শিশির ঝরা

আজ জেগে দেখি ঘুম থেকে শিশির ঝরা ঘাষে
স্বপন আমার সারা রাতের মিঠেল রোদে হাসে।

করতে খেলা আমার সহিত প্রভাত হাওয়া ভাই
পাপড়ী নাড়ি সরষে ফুলের ডাকছে মোরে তাই।

জেগেই দেখি ঘুম হতে আজ দাদু বসে আছেন
থলে হাতে পিতাজী তো বাজার করতে গেছেন।

কত সাধু বেশে সংখ্যা কারবারি এতে ভয়ের কি
ইহা নয় যে ক্যান্সার নয় সর্দি নয় কোন এলার্জি।

আদ্যোপান্ত পোস্ট পড়ে তোমার ভয় যে পেয়েছি
সকল আশা ছড়া লিখবার আজ ছেড়ে দিয়েছি।

যতো সংখ্যা হিসাব নিকাশ দেখে বেহিসাবী ডরে
হিসাব নিয়ে জীবন খাতার ভয়েতে সে তো মরে।

সে যেনো চাইতে ক্যান্সারেরো সহজ হিসাব নয়
সবাই চালাও হিসাব করে জীবন গুণীজনে কয়।

আমি কিন্তু যত সংখ্যা আরো হিসাব দেখে ভাবি
এত হিসাব নিকাশ করেই কি যায়রে হওয়া কবি?

Similar Posts

  • বন্ধুদের যাত্রা

    তুমি আর আমি আছি কেবলসাথে আর নেই বলে নয় দূর্বল।দু’জন থাকায় ও মনে যত বলমাঠ ঘাট ডুবিয়ে যা অথৈ জ্বল।উভয় মিলে মোরা দূরে ও যাবওপাড়ার বন্ধুদেরই সংগে নিব।সকলে মোরা মিলে মিশেই রবআল্লাহর দয়ায় সবে শান্তি পাব।সবলরা বিপদে জড়িয়েই পড়েকাজে অকাজে বিতর্কেই লড়ে।সংখ্যায় গরিষ্ঠতাও আছে বলেবিপদের সম্মুখীন হয়তো ফলে।একটু সূত্রে ও অনেক কিছু হয়কষ্ট ভোগের ফলই…

  • মোবাইল ফোনে বন্ধুত্বের পরিণাম

    স্নেহের ছোট ছেলেটি নাম যে তার কলিম,ওর এক মাত্র ঘনিষ্ট বন্ধুই ছিল ডালিম।তারা উভয় পাড়ার একই বিদ্যালয়ে পড়ে,অধ্যবসায়ের সাথে প্রতিযোগিতায় লড়ে।মা বাবার স্নেহের কলিম একমাত্র ছেলে,ছেলেটি যখন মা বাবার কাছে কিছু বলে।আবদার পালনের তাড়াতাড়ি চেষ্টা চলে,যথাশীঘ্র ছেলের সাধ পালন করে ফেলে।একদা এমন এক নতুন করে করলো পণ,কিনে দিতে হবে যে তাকে মোবাইল ফোন।দেওয়া হলো বায়নার…

  • হৈ হুল্লোড়

    বিয়ে বাড়ি হৈ হুল্লোড়চতুর্দিকে আনাগোনামানুষেরই সোরগোল। জন সমাগমে হুলস্থুলআনন্দ ফুর্তি ভরপুরকখনো হয় গন্ডগোল। গান বাজনারও তালেনাচে আরোও হেলেবাদ্য বাজে হেলেদুলে। বাসনের ই ঢাক ডোলবাবুর্চিদের যতো শোরআছে কত ডামাডোল ওদের একমাত্র ধান্দাপাক শাক না হয় মন্দাকতো উত্তম হবে রান্না খাবার মনের মতো হলেতৃপ্তির কথা সবাই বলেআত্নীয়দের শান্তি মিলে।

  • এসেছি ঋদয়ের টানে

    তোমার পরীক্ষা কাল পড়ার টেবিলে বসে আছোরাত জেগে তোমার ঘুমতো আসছে না হঠাৎ করেপৌঁছে ভয়ার্ত কন্ঠে বললাম প্রস্তুতি কেমন নিছো। তুমি উঠে জড়িয়ে ধরে বলবে কেমন আছ বলোতোমার কতই যেন মূল্যবান সময় নষ্ট হচ্ছে কিন্তুকোনো ভ্রুক্ষেপ নেই অনায়াসে বললে তুমি চলো। আমরা হাতে হাতে ধরে উভয়ে ঘরের বের হলামগল্প গুজবে হাসি খুশিতে পায়চারি করতে মনেরঅজান্তে…

  • সময় সীমিত !

    চিরন্তন নিয়মে জীবন সংগীও চলে যায়কখনো এ জগতে কেহ স্থায়ী বসবাসেরজন্য আসেনি সৃষ্টি কর্তার হুকুমে বিদায়নেওয়ার পরে আত্নীয় স্বজন সবার মনেসে লোকটির জন্য কতোই যে কষ্ট পায়! স্রষ্টার অমোঘ বাণী জন্মিলে মরতেই হবেপরিবার পরিজন আত্নীয় স্বজন যত বন্ধুবান্ধব পাড়া পড়শী সমাজ সকলের সঙ্গেচলাচলের সময় ভাল ব্যবহার আর নেকআমল আখলাক এসব কিন্তু স্মরণ রবে! সকলের যেহেতু…

  • বিকশিত

    পিতৃহীন বা অভিভাবকহীন অসহায়শিশুরাই মূলত অনাথ ইয়াতিম শিশুজ্ঞানচক্ষু উন্মীলিত হওয়ার প্রাক্ষালেযারা পিতৃ স্নেহো হতে বঞ্চিত হয়েছেঅন্যের আদর ও যত্নো তাদের সহায়। অনাথ এতিমদের পুরো দায়িত্ব নিলেআর পরিশেষে তাদের প্রতি উদারতাদেখিয়ে আল্লাহর সন্তোষ্টি উপার্জনেরলক্ষ্যে দায়িত্ব পালন করে গেলে পরেইবাদতের মধ্যে শামিলের নেকি মিলে। ইয়াতিম মিসকিনদের প্রসঙ্গেই মিলেমহান আল্লাহর বাণী,” তুমি কি এমনলোক চিন যে দ্বীনকে অস্বীকার…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *