যতো সদাশয় !

হে খোদা তায়ালা কত দয়াময়
তোমার অসীম করুণার ফলে
পৃথিবীতে অবস্থানকারী সকল
বেঁচে আছে তুমি যত সদাশয়!

অপার মহিমায় রেখেছ খাবার
ধরণীতে আগমনের পূর্ব থেকে
সুবিন্যস্ত সুন্দরভাবে যেন খিদে
অবস্থায় কেহো রয় না আবার!

অনন্ত অসীম গুনের নেই শেষ
সর্বস্তরের জীবের জন্যে কতো
সুবিধা প্রস্তুত ও সংস্থান করেছ
সকলে ভোগছে কতো যে বেশ!

খোদা পাক দয়া করছেন কতো
অসংখ্য অগনিত দয়াবান তাঁরই
কৃপার ফলে অফুরন্ত সুখ শান্তি
ভোগ করেই যাচ্ছি শতো শতো!

Similar Posts

  • সে অসুস্থ !

    সামান্য লিখে যাইমোর ছোট নাতনিঅসুস্থ হয়েছে তাইঅন্তরে শান্তি নাই! ওর হলো সর্দি জ্বরশরীরে সুখ আরামআয়েশ প্রশান্তি নাইথমকেছে কণ্ঠ স্বর! আরো আছে কাশিকখনো কমে আবারবাড়ে অশান্তি লেগেবেশী নেই হাসি খুশী! আমরা প্রার্থনা করিনাতনীর সুস্থতা দানকরার জন্যে একত্রেসবে আল্লাকে স্মরি!

  • কিসের ক্যাচাল

    কেউ মরতে চাইলে মর এতে কি আছেঅসংখ্য ক্রস ফায়ার বন্দুকযুদ্ধ লিফটএবং বাড়ি ঘর এসব নিয়েই তর্ক মিছে। সংঘর্ষতে জ্বলুক পুড়ুক টিউব ও টায়ারসবশুদ্ধ বলিষ্ঠ আরো বলবান যত যেনঠিক সময় হলেই চলে যেতে হয় সবার। একটা জীবনে প্রশ্ন বিদ্ধ কতো কিসেরধরনীর বুকে সব কিছুর খবর আরোওকেবল মানুষ জানে এন্টিনা ও ডিসের। আমাদের জন্যেও অবাক নিয়ম কানুনফাটুক…

  • নিজস্ব ডায়েরি

    প্রত্যেকে ব্যক্তিগত ডায়রি লিখা ভালোসামাজিক মাধ্যম এড়িয়ে চলে পুরাতনকষ্টের ছবি বা বার্তাগুলো মুছে নিজেরমনোযোগ অন্যদিকে সরিয়ে রেখে দ্রুতসিদ্ধান্ত না নিলে তয় জ্বলবে না আলো। পুরাতন সাথীর খারাপ নিয়ে ভাবুন সবেযত আচার আচরণ কিছুদিন পরে যারআল্লাহর করুণায় সম্পূর্ণ পরিবর্তন হয়েএমন হতে পারে যেন অনেক উত্তম তারব্যবহার শত শ্রেষ্ঠ হয়ে সবার কাছে রবে। পরক্ষণে মুগ্ধ হবে চলা…

  • ঝটপট গ্রাস করে

    স্রোতে স্রোতে নদীর যত ঢেউহঠাৎ ওঠে জেগে তো ঝাপটেপড়ে কতো ভেজা ভেজা মাটিবালু কাঁকর পাথর সহ আরোসিমেন্টের শক্ত বাঁধেরই ওপরকিছু দিয়ে তাকে বেঁধে কেউ। আটকেতো রেখেছিল সকলেলাফিয়ে লাফিয়ে নেচে নেচেউল্লসিত উচ্চ স্বরে চারিদিকেপাড়ায় পাড়ায় অলি গলিতেঘরে আঙিনায় কামরায় আরবাগিচায় সর্বস্থানে ঢুকে পড়ে। কত ঝটপট গ্রাস করে ফেলেকোনো জিনিসই পায়না ছাড়াতার হাত হতে বাসন কোসনঅলঙ্কার কাপড়…

  • ক্ষুধায় কাতর

    দুগ্ধবতী গাভীর পেছন হেঁটেই শেষ প্রান্তে যেতোপ্রতিদিন সকালে খালি পায়ে ছেঁড়া জামা কাপড়পরে যেখানে সবুজ ঘাসে মোড়া একটা মাঠ ছিলসেখানে চারণ ভূমিতে গাভীটাকে ছেড়ে দিয়ে সেগাছের ছায়ায় বসেই পাখীদের সাথে গান গাইত। নদীর সুরে সুর মিলিয়ে কাঁদতে খুব হিংসা হতোগাভীর অফুরন্ত খাবার দেখে কখন ফুলের দ্রুতবৃদ্ধি এবং প্রজাপতির ডানা মেলা নিয়ে ভাবনায়হারিয়ে যেতো চিন্তার জগতে…

  • কতো আলাঝালা !

    সাপ্তাহিক ছুটি ছিল গতদিন শনিবারআমন্ত্রিত অতিথি আমাদের বাসাতেবেড়াতে আসবেন খবর জানার পরেনাতনী সাজতে কত সময় লাগে তার। কিছুক্ষণ পর পর সে জিজ্ঞেস করেকখন আসবেন মেহমানগণ উৎসাহউদ্দীপনায় তার সময় অতিক্রম হয়আর আনন্দ উল্লাসের সীমা না ধরে। দাওয়াতি তার নানা নানু মামা খালাঅবশেষেই অনেক্ষণ প্রতিক্ষা করারপরে আগমন হলে উল্লাস ফুর্তি খুশিআনন্দ আরো রয় যতো আলাঝালা। ছোট নাতনী…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *