সর্বনাশা নদীরে !
ঘুরে বেড়াই পুরো দুপুর পারে পারে
কোথা থেকে আসছো তুমি কোনো
মিলনমুখে বয়ে-যাওয়া কতোখানি
গভীরতা এসব বিষয়েই বিষদভাবে
জানতে আমি জিজ্ঞেস করি কারে?
উদ্গত এ ঢেউ তোমার বুকেতে রয়
আন্দোলিত করে কত ভালো লাগে
মাছের চঞ্চল মুদ্রার মতো উচ্ছলতা
অঞ্জলিতে ভরে নিলে জল কোথায়
গিয়ে তাও একদম যেন অদৃশ্য হয়!
বসে ই থাকি তোমার উষ্ণ বালুতটে
আর সেথা ওপর থেকে বালু সরালে
একটি স্তর উঠে আসে শীতল স্পর্শ
যে শীতলতা তুমি বিছিয়ে রাখো যা
শীতের মৃদুমন্দ বাতাসের মতো ঘটে!
খেলতে থাকি বালিতে ঝিনুক নিয়ে
যতবার লিখে দেই বালির বুকে নাম
গভীর থেকে গভীর তর অবাক হয়ে
দেখিও কী নিপুণতায় আমার সমস্ত
রচনা ধীরে ধীরেই মুছে রাবার দিয়ে!