মোবাইল ফোন

মোবাইল ফোন ব্যবহার কারীর কত বেড়ে
হার্ট অ্যাটাকের আশংকা রক্তচাপ মেজাজ
খিটখিটে হয়ে ক্ষুধা ও দূরে পালায় তেড়ে।

মোবাইল ফোন ব্যবহারে সব শিশুদের জন্য
স্ক্রিনের রেডিয়েশন মারাত্মক ক্ষতিকর আর
মস্তিষ্ক বিকাশ ব্যাহত করারও ইহা এক পণ্য।

” আজকের শিশু আগামীর ভবিষ্যৎ ” বলে
শিক্ষার্থীরা ও মোবাইল ফোনে আসক্ত হলে
তাদের ভবিষ্যৎ যেন অন্ধকারে যাবে চলে।

আবশ্যক তাই কিছু পদক্ষেপ ও গ্রহণ করা
প্রতিটি বিদ্যালয়ে ফোন ব্যবহারকারী যারা
নিষিদ্ধ ঘোষণার ব্যবস্থা গ্রহণের পথ ধরা।

শিশুরা মোবাইল ফোনে থাকলে সংযুক্ত
অভিভাবকদের সচেতনতায় প্রয়োজনের
বাইরে না দিয়ে আসক্তি থেকে করবে মুক্ত।

শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল কাজে আরও বেশী
খেলাধুলার সুযোগ প্রদানের মাধ্যমেও স্মার্ট
ফোনের আসক্তির মুক্ত করলে হবেনা দোষী।

আসক্তির কারণ অনুসন্ধান করতে ও চাই
প্রথমেই আমাদের বুঝতে হবে , আসক্তির
ফলে আমরা যন্ত্রণা থেকে মুক্তি কী পাই ?

সাধারণতঃ মানুষ বলে এটা মুক্তি দেয়
যন্ত্রণা , মানসিক চাপ, দূরে রাখে যে কোন
পরিস্থিতি আর অনুভূতি নিয়ন্ত্রণ করে নেয়।

Similar Posts

  • বৃষ্টির জলে স্নান

    অনেকে কথার ভিতরেও কথা খোঁজেসহজ ভাষা তুমি ভুলে গেছো এসো এবৃষ্টি জলে স্নান করে গা জুড়াই ভিজে। জলের ভিতরে মুক্তি পথ ভেবে দেখোঅবধারিতের জন্য বসে থেকে আরোহৃদয় কিছু কুঞ্চন হয়েছে মনে রেখো। কীর্তন খোলা হিসেবে আছে সেই নাম?তেমনই প্রবাহ মুখটি সে রকমই আছে?সেরকম নেই আর থমকেছে তার কাম। তার ধারে এসে দাঁড়িয়েছ সুপারির সারিতোমার মাটির…

  • নিরুদ্দেশ হয় কতো !

    আল্লার ভরসায় তুমি যেতে পারোছোট বড় যতো সংগী নিও আরোসময় মতো ইবাদত বন্দেগী করোসর্বদা আল্লাহকে খুশীর পথ ধরোদৈনন্দিন দরকারী কাজও সারো! সেথা থাকবে সবাই একত্রে মিলেউন্নয়নের কাজ করো মিলে মিশেসম্মিলিত থাকলে পাবেনা দোষেঅনায়াসে হবে কাজ ফুর্তির বশেসবার সময় যাবে আনন্দ উল্লাসে! যুবক বৃদ্ধ কত ত্যাগ করে স্বদেশজন্মভূমি ছেড়ে তারা যায় বিদেশপ্রগতি উন্নতির থাকে যত উদ্দেশদেশ…

  • টইটম্বুর

    বন্যায় কবলিত যারাতাদের জন্য আল্লারকাছে মুক্তি চাই আরসবাই যেন সাহায্যেরহস্ত বর্ধিত করি মোরা। নেমেছে বন্যার পানিকতো স্থানে টইটম্বুরকরেছিল সবে জানিবহু কষ্টে ফেলেছিলএখনো টানছে ঘানি। কতো তলিয়ে গেছেমূল্যবান জিনিসপত্রপোষা হাঁস মুরগী যাগরু ছাগল বহু কিছুআরো ভেসেই নিছে। খোদা রহিম রহমানআমরা সৃষ্টির সেরাজীব তাঁর সন্তোষ্টিরজন্যে বর্ধিত করেনমোদের মান সম্মান!

  • স্নেহের বন্ধু

    সকল পুরোনো বন্ধু সোনার মতনতুন যারা হীরের ন্যায় সমেতোহীরে যদি পেয়ে যাও তো স্বর্ণকেভুলো না কারণ তা ধারণ করতেপরিশেষে স্বর্ণ কিন্তু লাগবে কত। বন্ধুর অর্থ কোনো অবহেলা নয়তাদের আপন করেও নিতে হয়তারা হল যত সুখ দুঃখের সাথীকেউ কখনো নিও না এমন বন্ধুপরে সে যেন ক্ষতির কারণ হয়। যেমন ছিলে সর্বদা তেমন থাকোবন্ধুদের জন্যে স্নেহ মায়া…

  • হাসায় – কাঁদায় !

    আধুনিক যুগের মেশিন আছেসকল লোকের মায়েরই কাছেকেউরে হাসায় কেউরে কাঁদায়আর কলের পুতুল কলে নাচে! যেমন চুম্বকের ন্যায় আকর্ষণকতো পুরুষের ধন করে হরণকেউবা যে অকস্মাৎ হয় মরনশীত আর গরম করে নিয়ন্ত্রণ! খোদাপাক স্রষ্টা তাঁর সৃষ্টিধারাএই দুনিয়াটাতে আসিল যারামায়ের গর্ভেতে সকলতো গড়াএতেও দ্বিমত নেই নিরব সাড়া! যার অন্তরে যত রয়েছে শান্তিআছে যে তার সঠিক ভাবমূর্তিচলেছে দূরে যেনো…

  • স্কুলে প্রথম যাত্রা

    বড় বোন তার তাইফা,সংগে নেইতো রাইফা।বিদ্যালয়ে প্রথম যাত্রা,আনন্দের শত মাত্রা।কত সাজ গুজ করে,স্কুলের পথই সে ধরে।বই খাতা ও পরিপাটি,চলছে সে পায়ে হাটি।বললাম গাড়ীতে এস,জানালার পাশে বস।গাড়ীতো রওয়ানা দিল,বিদ্যালয়ে নিয়ে গেল।খুশিতেই সে আত্নহারা,আরো সহপাটিও যারা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *