সুগন্ধী ফসলি হাওর

আজব ডানা ওয়ালা গর্জিত শকুনের দল
তারা সবাই আচানক আকাশে দেখেছিল
মানুষদের ভাবনারও অতীত এসব দৃশ্যের
কাছে হার মানে তাদের কল্পনার সব সীমা
নিজ হাতে বানানো তাদের অস্ত্রের চেয়েও
শক্তিশালী আরোও কিছু আছে নাকি বল!

এক ছোট বিন্দুতে এমন করে টিনের চাল
ফুটো করে বেরিয়ে যায় তবুও অনেকে ই
উঠান পেরিয়ে দা বল্লমও হাতে নিয়ে ছুটে
গিয়েছিল ফসলি জমির দিকে বৃষ্টির তোড়
বেড়ে এলে কেউ কেউ যখন পড়েছে চিৎ
হয়ে তখন মানুষেরা ভেবেছিল একি হাল!

নদী পার হতে পারলে আর কোন নেই ভয়
থেমে গেলেই ফিরে আসবে আবার হাতের
কাছে রান্না হওয়া গরম ভাতের হাড়ি ফেলে
ছুটেছিল জমি জমার দিকে পাকা ধানেরও
সুগন্ধী ফসলি হাওরেরও চার দিকেরই নিচু
জমিতে পাট খেতের সবুজ কারুকাজ রয় !

জম্বুরা বৃক্ষের কাছা কাছি মানুষের ঢল যেথা
কচি ফলে ভরা পৌছানোর সাথে সাথে ডানা
মেলে উড়ে আসা রাক্ষসযানের পেট থেকে ই
মুসলধারে ছিটকে আসা আর গনগনে ধাতব
বৃষ্টি চোখের নিমেষে হাজার জনের বুক মুড়ি
চালুনির ঝাঁজর করে দিয়েছিল অনেক সেথা !

ধারা মেনে এসে লালও হয়েছিল ই নদীর রঙ
আর সেই রঙ উড়ে গিয়েই আবার লেগেছিল
বৈশাখের আকাশে অঝর ও অবিরাম ধারায়
লাল ঝড়ে পড়েছিল প্রান্তরে চাঁদহীন রাতের
ভেতরে সবুরের ঘুম ভাঙার আগেই সে বুঝতে
পারে তার বুকের উপর পা দিয়েও করছে ঢং!

Similar Posts

  • স্নেহময়ী

    জন্মিয়া প্রথম যেদিন শিশু পড়িল মাঠিতে ,দাঁত নাই শক্তি নাই কোন কিছু ই খাইতে ।ভাগ্য গুণে মায়ের বুকে দুধ টুকু ছিল,জীব দিয়ে চুষে তাই জীবন বাঁচাল।স্নেহময়ী মা জননী কি যে অনুরাগী,অবাধ্য হলেও শিশু হয় না বিরাগী।সন্তানের সুখে ব্যস্ত থাকে সারাক্ষণও,দুঃখ কষ্ট কিছুই মনে করে না কখনো।সন্তান ব্যথা পেলে কলিজা মা’র জ্বলে,কতক্ষণে নিবারণ করতে পারে বলে…

  • কি দিব উপাধি

    কি দিব উপাধি চিন্তায় আছি কতজগন্য চলাচল ও ধোকাবাজ শত।তার কথা বার্তায় বুঝায় কি যে সৎবাইরে দেখায় সাফ উদ্দেশ্য অসৎ।তার রুপ হাবা গোবা সে যে বোকাসরল যারা তাদের দেয়তো ধোকা।আচার আচরণ মিষ্টি ভিতর বাঁকাটকানোতে রয় যেন কত সে পাকা।ধান্দা আর ধোকাবাজে যা ধূর্ত হয়ধরা খেলে মুক্তি পায় সে দোষী নয়।পৃথিবীতে টগ আর যত ধান্দাবাজসরল ও…

  • আল্লাহ ভরসা!

    তুমি একজন খুব বড় লোকতোমার কপালে অনেক সুখসমাজে সব থেকে উন্নত মুখভোগ করনি তো কোন দু:খ! জীবনটা তোমার যতো শান্তিচলতে ফিরতে ই প্রচুর শ্রান্তিসর্বদা ভাগ্যে জোটে প্রশান্তিঘটেনাই কখনই তো অশান্তি! কষ্ট দুর্গতি অশান্তির ই জ্বালাকোনদিন দু:খে কাটেনি বেলাতার নিকট এসব হেলা ফেলাদুনিয়া যেন এক রঙের খেলা! অভাব অনটন দুর্ভোগ দুর্দশাগরীবের থাকে যতো সর্বনাশাখোদার কাজে হবে…

  • চরিতার্থ

    কি আর লিখবো আমি ভাষা নাহি পাইচার দিকেই ঘিরে আছে কতো অসংখ্যধোকাবাজ তাদের কু মতলব চরিতার্থকরার জন্যে হন্যে হয়ে ঘুরে ফিরে যতসরল তারা খপ্পরে না পড়ে উপায় নাই। তাদের চক্রান্ত কতো যেনো শক্তি ধরঅনেক চালাক চতুর আরো তারা পটুচলা ফেরায় শীঘ্র সংঘবদ্ধ হয়ে থাকেনিরব ভুমিকা রয় উত্তেজিত হলে তয়কথা বার্তায় জোরে থাকে গলার সর। খোদা…

  • বিবর্তন

    নশ্বর জগত ছেড়ে যেতে হবেশুধুমাত্র একে অন্যের সাথেইআচার আচরণ কেমন ছিলোতাই মানুষের মনে স্মরণ রবে। কতো ভালো মন্দ মানুষ ছিলসময়ের বিবর্তনের ফলে সবেপর্যায়ক্রমে আল্লাহ তায়ালারহুকুমে ধরণী হতে বিদায় নিল। এর মধ্যে ভালো ছিলো যতোতাঁরা যথাযথ ইবাদত বন্দেগীআর সঠিক সুন্দর পথে চলেসন্তোষ্টি অর্জন করেছে ততো। আরো অনেক স্মরণীয় যারান্যায় সংগত আর স্রষ্টার পথেচলাচল করেই সবার মন…

  • কানে রিং চুল বাঁধা !

    কত আছে কানে রিং চুলও বাঁধাসরল প্রকৃতির যারাই সাদা সিধাপরিচয়ে চোখে লাগে শতো ধাঁ ধা! কানে রিং চুল বাধা মেয়ে/ পুরুষঅভিভাবকের বুঝি নেই যেন হুশঅশালীন চলা হবে তাদের দোষ! হর হামেশা চলে মেয়েরূপী ছেলেরূপ বদলে তারা ছুটে হেলে দুলেভাব অহংকারেই রাস্তা ঘাটে চলে! সন্তান নষ্ট হউক কারো কাম্য নয়সব পিতা মাতা যেন যত্নশীল হয়লক্ষ্য রাখবে…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *