অলি-আউলিয়ার বাংলাদেশ

 হযরত শাহজালাল ইয়েমানী (রা:)

৩৬০ জন আউলিয়া নিয়ে সিলেটে 

এসেছিলেন ওলিকুল শিরোমণি।

সুলতানুল বাঙ্গাল ও ছিলেন তিনি

হযরত শাহজালাল মুজাররাদ 

ইয়েমানী (রা:) বিখ্যাত পীরই যিনি।

তাঁর মাধ্যমেই ইসলামের প্রসার ঘটে

বোরহান উদ্দিন (রাঃ) এর ওপর গৌড়

গোবিন্দের কত অত্যাচার ছিল বটে। 

সিলেট ৩৬০ আউলিয়ার সুন্দর দেশ 

পুণ্যভূমি অভিধায়ও অভিহিত করে 

যার প্রমাণ রয়েছে কতই যেন বেশ।

অলি-আউলিয়ায় বাংলাদেশ যে ভরা 

ইসলাম প্রচারে আউলিয়া কেরামের

অবদান আছে যার সুনামে বিস্তৃত ধরা।

Similar Posts

  • এক চক্রে বাধা

    সবার জীবন যেন এক চক্রে বাধাশৈশব থেকে যৌবন আর সেখানহতে বার্ধক্য পরে সকলই নিঃশেষঅনেকের বিশ্বাস যেন সর্ব শেষেরকল্যাণে অনন্ত জীবন থাকে সদা। বার্ধক্যও জীবনের অদ্ভূত অধ্যায়শৈশব কৌশোর যৌবন পেরিয়ে এসময়টা যখন উপস্থিত হলে পরেইমানুষ কেমন যেনোও অন্য রকমস্বত্তায় পরিণত হয় যাহা বুঝা দায়। দুর্বোধ্য হতাশা অসহায় হয় মানুষআর দুর্বোধ্য হওয়ার প্রধান কারণনিজে গুটিয়ে নেয়া সারা…

  • তীব্র যন্ত্রণা

    সকাল সন্ধ্যা এক সাথে চলাফেরাপড়া লেখা খেলা আরো ঘুরাফেরা।একত্রে থাকে রাস্তা ও বাজার হাটেকোন সময় যাত্রা করে খেয়া ঘাটে।পরস্পর সম্পর্ক অনেক যে গভীরএখনো এর হয়নিতো কোন স্থবির।একদা তারা এক পরিকল্পনা করেআরো বন্ধুদের নিয়ে যাবে যা দূরে!এক সাথে ফুর্তিও করবে যত সবেআরো পরিচিত সহযোগী যা পাবে!সকাল বেলা সবই মিলে একস্থানেসকলের সংগেই ব্যাগ তারা আনে।সঠিক সময়ে তারা…

  • শান্তির বার্তা

    আশরাফুল মাখলুকাত মোরা যতসামাজিক জীব হিসেবে বাস করিএকে অপরের একান্ত সহযোগীতাকরার জন্য উন্নয়ন লাভ করি তত। সকলের কর্তব্য পালন করে গেলেএতে নিজের পরিবারের সমাজেরযতো উন্নতি সাধনের ফল শ্রুতিতেআরাম আয়েশ আরো শান্তি মিলে। সত্য আর নিষ্ঠার সাথে কাজ করেদুনিয়া ও আখেরাতের জিন্দেগীতেসবারই অপার সুখ শান্তি ও আরামথাকেই যার কোনো সীমা নাহি ধরে। মহান আল্লাহ তায়ালার অসীম…

  • বিষণ্ণ মুহূর্ত

    কখনো রাত্রির ভিতরে এসেআরো যায় যদি রাত্রি মিশে। জেগে ওঠেই অন্ধকার থেকেআলোতে সমস্ত মুখটি দেখে। মুছে যায়তো মুখরতা তোমারএজন্য ভেসে যায় সব আমার। প্রতিটি মুহূর্ত যদি নিয়ে আসেবিষণ্ণ অতীত বিন্দু ভরে রসে। কথা যদি কখনোই থেমে যায়থামাটা যদি চোখের দৃষ্টি পায়। প্রত্যেক শরীর যতো কথা বলেমনের গভীরে কতো যেন চলে। রাতে রাত্রি মিশে যাওয়া ভালোঅন্ধকারেতে…

  • হৈ হুল্লোড়

    বিয়ে বাড়ি হৈ হুল্লোড়চতুর্দিকে আনাগোনামানুষেরই সোরগোল। জন সমাগমে হুলস্থুলআনন্দ ফুর্তি ভরপুরকখনো হয় গন্ডগোল। গান বাজনারও তালেনাচে আরোও হেলেবাদ্য বাজে হেলেদুলে। বাসনের ই ঢাক ডোলবাবুর্চিদের যতো শোরআছে কত ডামাডোল ওদের একমাত্র ধান্দাপাক শাক না হয় মন্দাকতো উত্তম হবে রান্না খাবার মনের মতো হলেতৃপ্তির কথা সবাই বলেআত্নীয়দের শান্তি মিলে।

  • গ্রীষ্মের খরতাপ

    চোখ ধাঁধিয়ে দেয় রোদ ঝলমল,তাপে পুড়িয়ে পড়ে ঘাম টলমল।অসয্য গরমে জনপদ আর ঘাট,বেশী গরম আছে খেলারও মাঠ।গ্রীষ্মের খর তাপে অতিষ্ঠ লোক,গরমের উষ্মতার বেদনাও দুঃখ।একদিকে কঠিন তাপেরই জ্বালা,লোড শেডিংয়ের আরো কত খেলা।একটু পর পর যায় আসে বিদ্যুৎ,কে বলে কার কাছে তাদের দুঃখ।সকল স্থানে সর্বোচ্চ গরমের তাপ,মাঠে যত আছে বলে পাব কি মাফ।দীর্ঘ দিন পর্যন্ত খরতাপ কত…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *