রে পাষাণ !

রে পাষাণ তোর কি কোনই দয়া মায়া নেই
এতো করে তোকে বলার পর তুই এখনো
অবহেলা করেই যাচ্ছিস আগের মত যেই!

দেখো এ পৃথিবীতে কেহই দীর্ঘ স্থায়ীযে নয়
অনাদর আর অবহেলা করতে পারিস তুই
উদরের সন্তান হয়ে বেখবর ইহা কিরে সয়!

ছোট ছিলে যবে আদর দিয়ে রেখেছি বুকে
কত কষ্ট উপেক্ষা করে মায়া মমতায় ভূলে
যেতাম দুঃখ দুর্দশা যতই চেয়ে তোর মুখে!

পৃথিবীতে তুই কতই যেন ছিলে অসহায়
খোদা ছাড়া পালনে সহায়তা করত কেউ
ছিলনাতো কেবল আমি ছিলাম যা সহায়!

আল্লাহর জমিনে আমি ব্যতীত নেই কেউ
ভাই বোন অথবা আরো নেইতো রে রক্তের
সম্পর্কের আমার এখন ভেসে কষ্টের ঢেউ!

সৃষ্টি কর্তার মেহেরবানীতে রেখেছিও ধরে
তাঁর করুণার ফলে মানুষ হতে পেরেছিস
নয়তো পূর্বেই চীরতরে পড়ে যেতে ঝরে!

অন্তিম মূহুর্ত প্রায় এখন এসে গেছে মোর
তর মংগলের তরে চিন্তায় আছি রে আমি
মরে গেলে ধরার বুকে কি হবে পরে তর!

Similar Posts

  • পশুবৃত্তি

    সর্ব নিকৃষ্টতম আচরণ হচ্ছে ধোঁকামানুষের আচরণের পশুবৃত্তির মধ্যেযা অনেকগুলো কত পাশবিক হলেএকজন মানুষ অন্য জনকে কুবুদ্ধিদিয়ে তৎক্ষনাৎ বানিয়ে নেয় বোকা। বেশ যন্ত্রণার মধ্যেও জীবন কাটায়একজন ধোকাবাজ মানুষ বরাবরকৃতকর্মের জন্যে সে পুরো নিশ্চিতযে অসহনীয় দু:খ কষ্ট সম্পুর্ণরুপেভোগার কারণ জেনেই স্বার্থ মিটায়। বিশ্বে বিশ্বাসের ভিত যত গভীর হয়মানুষ কোন সময় যথেষ্ট স্বার্থ সিদ্ধিঅর্জন করে অবিশ্বাসের জন্য কেহকিছু…

  • মনেতে খুব একটা শান্তি নাহি পাইগত বছর নাতনী ছেলে ও বউমাসহবাসা বাড়ির সবে মিলে মিশে ঈদুলফিতর এবং ঈদুল আজহা উৎসবএকত্রে করছি এবারতো দেশে নাই! আনন্দ উল্লাস ফুর্তি আমোদ যতোদেশের সকলেই ভাগাভাগি করতেইপারছি কিন্তু আদর সোহাগের মোরনাতনিটি ছাড়া সব কিছু যেন ভেস্তেগেছে তার বিরহে চিন্তা মগ্ন অবিরত! যারা বিরহে ভোগে বুঝে তার জ্বালাতুষের অনলে অন্তর পুড়ে…

  • ক্ষণিকের জীবন

    সকলকে ভালবাসতে শিখবে যখনকল্যাণে কাজ করে যাবে জীবনেরপ্রান্তিলগ্নে গিয়ে ও দেখবে মানুষেরস্নেহের আকণ্ঠ ডুবে রয়েছো তখন। কতো বিচরণ করে সুখ শান্তি চেয়েবিশাল মহাজগতে মানুষ ক্ষণিকেরজীবন সুখময় করার জন্যে অত্যন্তকষ্টের পর সুখী হয় সফলতা পেয়ে। কতো উজ্জ্বল মুহূর্ত খুলে দেয় দ্বারআমাদের জীবনের সবচেয়ে যতোদুঃ সময়ের অন্ধকার যাতে কঠোরপরিশ্রম আর দু:খে সময় চলে যার। শতো যে মূল্যবান…

  • পরিবেশ

    কত যে মহা জটিল স্থান এই পরিবেশ!আমরা দেখি যতটা স্বাভাবিক ভাবেতার থেকে অনেক বেশি অস্বাভাবিকব্যাপার দৈনন্দিনই ঘটছে স বিশেষ। পিঁপড়া ও ঘাসফড়িং এর কাহিনি গল্পপড়েছি সকলে মোরা যেথা গ্রীষ্মকালেপিঁপড়ার অক্লান্ত পরিশ্রমের কত ঘটনাঅবগত সবাই অধিক না হলে ও সল্প। পিঁপড়া একান্ত পরিশ্রমই করে নির্ঘুমস্বাভাবিক ভাবে কখনো যে না ঘুমিয়েঅনবরত খাবার জোগাড় করে যায়যখন আমরা অনেকে…

  • মহিমা

    আশা আকাঙ্খা নিয়ে সব বেঁচে রয়বর্তমানে যা কিছু আছে আগামীতেযেনো এর থেকে আরো অধিক হয়। ইচ্ছা বাস্তবায়ন করতে যত কষ্ট হবেতপস্যা ও সাধনায় সফল হয়ে গেলেফলাফল সম্পুর্ণ রুপে ভোগতে রবে। জন্মের পর মা বাবা অপেক্ষায় থাকেশিশুটি বড় হয়ে সু শিক্ষা লাভের পরসকল সুনাম যেনো বর্ধিত করে রাখে। সন্তান সু শিক্ষিত হলে যে কত গৌরবব্যক্তি পরিবার…

  • মেঘ তরঙ্গ

    গ্রীষ্মের দিনে মাঠ ঘাট হাটতীব্র রোদে পোড়ে ঝলকেপ্রচণ্ড উষ্ণতায় চলন্ত দিনেজলন্ত তেজ ধরে পলকে। কতো ঘাম ভেজা বালিশেউত্তাপে গলে গেলো রাতঅন্বেষণ করে যাচ্ছি নিদ্রাতখন থেকে হে সু প্রভাত। তীব্র গরমে ছট ফট করেপ্রচুর ঘামে ঝরছে পানিদিনের রোদে ধরছে মাথাকখন যে হবে বৃষ্টি জানি। মেঘ তরংগে নীরব বাতাসকতো সুখ দিয়েছো তুমিমুহূর্তে প্রচুর বৃষ্টিতে ভিজেশান্ত গাছ বৃক্ষ…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *