শিশু দিবস

শিশুদের নিয়ে ‘শিশু দিবস’ উদযাপিত হয়
এ দিবসের প্রতিপাদ্য ‘বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনের
অঙ্গীকার সকল শিশুর সম অধিকার’ রয়।

পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে হয় এ দিবস পালিত
প্রথমবার শিশু দিবস তুরস্কে সম্পাদন হয়
জাতিসংঘ ১৯৫৪ এর ২০ নভেম্বরে লালিত।

বিশ্ব শিশু দিবস হিসেবে ও হয় উদযাপন
২০ নভেম্বরে আবার আন্তর্জাতিক শিশু
দিবস জুন ১ তারিখে করা হয় নিষ্পাদন।

শিশু দিবসগুলোতে নিয়ে শিশুদের অধিকার
ব্যাপক আলোচনাও পদক্ষেপই গ্রহণ এবং
বাস্তবায়নে কাজ করে অর্জন হয় স্বাধিকার।

ইংল্যান্ডে মানুষের ৩৫ বছর ছিল গড় আয়ু
দুই-তৃতীয়াংশ শিশু ৪ বছর বয়সের পূর্বেই
তাদের বের হয়ে যেত জীবনের শেষ বায়ু।

৫ বছর কম বয়সী শিশু মৃত্যুহার বাংলাদেশে
কমেছে বটে নবজাতক শিশু মৃত্যুর যে শীর্ষ
তালিকায় ও ১০টি দেশের অন্যতম স্বদেশে।

Similar Posts

  • তুমি চীর মহান!

    কতো পশু পাখিই আছে তারা সবেঅসংখ্য আরো প্রহরে প্রহরে জাগেপ্রভাতে ব্যস্ত হয় কল কাকলি রবে। মানুষ হয়ে কেন তোর চেতন হলনাপরম প্রেমময় মেহেরবান সৃষ্টিকর্তাএমন দয়াল খোদার নামই নিলেনা। আকাশ ছাড়া দেখেনা রাত নিশিথেআমার কাঁদার ভেদের কথা আল্লাহছাড়া তো কেহো জানেনা পৃথিবীতে। ছন্দ লিপি কবিতা কাহিনী ও বাণীকারো কারো কাছে তা ইবাদততুল্যএ জন্য সৃষ্টি করেছেন সবাই…

  • শীতের ডাক

    ষড় ঋতুরই স্বদেশমোদের বাংলাদেশ।গরমের শেষ হাঁকঠান্ডার প্রথম ডাক।হেমন্তের শেষ যাত্রাশীতের কঠিন মাত্রা।ঠান্ডার সময় আসেপৌষ ও মাঘ মাসে।আরম্ভে কতই শীতশিশুরা ও গায় গীত।সময় যত বয়ে যায়গরম কাপড় লাগায়।শিশু কিশোর যুবকযতই তাদের দোসর।প্রকোপতা বাড়ে যতলেপ বস্ত্র লাগে তত।বয়ষ্কদের কতই কষ্টপরে হয় জীবন নষ্ট।হাত পা ঠান্ডায় ধরেতীব্র শীতে কত মরে।

  • শীতল ছায়া !

    বিশাল পৃথিবীর সমান শব্দটা বাবা যেনোসব শ্রদ্ধা দায়িত্ব আর ভালো বাসায় ঘেরাসন্তানদের শুধু নয় তাঁর ভালো বাসা শেষজীবনের নিশ্চয়তাটুকু দিতে উজাড় করেতিনি করেন না দুবার চিন্তা কখনো কোন! তাঁর কাছে দামি সন্তানের চেয়ে নেই আরসন্তানকে তার বাবা যে প্রতি মুহূর্তে ছায়ারমতোও আগলে রাখেন গ্রীষ্মের খর তাপেবটমূলের ছায়া যেন করে শীতল সকলকেমাথার ঘাম পায়ে ফেলে কষ্ট…

  • কলরব

    রাত বাড়তেই হয় রাজধানী নীরব,মানুষের সংখ্যা কমে নেই কলরব।বিভিন্ন স্থানে শুধু দেখা যায় চোখে,ফুটপাতে আছে কতই কষ্টে দুঃখে।কেউবা একদম কোন বিছানা ছাড়া,অনেকের আছে আবার ছেঁড়া ফাড়া।গরীব দরিদ্র মানব হতভাগা যারা ,অগনিত আছে যে বসত ভিটা হারা।স্থান পেয়েছে অনেকে গাছের তলায়,বহুলোক শুয়েছে পরিত্যক্ত চালায়।দিনভর কাজ করে ক্লান্ত শ্রান্ত হয়ে ,সুখ আরাম ছাড়া , স্থান গেছে লয়ে।দালান…

  • গরমের তীব্রতা !

    গরমের অতিরিক্ত তাপঘরে বাহিরে কত মানুষঅসহ্য যন্ত্রণাতে ভোগেঅনেকে আরো বলছেকি উষ্ণতা বাপরে বাপ! অস্বাভাবিক তেজ যারমাঠে ঘাটে ক্ষেতে আরখামারে দারুণ কষ্ট সহ্যকরে নির্ধারিত অবস্থানদখল করছে যার তার। দুর্ভোগের কতো জ্বালাপ্রখর রোদের তীব্রতায়মাথার ঘাম পায়ে ফেলেঅসহনীয় যাতনা ভোগকরছে কাজে নেই হেলা। অসহায় দিন মজুর যতঅসহনীয় দুর্গতি আরোব্যথা বেদনায় জর্জরিতহয়ে অনেক লোক কিন্তুশোকে দু:খে আছে শত!

  • সীমাহীন ভয়

    সীমাহীন ভয় কখনো হয়বন্ধুত্বের রূপালী সম্পর্কওস্নেহের সোনালী বন্ধন সবশুকনো শাখার মত ফেটেফেটে ভেঙে যেন নাহি রয়। ঘুম হতে উঠে চোখ খুলবেকতো কথা বলা বলি হবেপক্ষে বিপক্ষে রসালো মৃদুতিক্ত কঠিন হাসি কান্না ওভালো মন্দ কতই দেখবে। হাত করবে কত যেন কাজআঙুল লিখবে দুনিয়ার যাহিসাব নিকাশ ঘটনা রটনাযুদ্ধ বিদ্রোহ লড়াইয়ের মতআয় ও উন্নতির কত সাজ। ফুলের মতই…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *