের জীবনটা গল্প হয়ে ওঠেযেন সাফল্যের উচ্চ শিখরে পৌঁছেগিয়ে দৃষ্টান্ত সৃষ্টি করে জীবনে যতউন্নয়ন আরো অসংখ্য উন্নতি ঘটে। শিশু যুবক আর যতো নওজোয়ানসময়ের কাজ…

  • বার্ধক্যের কষ্ট

    বার্ধক্য আসলেই মানুষ কষ্টে পড়ে যায়হাসি খুশি চলা ফেরায় শান্তি নাহি পায়। বয়স্করা সবার থেকে যত ই বেশি করেআগ্রহ আকাংখা বাড়ে অন্যেরও তরে। যৌবনকালে বেশী করে যত কিছু করোবার্ধক্যের স্মরণে তা সঠিক রাস্তা ধরো। তরুণদের মূলমন্ত্র থাকে আদর্শ জীবনসুন্দর সঠিক পথ আনে কল্যাণের মরণ। বয়স্করা যুদ্ধের অনেক আহ্বানও করেতারুণরা নিজেতো সেই যুদ্ধ করে মরে। যুবক…

  • ঘুমের ঘোর

    ছোট ছোট ছেলেরা ঘুমের মধ্যেও হুঁ হুঁ করেযাদের গল্প শুনতে শুনতে আরো ঘুমে ধরে। যুদ্ধের সময় সৈন্যরা কত দিন রাতই জেগেহয়রান হয়েই শিবিরে ফিরে ঘুম যেন ত্যাগে। অনেক সময় তখন দেখা যায় তারা চলতেঘুমের ঘোরে মাতালের মতো ওদের টলতে। শীতের সময় পাড়া গাঁয়ে থাকে কতো শীতশহরের লোক গ্রামের বাড়িতে হয় যা ভীত। শীত কি রকম…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *