স্বর্ণালী দিনগুলো
ক্লাসের সহপাঠীদের সাথে উঠত মেতে
সকলে যত বসত দুপুরে টিফিন খেতে
বিদায় বেলায় এসে তাই কারোরই যেন
একটু মনও চায় না স্কুলটি ছেড়ে যেতে।
প্রত্যেকেরই মনে হয় যেন কম ও বেশি
কখনোও একটু আধটু হতো কিল ঘুষি
ছোট থাকলেতো সকলই থাকতো খুশি
পড়াশোনার ফাঁকে হত যা দোষা দোষী।
এছাড়াও বিশেষ কিছু আরও অনুভূতি
মনের চারপাশে ঘোরা ফেরা করে গতি
উঠতে পারে না তো বাঙময় হয়ে জুতি
থেকে যায় অব্যক্ত হিংসা ও সহানুভূতি।
বাস্তব যেন যন্ত্রণাগুলোর এটাই কারণ
স্বর্ণালী দিনগুলোর স্কুল বেলার স্মরণ
ফিরে আসবে না যেনো করেছে বারণ
স্মৃতিতে বেঁচে থাকা মনে রাখার ধরন।
স্মৃতি রোমন্থন আর ছেলেবেলার করে
প্রত্যেকটি মুহূর্তের ভালো লাগার তরে
সজীব করে তোলা শত কঠিনের পরে
আর স্মরণীয় হয়েই থাকে জীবন ভরে।