বিদ্বেষী ভাব

প্রকৃতির সঙ্গে আমাদের বিদ্বেষী কত ভাব
পাহাড় কাটার হুকুম দেয়না কোন লাট সাব।

আমরা শহরের কলেবর সবে বৃদ্ধি করেছি
প্রকৃতির বিসর্জনে উন্নয়নের ও পথ ধরেছি।

ইটের পর ইট গেঁথে শুধু দালান করি নির্মাণ
প্রকৃতির স্থান কোথা তার নেই কোন প্রমাণ।

বুক ভরে নির্মল বাতাস নেয়া যায় না শহরে
একটু জায়গা নেই খালি নগরে ও বন্দরে।

বাড়িতে নেই উঠান গাছ আর কোন ছায়া
এসব কিঞ্চিৎ থাকলেও ছায়ার নেই মায়া ।

শেষ কবে মেখেছিল সকলের পায়ে কাদা
আধুনিকতার ফলে ইহা যেন গল্প বা ধাঁধা।

বায়ুদূষণের কারণে তালিকাতে শহর নগর
শব্দদূষণে আক্রান্ত হচ্ছে শহর নগর বন্দর।

Similar Posts

  • বিদ্যুতের রুটিন

    বিদ্যুতের প্রত্যেক দিনের খেলাযেহেতু নিয়মিতও চালাতে হবেসময়ে অসময়ে তা বন্ধ না করেএকটি রুটিন মতো সেরে নিবে। ফজরের নামাজ শেষ হয়ে গেলেপ্রত্যেক দিন নিয়মিত করে নিলেঅফিস – আদালত যত প্রতিষ্ঠানখোলার পূর্ব পর্যন্ত যেন বন্ধ চলে। যদি বিদ্যুৎ সেবা বন্ধ রাখতে হয়প্রতিদিন ভোরের নামাজের পরেনিয়মিত করে সকাল নয় টা তকবন্ধ রাখলে সমস্যা থাকবে দূরে। হয়তো বা আর…

  • কর্ম তৎপর

    জীবনে চলার যদি কোনো করোনা রুটিন,সুন্দরভাবে চলাচল করা হবে যেন কঠিন।অবহেলা অলসতায় সময় যাদের যায় ,আদৌ সুখ শান্তি তারা কখন ও না পায়।এ ধরায় জ্ঞানী গুণী লোক আছেন যত,সকলেই সময়ের মূল্য দিয়েছেন যে কত।অধ্যবসায়ে যাঁরা ছিলেন লেখা ও পড়ায়,সুনাম যশ খ্যাতি তাঁদের সবদিকে ছড়ায়।প্রশিদ্ধ লোক পৃথিবীতে যারা ছিলেন যত।প্রথম জীবনে সাধনায় থাকছেন অবিরত।জগতে উন্নতি আর…

  • তফাৎ

    দেখতে সুঠাম দেহ,কথায় চমক মোহ।চলনে খাতির জমায়,কেইবা তারে থামায়।হউক সে গন্ড মূর্খ,কেহই জোড়েনা তর্ক।জোরে সুরে বুলি তার,যুক্তি তর্ক করলে মার।দাপটের বাহাদুরি যার,তাদের গর্জনই সার।বিজ্ঞ জ্ঞানী গুনি যারা,সসম্মানে চুপ থাকে তারা।মূর্খরা সমাজ করছে ধ্বংস,কোন উন্নতি করেনি বংশ।সুশিক্ষায় শিক্ষিত জন,অনুসরণে উন্নতি হয় মন ।

  • দু’টি বোন

    ফুল ফুটেছেচুল বেধেছেআপা মনি যে। ঘুম ভেংগেছেদাঁত মেজেছেরাইফা মনি সে। নাস্তার কালেএকটু পায়েসলাগছে তার গালে। ফুপিয়ে কাঁদে তালেতাইফা দেখে দেয়বোনকে পানি ডালে। লক্ষী বলেকাদিসনে বোনকুলে নেয় তুলে। সে হাসে যতদু’টি বোন অসীমআনন্দে হাসি-খুশি শত।

  • আল্লাহর শুকরিয়া

    আল্লাহ পাকের অশেষ মেহেরবানীতে অদ্য ০৪.১১.২০২২ খৃঃ, রোজ শুক্রবার ; আমার স্বহস্তে লিখা কবিতা সর্ব মোট ১০০ টিতে পৌঁছে গেছে । আমার রচিত প্রথম কবিতা ” শ্রাবণী ” এবং শেষ কবিতাটির নাম — ” চারিত্র ” । সৃষ্টিকর্তার অসীম দয়া এবং সকলের দোয়া / সহযোগিতায় এ রকম একটি লক্ষ্যে উপনীত হতে পারায় আমি আপনাদের অশেষ…

  • আত্মীয়-স্বজন

    আদর ও আহ্লাদের মেহমান,অধীর আগ্রহে সব মেজবান। রং বেরংগের করে যে সাজ,পোশাকেও নেই কোন ভাজ। আছে সাথে কত উন্নত গাড়ি, আনন্দে যাবে অতিথির বাড়ি। প্রসাধনীর কত বাহারি সুগন্ধ,সকলের অন্তরে বেশ আনন্দ।আগতদের অভ্যর্থনার পালা,দাঁড়িয়ে রয়েছেন নিয়ে মালা।টেবিলে হরেক রকম খাবার, পানীয় দ্রব্য ফল মূল আবার।  খুশিতে যে শেরে ভূরিভোজনএকে অপরের আত্মীয়-স্বজন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *